ঢাকা    শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সরকারের পাশাপাশি সর্বস্তরের নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই সমাজে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল জলিল মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জনপ্রশাসন সচিব বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চালিয়ে মাদক ও কিশোর অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বর্তমানে সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদকাসক্তির ক্ষতি শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের ওপরও পড়ে।অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বানকিশোর অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, সন্তান যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অভিভাবকদের তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। একই সঙ্গে সন্তানের চলাফেরা ও বন্ধু নির্বাচনের বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবেনবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশ ও সমাজ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাই শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না।শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন, নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাইফুল ইসলাম, কলেজের উপাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

৩ ঘন্টা আগে পড়ুন

দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত: রাষ্ট্রপতি

দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাই সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার দুপুরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন। এরপরও দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান এবং এমনকি বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনার জন্য বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে হচ্ছে। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।তিনি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার পাশাপাশি কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষায় ড্যাফোডিলসাক্ষাৎকালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টির নিজস্ব পেটেন্ট উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে। গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট অধিকার নিশ্চিত করা এবং সেগুলোর বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করে এ বিভাগ।ড. সবুর খান আরও জানান, শিক্ষার্থীদের গবেষণার পাশাপাশি প্রোডাকশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড, ফিশারিজ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সমাবর্তনে আমন্ত্রণ গ্রহণ রাষ্ট্রপতিরসাক্ষাৎকালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব ছাড়াও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ বছরে ২ কোটি মানুষকে চক্ষুসেবার আওতায় আনার লক্ষ্য

অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যা মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে অন্তত ২ কোটি মানুষকে উন্নত প্রাথমিক চক্ষুসেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে ১ কোটি মানুষকে চশমা দেওয়া, ১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশন এবং ৮০ শতাংশ চক্ষু বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এসব পরিকল্পনার কথা জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক চক্ষুসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে সারা দেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি স্কুলশিক্ষার্থী এবং পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের মানুষের কাছে এ সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষের কর্মক্ষমতা, কাজের দক্ষতা এবং আয় বাড়ানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি।গড়ে তোলা হবে রেফারেল নেটওয়ার্কচক্ষুসেবা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে একটি সুনির্দিষ্ট রেফারেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কথা জানান ডা. এম এ মুহিত। এ জন্য প্রয়োজনীয় রেফারেল হাসপাতালগুলো চিহ্নিত করা হবে।তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে যেসব রোগী শনাক্ত হবেন, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় স্কুলপড়ুয়া শিশুসহ ১ কোটি মানুষকে চশমা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। একই সময়ে অন্তত ১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশন এবং ৮০ শতাংশ চক্ষু বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।এ কর্মসূচিগুলোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে একটি ‘জাতীয় চক্ষু স্বাস্থ্য কৌশলগত পরিকল্পনা’ প্রণয়নের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।‘লক্ষ্য অর্জন সহজ নয়’আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সামিট ফর আই হেলথ’-এ সরকারের এসব প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হবে বলে জানান ডা. এম এ মুহিত।তিনি বলেন, এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে চক্ষুসেবার আওতায় আনা, ১ কোটি মানুষকে চশমা দেওয়া এবং ১০ লাখ ছানি অপারেশন করা সহজ কাজ নয়। তবে এ খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের উদ্দীপনা, ঐক্য, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও প্রমাণভিত্তিক কর্মপদ্ধতি লক্ষ্যগুলো অর্জনে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।‘আইএনজিও ফোরাম ইন আই হেলথ’-এর সহায়তায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং অফথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওএসবি) যৌথভাবে আলোচনা সভাটির আয়োজন করে।সভায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. সৈয়দ মাহবুবুল কাদির, আইএপিবির কান্ট্রি চেয়ার (বাংলাদেশ চ্যাপ্টার) ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ, ওএসবির সভাপতি ডা. মো. তৌহিদুর রহমান ও মহাসচিব অধ্যাপক মো. নিনু রেইন (নিউটন), আইএনজিও ফোরামের চেয়ার ও সাইটসেভার্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও এবং ভিশনস্প্রিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিশা মাহজাবিন বক্তব্য দেন।‘সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে’ডা. মুনির আহমেদ বলেন, দেশে চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে এ খাতের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রমাণ করে, চক্ষু স্বাস্থ্যসেবাকে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, বাংলাদেশে কর্মরত আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর দ্য ব্লাইন্ড’-কে পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে।চক্ষুসেবা খাতে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. মুনির আহমেদ বলেন, জবাবদিহিমূলক নেতৃত্বের কাঠামো ছাড়া কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন।

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশের

ডিজিটাল পরিবেশে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগ এবং বৈশ্বিক সর্বোত্তম অনুশীলন বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।বৃহস্পতিবার রাশিয়ার মস্কোয় ‘ডিজিটাল চাইল্ডহুড উইদাউট বর্ডারস: বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিসেস ফর চাইল্ড সেফটি অনলাইন’ শীর্ষক প্রাতরাশ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ সময় উদ্যোগটির জন্য গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরাম ও অ্যালায়েন্স ফর দ্য প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্টকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।শুধু অভিভাবক বা শিক্ষকের দায়িত্ব নয়ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে শিশুরা শিক্ষা ও বিকাশের জন্য অনলাইন জগতের নানা সুযোগ পাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা নতুন নতুন ও পরিবর্তনশীল অনলাইন ঝুঁকির মুখেও পড়ছে।শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু অভিভাবক বা শিক্ষকদের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সুশীল সমাজসহ সব অংশীজনকে এ দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করতে হবে।জাতীয় আইনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজনশিশুদের তথ্য সুরক্ষা ও অনলাইন শোষণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী।তবে শুধু জাতীয় আইন দিয়ে এ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সমাধান এবং কার্যকর অনুশীলন বিনিময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।মস্কোর বৈঠকে ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স টু প্রটেক্ট চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্ট’-এর খসড়া যৌথ ঘোষণা ও টার্মস অব রেফারেন্স পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান ফকির মাহবুব আনাম।তিনি বলেন, প্রস্তাবিত দলিলটি জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের আলোকে শিশুদের অধিকারকেন্দ্রিক একটি সমন্বিত কাঠামো তুলে ধরেছে।তিন নীতিতে বাংলাদেশের সমর্থনউদ্যোগটির তিনটি মূল নীতির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথা জানান মন্ত্রী। এগুলো হলো—শিশুর সার্বিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া, সব অংশীজনের যৌথ দায়বদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা বিনিময়।তিনি বলেন, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ সব ভৌগোলিক অঞ্চলের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে বহুপক্ষীয় কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ বৈশ্বিক কৌশলে প্রতিফলিত হবে।শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা সূচক বা ‘ডিজিটাল চাইল্ডহুড সেফটি ইনডেক্স’ এবং গবেষণার জন্য বিশেষ প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাবকেও বাংলাদেশ স্বাগত জানায় বলে জানান তিনি।ডিজিটাল সাক্ষরতার ওপর গুরুত্বকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সময়ে শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন ফকির মাহবুব আনাম।তিনি বলেন, ডিজিটাল বিষয়ে সচেতনতা ও জ্ঞান বাড়ানো গেলে অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।অনলাইন বুলিং, যৌন হয়রানি ও তথ্য চুরি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, জাতীয়তা নির্বিশেষে প্রতিটি শিশু যেন নিরাপদে ও নির্ভয়ে ডিজিটাল বিশ্বে বিচরণ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই বৈশ্বিক অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।আন্তর্জাতিক এ ফোরামে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে শফিকুর রহমানের বৈঠক

তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে তুরস্কের পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারকে অবহিত করেন।তিনি রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। রোহিঙ্গাদের জন্য তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।এ সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন ডা. শফিকুর রহমান।বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বানবৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সংসদীয়, শিক্ষাগত, প্রযুক্তিগত, শিল্প-সাহিত্য ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাই সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার দুপুরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন। এরপরও দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান এবং এমনকি বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনার জন্য বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে হচ্ছে। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।তিনি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার পাশাপাশি কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষায় ড্যাফোডিলসাক্ষাৎকালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টির নিজস্ব পেটেন্ট উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে। গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট অধিকার নিশ্চিত করা এবং সেগুলোর বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করে এ বিভাগ।ড. সবুর খান আরও জানান, শিক্ষার্থীদের গবেষণার পাশাপাশি প্রোডাকশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড, ফিশারিজ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সমাবর্তনে আমন্ত্রণ গ্রহণ রাষ্ট্রপতিরসাক্ষাৎকালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব ছাড়াও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যা মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে অন্তত ২ কোটি মানুষকে উন্নত প্রাথমিক চক্ষুসেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে ১ কোটি মানুষকে চশমা দেওয়া, ১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশন এবং ৮০ শতাংশ চক্ষু বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এসব পরিকল্পনার কথা জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক চক্ষুসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে সারা দেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি স্কুলশিক্ষার্থী এবং পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের মানুষের কাছে এ সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষের কর্মক্ষমতা, কাজের দক্ষতা এবং আয় বাড়ানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি।গড়ে তোলা হবে রেফারেল নেটওয়ার্কচক্ষুসেবা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে একটি সুনির্দিষ্ট রেফারেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কথা জানান ডা. এম এ মুহিত। এ জন্য প্রয়োজনীয় রেফারেল হাসপাতালগুলো চিহ্নিত করা হবে।তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে যেসব রোগী শনাক্ত হবেন, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় স্কুলপড়ুয়া শিশুসহ ১ কোটি মানুষকে চশমা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। একই সময়ে অন্তত ১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশন এবং ৮০ শতাংশ চক্ষু বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।এ কর্মসূচিগুলোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে একটি ‘জাতীয় চক্ষু স্বাস্থ্য কৌশলগত পরিকল্পনা’ প্রণয়নের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।‘লক্ষ্য অর্জন সহজ নয়’আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সামিট ফর আই হেলথ’-এ সরকারের এসব প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হবে বলে জানান ডা. এম এ মুহিত।তিনি বলেন, এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে চক্ষুসেবার আওতায় আনা, ১ কোটি মানুষকে চশমা দেওয়া এবং ১০ লাখ ছানি অপারেশন করা সহজ কাজ নয়। তবে এ খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের উদ্দীপনা, ঐক্য, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও প্রমাণভিত্তিক কর্মপদ্ধতি লক্ষ্যগুলো অর্জনে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।‘আইএনজিও ফোরাম ইন আই হেলথ’-এর সহায়তায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং অফথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওএসবি) যৌথভাবে আলোচনা সভাটির আয়োজন করে।সভায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. সৈয়দ মাহবুবুল কাদির, আইএপিবির কান্ট্রি চেয়ার (বাংলাদেশ চ্যাপ্টার) ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ, ওএসবির সভাপতি ডা. মো. তৌহিদুর রহমান ও মহাসচিব অধ্যাপক মো. নিনু রেইন (নিউটন), আইএনজিও ফোরামের চেয়ার ও সাইটসেভার্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও এবং ভিশনস্প্রিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিশা মাহজাবিন বক্তব্য দেন।‘সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে’ডা. মুনির আহমেদ বলেন, দেশে চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে এ খাতের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রমাণ করে, চক্ষু স্বাস্থ্যসেবাকে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, বাংলাদেশে কর্মরত আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর দ্য ব্লাইন্ড’-কে পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে।চক্ষুসেবা খাতে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. মুনির আহমেদ বলেন, জবাবদিহিমূলক নেতৃত্বের কাঠামো ছাড়া কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন।

ডিজিটাল পরিবেশে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগ এবং বৈশ্বিক সর্বোত্তম অনুশীলন বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।বৃহস্পতিবার রাশিয়ার মস্কোয় ‘ডিজিটাল চাইল্ডহুড উইদাউট বর্ডারস: বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিসেস ফর চাইল্ড সেফটি অনলাইন’ শীর্ষক প্রাতরাশ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ সময় উদ্যোগটির জন্য গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরাম ও অ্যালায়েন্স ফর দ্য প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্টকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।শুধু অভিভাবক বা শিক্ষকের দায়িত্ব নয়ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে শিশুরা শিক্ষা ও বিকাশের জন্য অনলাইন জগতের নানা সুযোগ পাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা নতুন নতুন ও পরিবর্তনশীল অনলাইন ঝুঁকির মুখেও পড়ছে।শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু অভিভাবক বা শিক্ষকদের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সুশীল সমাজসহ সব অংশীজনকে এ দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করতে হবে।জাতীয় আইনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজনশিশুদের তথ্য সুরক্ষা ও অনলাইন শোষণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী।তবে শুধু জাতীয় আইন দিয়ে এ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সমাধান এবং কার্যকর অনুশীলন বিনিময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।মস্কোর বৈঠকে ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স টু প্রটেক্ট চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্ট’-এর খসড়া যৌথ ঘোষণা ও টার্মস অব রেফারেন্স পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান ফকির মাহবুব আনাম।তিনি বলেন, প্রস্তাবিত দলিলটি জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের আলোকে শিশুদের অধিকারকেন্দ্রিক একটি সমন্বিত কাঠামো তুলে ধরেছে।তিন নীতিতে বাংলাদেশের সমর্থনউদ্যোগটির তিনটি মূল নীতির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথা জানান মন্ত্রী। এগুলো হলো—শিশুর সার্বিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া, সব অংশীজনের যৌথ দায়বদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা বিনিময়।তিনি বলেন, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ সব ভৌগোলিক অঞ্চলের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে বহুপক্ষীয় কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ বৈশ্বিক কৌশলে প্রতিফলিত হবে।শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা সূচক বা ‘ডিজিটাল চাইল্ডহুড সেফটি ইনডেক্স’ এবং গবেষণার জন্য বিশেষ প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাবকেও বাংলাদেশ স্বাগত জানায় বলে জানান তিনি।ডিজিটাল সাক্ষরতার ওপর গুরুত্বকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সময়ে শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন ফকির মাহবুব আনাম।তিনি বলেন, ডিজিটাল বিষয়ে সচেতনতা ও জ্ঞান বাড়ানো গেলে অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।অনলাইন বুলিং, যৌন হয়রানি ও তথ্য চুরি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, জাতীয়তা নির্বিশেষে প্রতিটি শিশু যেন নিরাপদে ও নির্ভয়ে ডিজিটাল বিশ্বে বিচরণ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই বৈশ্বিক অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।আন্তর্জাতিক এ ফোরামে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে তুরস্কের পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারকে অবহিত করেন।তিনি রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। রোহিঙ্গাদের জন্য তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।এ সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন ডা. শফিকুর রহমান।বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বানবৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সংসদীয়, শিক্ষাগত, প্রযুক্তিগত, শিল্প-সাহিত্য ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

৫ ঘন্টা আগে
মেয়ের জন্মদিনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, মাহিরার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা-মা

মেয়ের জন্মদিনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, মাহিরার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা-মা

আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন মাহিরা ফাতেমা পিউ। প্রিয় মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরীফের আয়োজন করা হয়েছে। মিলাদে মাহিরার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, সুন্দর ভবিষ্যৎ ও জীবনের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।জন্মদিনে মিলাদ ও দোয়ামাহিরা ফাতেমা পিউয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ শরীফে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন। এ সময় মহান আল্লাহর কাছে মাহিরার জীবনের প্রতিটি পথ সুন্দর ও কল্যাণময় করার জন্য দোয়া করা হয়। মিলাদ শেষে মাহিরা ফাতেমা পিউয়ের সুস্থতা, নেক হায়াত, সুখ-শান্তি এবং ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।বাবার অনুভূতিমাহিরার বাবা বলেন, সন্তানের জন্ম একজন বাবা-মায়ের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি। আজকের এই দিনে মহান আল্লাহ আমাদের মাহিরাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এ জন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ, সুন্দর ও নেক জীবন দান করেন।তিনি আরও বলেন, মাহিরা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়, ভালোভাবে লেখাপড়া করে এবং ভবিষ্যতে একজন ভালো মানুষ হিসেবে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করতে পারে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।মায়ের আবেগমাহিরার মা বলেন, একজন মায়ের কাছে সন্তানের প্রতিটি দিনই বিশেষ। তবে জন্মদিনের দিনটি আরও বেশি আবেগের। আজ মাহিরার জন্মদিনে মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।তিনি বলেন, আল্লাহ যেন মাহিরাকে সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করেন, সুস্থ রাখেন এবং তার জীবনে সুখ ও শান্তি দান করেন। সে যেন ভালো মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয় এটাই একজন মা হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।সবার কাছে দোয়া প্রার্থনামাহিরা ফাতেমা পিউয়ের জন্মদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে তাঁর জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন মাহিরা ফাতেমা পিউকে নেক হায়াত, সুস্থতা, ঈমান, সুখ-শান্তি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ দান করেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা দান করেন এই প্রার্থনা করেছেন তাঁর বাবা-মা।

১৭ ঘন্টা আগে
সংবাদ প্রকাশের পর জুলাইযোদ্ধা ফয়সলের চিকিৎসায় সহায়তা ইউএনওর

সংবাদ প্রকাশের পর জুলাইযোদ্ধা ফয়সলের চিকিৎসায় সহায়তা ইউএনওর

সংবাদ প্রকাশের পর জুলাইযোদ্ধা ফয়সল হাওলাদারের উন্নত চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তিনি ফয়সলের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।এ সময় ইউএনও ফয়সলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর চিকিৎসায় পাশে থাকার আশ্বাস দেন।সহায়তার চেক পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফয়সল হাওলাদার। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন তিনি। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁর ডান হাতের রগ কেটে দেয়। গুরুতর আহত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে পঙ্গুত্ব ও আর্থিক সংকটে ভুগছেন তিনি।ফয়সল বলেন, হামলার পর থেকে তাঁর ডান হাত স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে না। অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় হাতটি চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর অসহায়ত্ব তুলে ধরে সম্প্রতি দৈনিক আমার দেশে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।তিনি জানান, সংবাদটি নজরে আসার পর ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী তাঁর অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করেন। তবে অস্ত্রোপচারের পর নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফয়সল বলেন, ‘প্রতিদিন আমাকে অনেক টাকার ওষুধ খেতে হয়। কিন্তু তা কেনার মতো সামর্থ্য আমার নেই। এমন কঠিন সময়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই অনুদান আমার চিকিৎসার জন্য অনেক বড় সহায়তা হবে।’চেক হস্তান্তরের সময় ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ‘আমার দেশে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পড়ে ফয়সলের প্রতি সমবেদনা জাগে এবং তাঁর চিকিৎসার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই। আজ তাঁর হাতে অনুদানের চেক তুলে দিতে পেরে ভালো লাগছে।’তিনি আরও বলেন, অর্থের অভাবে এই বীর তরুণের চিকিৎসা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করব। পরবর্তীতে তাঁর উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

০৭ অক্টোবর ২০২৬
 বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

জারে সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বাজারে ‘সিন্ডিকেট’ বলে কোনো শব্দ বা গোষ্ঠীর অস্তিত্ব না রাখাই সরকারের লক্ষ্য।মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগার ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বাজার পরিস্থিতি, খাদ্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি।ভবিষ্যতে খাদ্য সরবরাহ বা বাজার ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।পুষ্টিকর চাল উৎপাদন প্রকল্পের বিষয়ে আফরোজা খানম বলেন, প্রকল্পটি কবে চালু হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।এর আগে সকাল ১০টার দিকে ঢাকার পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দামিল পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন খাদ্যমন্ত্রী। পরে দুপুর ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সাইলো ও এর ভেতরে থাকা নারায়ণগঞ্জ প্রিমিক্স কার্নেল মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনের সময় খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মজুত সক্ষমতা, মিলের উৎপাদন ও সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০৬ অক্টোবর ২০২৬
পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে মাদরাসায় ক্লাস বন্ধ, বাইরে পাঠদান

পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে মাদরাসায় ক্লাস বন্ধ, বাইরে পাঠদান

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পোলট্রি খামারের তীব্র দুর্গন্ধে বিপাকে পড়েছেন বারপাকিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাদরাসার বাইরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও।কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাকিয়া গ্রামে মাদরাসাটির পাশেই নিজ বাড়িতে পোলট্রি খামার করেছেন মলিনা বেগম। স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, খামার থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুরসালি বলেন, ‘মারাত্মক দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষে বসে লেখাপড়া করতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। এ অবস্থা চললেও কোনো সমাধান হচ্ছে না।’মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। পরে তাঁর পরামর্শে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তিনি বলেন, সামাজিকভাবেও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। প্রচণ্ড দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পরিবেশে ক্লাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে খামারের মালিক মলিনা বেগম বলেন, তিনি বাড়িতে অল্প পরিমাণে মুরগি পালন করেন। এক মাস বয়স হলে সেগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, প্রথম ২০ দিন খামারে তেমন দুর্গন্ধ থাকে না। শেষের দিকে প্রায় ১০ দিন কিছুটা দুর্গন্ধ হয়। এই সময়টুকু মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সহ্য করলে কী এমন হয়—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।এদিকে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এ ধরনের পোলট্রি খামার থাকা উচিত নয়। দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাঁরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। শুধু মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নন, দুর্গন্ধে পথচারীরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে জানান তাঁরা।কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা তাঁর কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি বর্তমানে কী পর্যায়ে আছে, তা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন বলেন, তিনি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিষয়টি খোঁজখবর নেবেন। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

০৬ অক্টোবর ২০২৬
বন্দর পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর, ক্ষুব্ধ বন্দর শ্রমিক

বন্দর পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর, ক্ষুব্ধ বন্দর শ্রমিক

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার খসড়া চুক্তিতে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারের এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। তারা জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।বন্দর-সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এনসিটি দেশীয় দক্ষ জনবল ও আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে টার্মিনালটির পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গত বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) এনসিটি ও ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ডের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের কাছে দেওয়া হবে।সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) কাঠামোর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। এনসিটি পরিচালনার বিষয়ে দুবাইভিত্তিক বন্দর অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকারের দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে।পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রকল্প প্রোফাইল অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে মনোনীত করে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে এনসিটির উন্নয়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কনসেশন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৃহস্পতিবারের অনুমোদনের বিবৃতিতে অপারেটরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নীতিগত অনুমোদনকে এখনই চূড়ান্ত কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। খসড়া চুক্তির পর সরকারি অনুমোদন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরই এটি কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।আন্দোলনের ঘোষণাবিদেশি প্রতিষ্ঠানকে এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি ও শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। সংগঠনগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।তাঁদের বক্তব্য, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোর পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চুক্তির শর্ত, রাজস্ব কাঠামো, কর্মসংস্থান এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় সম্ভাব্য প্রভাব জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ‘সরকারকে একটি মহল বিভিন্ন প্ররোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জনগণের সম্পদ ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখব।’সরকার শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি থেকে ফিরে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বলেন, সরকারের এই ‘গণবিরোধী সিদ্ধান্তে’ তাঁরা মর্মাহত। বন্দর-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে সরকার জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে।তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে বিদেশি কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে সরে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন। শিগগির নতুন কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে বন্দর রক্ষার আন্দোলন নতুন মোড় নেবে বলেও জানান তিনি।বন্দরের বড় কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটিচট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, বন্দরের চারটি কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট কনটেইনার পরিবহন হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টিইইউ। এর মধ্যে এনসিটির অংশ ছিল প্রায় ৪৪ শতাংশ।প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৭ সালে নির্মিত এনসিটিতে রয়েছে পাঁচটি জেটি। বন্দরের ১৮টি কুইসাইড গ্যান্ট্রি ক্রেনের মধ্যে ১৪টিই রয়েছে এই টার্মিনালে।বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) এনসিটি পরিচালনা করছে।

০৩ অক্টোবর ২০২৬
রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার, সঙ্গে বিদেশি রিভলভার ও গুলি উদ্ধার

রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার, সঙ্গে বিদেশি রিভলভার ও গুলি উদ্ধার

রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আলামিনকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৩-এর একটি আভিযানিক দল। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রামপুরা থানার টিভি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পিচ্চি আলামিনের বিরুদ্ধে রামপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, বাজার, দোকানপাট, টেম্পো স্ট্যান্ড, ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।সর্বশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর রামপুরার বনশ্রী এলাকার ‘গ্রিন জোন অনলাইন’ নামের একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে প্রতি মাসে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি আলামিন চাঞ্চল্যকর কাইল্ল্যা পলাশ হত্যা মামলারও একজন আসামি। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

০১ অক্টোবর ২০২৬
১৭ বছরে আওয়ামী লীগ নিজেদের উন্নয়ন করেছে, যুবকদের জন্য কিছু করেনি

১৭ বছরে আওয়ামী লীগ নিজেদের উন্নয়ন করেছে, যুবকদের জন্য কিছু করেনি

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ১৭ বছর ধরে শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে। দেশ, জাতি ও যুবসমাজের উন্নয়নে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও তারা কিছু করেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ’ প্রকল্পের অষ্টম ব্যাচ এবং ‘এআই প্রশিক্ষণ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আমিনুল হক বলেন, যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চায় সরকার। ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে তরুণদের দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁরা নিজেরাই উপার্জনের পথ খুঁজে নিতে এবং পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।শিশুদের অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্তানদের ডিভাইসের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে একটি বই যুক্ত করে তা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। খেলাধুলায় শিশুদের আগ্রহ বাড়িয়ে সমাজে গুণগত পরিবর্তন আনা এর উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।মাদকমুক্ত সমাজ গঠনেও খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি করে জাতীয় পর্যায়ে তাঁদের ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দিতে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি ভোলার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ঘোষণাও দেন তিনি।ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুবুর উল আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. শেখ মো. জোনায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর এবং ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওসার।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণার্থী এবং জেলা যুব ও ক্রীড়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলহাজ রাইসুল আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সোপানও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচ ও এআই প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে প্রকল্পের ছয়জন দক্ষ প্রশিক্ষণার্থীর হাতে উপহার হিসেবে একটি করে কম্পিউটার তুলে দেন তিনি। এর আগে সকালে প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্ভাবিত একটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

০১ অক্টোবর ২০২৬
রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ফরিদপুরে হাসপাতালের ওটি বন্ধ

রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ফরিদপুরে হাসপাতালের ওটি বন্ধ

ফরিদপুরে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর পেটের ভেতরে সার্জিক্যাল গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় সমরিতা জেনারেল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালটির ওটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।সিজারের পর থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতিঘটনার সূত্রপাত গত ২৯ জুন। প্রসবব্যথা শুরু হলে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামের অশান্ত মণ্ডলের স্ত্রী কনিকা মণ্ডলকে ফরিদপুর শহরের নিলটুলী মুজিব সড়ক এলাকার সমরিতা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ও স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ সার্জন লক্ষ্মী রানী দত্ত তাঁর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।পরিবারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই কনিকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে তাঁর পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং দেখা দেয় নানা শারীরিক জটিলতা।পেটে গজ শনাক্ত ঢাকার হাসপাতালেশারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে কনিকা মণ্ডলকে ঢাকার কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর পেটের ভেতরে সার্জিক্যাল গজ থাকার বিষয়টি শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। পরে অস্ত্রোপচার করে গজটি বের করা হয়। ওই দিন রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।কনিকার স্বামী অশান্ত মণ্ডলের দাবি, ভুল চিকিৎসার বিষয়টি স্বীকার করে চিকিৎসক লক্ষ্মী রানী দত্ত তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে চিকিৎসকের বক্তব্য জানা যায়নি।তদন্তের পর ওটি বন্ধকনিকা মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনা জানাজানি হলে স্বাস্থ্য বিভাগ তদন্তের উদ্যোগ নেয়। এ জন্য পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।তবে তদন্ত প্রতিবেদনে কী ধরনের ত্রুটি বা অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।এ ঘটনায় অস্ত্রোপচারের পর প্রয়োজনীয় যাচাই যথাযথভাবে করা হয়েছিল কি না এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণ সময়মতো শনাক্ত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকনিকা মণ্ডলের মৃত্যুর পরদিন সকালে তাঁর বাড়িতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছে পরিবার। ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন স্বাস্থ্য বিভাগে জমা দেওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী হাসপাতালটির ওটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক রয়েছে। কোনো হাসপাতালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

০১ অক্টোবর ২০২৬
সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১৯ পদের ৩০টি শূন্য, সেবায় ভোগান্তি

সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১৯ পদের ৩০টি শূন্য, সেবায় ভোগান্তি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাসেবা। অনুমোদিত ১১৯টি পদের মধ্যে ৩০টিই শূন্য। এর মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা সহকারীর ৬৪টি পদের ২২টি খালি রয়েছে। জনবলের ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও ওষুধের সংকটে হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সীতাকুণ্ডে স্বাস্থ্য সহকারীর ৫৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৪৭ জন। শূন্য রয়েছে আটটি পদ। অন্যদিকে, পরিবার পরিকল্পনা সহকারীর ৬৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত ৪২ জন, শূন্য ২২টি। দুই বিভাগ মিলিয়ে অনুমোদিত ১১৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৮৯ জন।পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে বেশি ঘাটতিঅনুমোদিত পদের তুলনায় পরিবার পরিকল্পনা সহকারীর প্রায় ৩৪ শতাংশ পদ শূন্য। ফলে মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্ধারিত এলাকার মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া নিয়ে চাপ তৈরি হয়েছে।শুধু শূন্য পদের কারণে নয়, কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্তিতে অন্যত্র দায়িত্ব পালন করায় কোনো কোনো এলাকায় কার্যকর জনবল আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নির্ধারিত এলাকার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অন্য কর্মীদের ওপরও অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিকেও জনবল ঘাটতিপ্রান্তিক মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে ২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক। প্রতিটি ক্লিনিকে একজন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) থাকার কথা। বর্তমানে ২২টি ক্লিনিকে সিএইচসিপি কর্মরত আছেন। একটি ক্লিনিকে এ পদ শূন্য রয়েছে।জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনায় চাপ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভিড় থাকলেও চিকিৎসক ও ওষুধের সংকটে অনেকে প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ চলছেসীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিব্বীর আহমেদ প্রিন্স বলেন, স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা সহকারীর শূন্য পদ পূরণ এবং সংযুক্তিতে থাকা কর্মীদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী বলেন, শূন্য পদগুলোতে নিয়োগের প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে। ১১ থেকে ২০ গ্রেডের পদে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের অধীনে ইতিমধ্যে দুই দফা নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছর আবার নিয়োগের সুযোগ না-ও হতে পারে; আগামী বছর পুনরায় প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।তিনি আরও বলেন, বৃহৎ পরিসরে জনবল পদায়নের যে প্রক্রিয়া চলছে, তার মাধ্যমেও সীতাকুণ্ডের কিছু শূন্য পদ পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে জনবল সংকট কাটিয়ে কবে নাগাদ স্বাভাবিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।

০১ অক্টোবর ২০২৬
“

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

৩ ঘন্টা আগে
মেয়ের জন্মদিনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, মাহিরার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা-মা

মেয়ের জন্মদিনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, মাহিরার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা-মা

আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন মাহিরা ফাতেমা পিউ। প্রিয় মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরীফের আয়োজন করা হয়েছে। মিলাদে মাহিরার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, সুন্দর ভবিষ্যৎ ও জীবনের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।জন্মদিনে মিলাদ ও দোয়ামাহিরা ফাতেমা পিউয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ শরীফে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন। এ সময় মহান আল্লাহর কাছে মাহিরার জীবনের প্রতিটি পথ সুন্দর ও কল্যাণময় করার জন্য দোয়া করা হয়। মিলাদ শেষে মাহিরা ফাতেমা পিউয়ের সুস্থতা, নেক হায়াত, সুখ-শান্তি এবং ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।বাবার অনুভূতিমাহিরার বাবা বলেন, সন্তানের জন্ম একজন বাবা-মায়ের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি। আজকের এই দিনে মহান আল্লাহ আমাদের মাহিরাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এ জন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ, সুন্দর ও নেক জীবন দান করেন।তিনি আরও বলেন, মাহিরা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়, ভালোভাবে লেখাপড়া করে এবং ভবিষ্যতে একজন ভালো মানুষ হিসেবে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করতে পারে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।মায়ের আবেগমাহিরার মা বলেন, একজন মায়ের কাছে সন্তানের প্রতিটি দিনই বিশেষ। তবে জন্মদিনের দিনটি আরও বেশি আবেগের। আজ মাহিরার জন্মদিনে মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।তিনি বলেন, আল্লাহ যেন মাহিরাকে সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করেন, সুস্থ রাখেন এবং তার জীবনে সুখ ও শান্তি দান করেন। সে যেন ভালো মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয় এটাই একজন মা হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।সবার কাছে দোয়া প্রার্থনামাহিরা ফাতেমা পিউয়ের জন্মদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে তাঁর জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন মাহিরা ফাতেমা পিউকে নেক হায়াত, সুস্থতা, ঈমান, সুখ-শান্তি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ দান করেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা দান করেন এই প্রার্থনা করেছেন তাঁর বাবা-মা।

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

জারে সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বাজারে ‘সিন্ডিকেট’ বলে কোনো শব্দ বা গোষ্ঠীর অস্তিত্ব না রাখাই সরকারের লক্ষ্য।মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগার ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বাজার পরিস্থিতি, খাদ্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি।ভবিষ্যতে খাদ্য সরবরাহ বা বাজার ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।পুষ্টিকর চাল উৎপাদন প্রকল্পের বিষয়ে আফরোজা খানম বলেন, প্রকল্পটি কবে চালু হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।এর আগে সকাল ১০টার দিকে ঢাকার পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দামিল পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন খাদ্যমন্ত্রী। পরে দুপুর ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সাইলো ও এর ভেতরে থাকা নারায়ণগঞ্জ প্রিমিক্স কার্নেল মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনের সময় খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মজুত সক্ষমতা, মিলের উৎপাদন ও সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে মাদরাসায় ক্লাস বন্ধ, বাইরে পাঠদান

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পোলট্রি খামারের তীব্র দুর্গন্ধে বিপাকে পড়েছেন বারপাকিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাদরাসার বাইরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও।কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাকিয়া গ্রামে মাদরাসাটির পাশেই নিজ বাড়িতে পোলট্রি খামার করেছেন মলিনা বেগম। স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, খামার থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুরসালি বলেন, ‘মারাত্মক দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষে বসে লেখাপড়া করতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। এ অবস্থা চললেও কোনো সমাধান হচ্ছে না।’মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। পরে তাঁর পরামর্শে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তিনি বলেন, সামাজিকভাবেও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। প্রচণ্ড দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পরিবেশে ক্লাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে খামারের মালিক মলিনা বেগম বলেন, তিনি বাড়িতে অল্প পরিমাণে মুরগি পালন করেন। এক মাস বয়স হলে সেগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, প্রথম ২০ দিন খামারে তেমন দুর্গন্ধ থাকে না। শেষের দিকে প্রায় ১০ দিন কিছুটা দুর্গন্ধ হয়। এই সময়টুকু মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সহ্য করলে কী এমন হয়—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।এদিকে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এ ধরনের পোলট্রি খামার থাকা উচিত নয়। দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাঁরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। শুধু মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নন, দুর্গন্ধে পথচারীরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে জানান তাঁরা।কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা তাঁর কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি বর্তমানে কী পর্যায়ে আছে, তা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন বলেন, তিনি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিষয়টি খোঁজখবর নেবেন। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে মাদরাসায় ক্লাস বন্ধ, বাইরে পাঠদান

বন্দর পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর, ক্ষুব্ধ বন্দর শ্রমিক

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার খসড়া চুক্তিতে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারের এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। তারা জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।বন্দর-সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এনসিটি দেশীয় দক্ষ জনবল ও আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে টার্মিনালটির পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গত বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) এনসিটি ও ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ডের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের কাছে দেওয়া হবে।সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) কাঠামোর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। এনসিটি পরিচালনার বিষয়ে দুবাইভিত্তিক বন্দর অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকারের দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে।পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রকল্প প্রোফাইল অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে মনোনীত করে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে এনসিটির উন্নয়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কনসেশন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৃহস্পতিবারের অনুমোদনের বিবৃতিতে অপারেটরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নীতিগত অনুমোদনকে এখনই চূড়ান্ত কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। খসড়া চুক্তির পর সরকারি অনুমোদন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরই এটি কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।আন্দোলনের ঘোষণাবিদেশি প্রতিষ্ঠানকে এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি ও শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। সংগঠনগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।তাঁদের বক্তব্য, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোর পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চুক্তির শর্ত, রাজস্ব কাঠামো, কর্মসংস্থান এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় সম্ভাব্য প্রভাব জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ‘সরকারকে একটি মহল বিভিন্ন প্ররোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জনগণের সম্পদ ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখব।’সরকার শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি থেকে ফিরে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বলেন, সরকারের এই ‘গণবিরোধী সিদ্ধান্তে’ তাঁরা মর্মাহত। বন্দর-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে সরকার জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে।তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে বিদেশি কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে সরে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন। শিগগির নতুন কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে বন্দর রক্ষার আন্দোলন নতুন মোড় নেবে বলেও জানান তিনি।বন্দরের বড় কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটিচট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, বন্দরের চারটি কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট কনটেইনার পরিবহন হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টিইইউ। এর মধ্যে এনসিটির অংশ ছিল প্রায় ৪৪ শতাংশ।প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৭ সালে নির্মিত এনসিটিতে রয়েছে পাঁচটি জেটি। বন্দরের ১৮টি কুইসাইড গ্যান্ট্রি ক্রেনের মধ্যে ১৪টিই রয়েছে এই টার্মিনালে।বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) এনসিটি পরিচালনা করছে।

বন্দর পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর, ক্ষুব্ধ বন্দর শ্রমিক

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

৫ ঘন্টা আগে
শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে
মেয়ের জন্মদিনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, মাহিরার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা-মা

মেয়ের জন্মদিনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, মাহিরার জন্য দোয়া চাইলেন বাবা-মা

আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন মাহিরা ফাতেমা পিউ। প্রিয় মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরীফের আয়োজন করা হয়েছে। মিলাদে মাহিরার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, সুন্দর ভবিষ্যৎ ও জীবনের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।জন্মদিনে মিলাদ ও দোয়ামাহিরা ফাতেমা পিউয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ শরীফে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন। এ সময় মহান আল্লাহর কাছে মাহিরার জীবনের প্রতিটি পথ সুন্দর ও কল্যাণময় করার জন্য দোয়া করা হয়। মিলাদ শেষে মাহিরা ফাতেমা পিউয়ের সুস্থতা, নেক হায়াত, সুখ-শান্তি এবং ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।বাবার অনুভূতিমাহিরার বাবা বলেন, সন্তানের জন্ম একজন বাবা-মায়ের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি। আজকের এই দিনে মহান আল্লাহ আমাদের মাহিরাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এ জন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ, সুন্দর ও নেক জীবন দান করেন।তিনি আরও বলেন, মাহিরা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়, ভালোভাবে লেখাপড়া করে এবং ভবিষ্যতে একজন ভালো মানুষ হিসেবে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করতে পারে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।মায়ের আবেগমাহিরার মা বলেন, একজন মায়ের কাছে সন্তানের প্রতিটি দিনই বিশেষ। তবে জন্মদিনের দিনটি আরও বেশি আবেগের। আজ মাহিরার জন্মদিনে মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।তিনি বলেন, আল্লাহ যেন মাহিরাকে সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করেন, সুস্থ রাখেন এবং তার জীবনে সুখ ও শান্তি দান করেন। সে যেন ভালো মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয় এটাই একজন মা হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।সবার কাছে দোয়া প্রার্থনামাহিরা ফাতেমা পিউয়ের জন্মদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে তাঁর জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন মাহিরা ফাতেমা পিউকে নেক হায়াত, সুস্থতা, ঈমান, সুখ-শান্তি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ দান করেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা দান করেন এই প্রার্থনা করেছেন তাঁর বাবা-মা।

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

জারে সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বাজারে ‘সিন্ডিকেট’ বলে কোনো শব্দ বা গোষ্ঠীর অস্তিত্ব না রাখাই সরকারের লক্ষ্য।মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগার ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বাজার পরিস্থিতি, খাদ্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি।ভবিষ্যতে খাদ্য সরবরাহ বা বাজার ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।পুষ্টিকর চাল উৎপাদন প্রকল্পের বিষয়ে আফরোজা খানম বলেন, প্রকল্পটি কবে চালু হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।এর আগে সকাল ১০টার দিকে ঢাকার পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দামিল পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন খাদ্যমন্ত্রী। পরে দুপুর ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সাইলো ও এর ভেতরে থাকা নারায়ণগঞ্জ প্রিমিক্স কার্নেল মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনের সময় খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মজুত সক্ষমতা, মিলের উৎপাদন ও সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে মাদরাসায় ক্লাস বন্ধ, বাইরে পাঠদান

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পোলট্রি খামারের তীব্র দুর্গন্ধে বিপাকে পড়েছেন বারপাকিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাদরাসার বাইরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও।কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাকিয়া গ্রামে মাদরাসাটির পাশেই নিজ বাড়িতে পোলট্রি খামার করেছেন মলিনা বেগম। স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, খামার থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুরসালি বলেন, ‘মারাত্মক দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষে বসে লেখাপড়া করতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। এ অবস্থা চললেও কোনো সমাধান হচ্ছে না।’মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। পরে তাঁর পরামর্শে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তিনি বলেন, সামাজিকভাবেও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। প্রচণ্ড দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পরিবেশে ক্লাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে খামারের মালিক মলিনা বেগম বলেন, তিনি বাড়িতে অল্প পরিমাণে মুরগি পালন করেন। এক মাস বয়স হলে সেগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, প্রথম ২০ দিন খামারে তেমন দুর্গন্ধ থাকে না। শেষের দিকে প্রায় ১০ দিন কিছুটা দুর্গন্ধ হয়। এই সময়টুকু মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সহ্য করলে কী এমন হয়—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।এদিকে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এ ধরনের পোলট্রি খামার থাকা উচিত নয়। দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাঁরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। শুধু মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নন, দুর্গন্ধে পথচারীরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে জানান তাঁরা।কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা তাঁর কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি বর্তমানে কী পর্যায়ে আছে, তা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন বলেন, তিনি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিষয়টি খোঁজখবর নেবেন। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে মাদরাসায় ক্লাস বন্ধ, বাইরে পাঠদান

বন্দর পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর, ক্ষুব্ধ বন্দর শ্রমিক

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার খসড়া চুক্তিতে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারের এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। তারা জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।বন্দর-সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এনসিটি দেশীয় দক্ষ জনবল ও আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে টার্মিনালটির পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গত বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) এনসিটি ও ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ডের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের কাছে দেওয়া হবে।সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) কাঠামোর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। এনসিটি পরিচালনার বিষয়ে দুবাইভিত্তিক বন্দর অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকারের দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে।পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রকল্প প্রোফাইল অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে মনোনীত করে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে এনসিটির উন্নয়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কনসেশন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অর্থনৈতিকবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৃহস্পতিবারের অনুমোদনের বিবৃতিতে অপারেটরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নীতিগত অনুমোদনকে এখনই চূড়ান্ত কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। খসড়া চুক্তির পর সরকারি অনুমোদন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরই এটি কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।আন্দোলনের ঘোষণাবিদেশি প্রতিষ্ঠানকে এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি ও শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। সংগঠনগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।তাঁদের বক্তব্য, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোর পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চুক্তির শর্ত, রাজস্ব কাঠামো, কর্মসংস্থান এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় সম্ভাব্য প্রভাব জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ‘সরকারকে একটি মহল বিভিন্ন প্ররোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জনগণের সম্পদ ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখব।’সরকার শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি থেকে ফিরে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বলেন, সরকারের এই ‘গণবিরোধী সিদ্ধান্তে’ তাঁরা মর্মাহত। বন্দর-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে সরকার জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে।তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে বিদেশি কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে সরে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন। শিগগির নতুন কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে বন্দর রক্ষার আন্দোলন নতুন মোড় নেবে বলেও জানান তিনি।বন্দরের বড় কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটিচট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, বন্দরের চারটি কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে এনসিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট কনটেইনার পরিবহন হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টিইইউ। এর মধ্যে এনসিটির অংশ ছিল প্রায় ৪৪ শতাংশ।প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৭ সালে নির্মিত এনসিটিতে রয়েছে পাঁচটি জেটি। বন্দরের ১৮টি কুইসাইড গ্যান্ট্রি ক্রেনের মধ্যে ১৪টিই রয়েছে এই টার্মিনালে।বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) এনসিটি পরিচালনা করছে।

বন্দর পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর, ক্ষুব্ধ বন্দর শ্রমিক
শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...