পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে সেনা মোতায়েন কিংবা সামরিক অভিযানে অংশ না নিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করেছে ইরান। তেহরান বলেছে, সিউল এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ নিলে সেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর ফলে ‘গুরুতর পরিণতি’ হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে ইরান।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে কোরিয়ান ভাষায় এ সতর্কবার্তা দেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।বার্তায় বাঘাই বলেন, ইরান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক ৬৪ বছরেরও বেশি পুরোনো। পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এ সম্পর্ককে তেহরান গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং সিউলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানি জনগণ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের কঠোর জবাব দেওয়ার কথাও বলেন ইরানের এই মুখপাত্র।বাঘাই সতর্ক করে বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে কোনো পক্ষের সামরিক উপস্থিতি বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে আগ্রাসী পক্ষকে সরাসরি সহায়তা হিসেবে বিবেচনা করবে ইরান। এমন পদক্ষেপের ‘গুরুতর পরিণতি’ হতে পারে।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, কোনো সার্বভৌম ও দায়িত্বশীল সরকারই ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বা ‘ব্ল্যাকমেইলের’ কাছে নতি স্বীকার করে না।ইসমাইল বাঘাইয়ের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের শুরু করা যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির দায় ও বোঝা অন্য দেশগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
২ ঘন্টা আগে পড়ুনজামায়াতের স্থানীয় কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ, শার্শায় বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৬০ সদস্য
যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ জানিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন ২০টি পরিবারের ৬০ সদস্য। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় বাগআঁচড়ায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।যোগদানকারীদের ভাষ্য, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিজেদের চিন্তা-চেতনা বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।অনুষ্ঠানে শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন মনিরুল হক, জাহানারা বেগম, রোজিনা খাতুন, সানজিদা খাতুন, কোহিনূর বেগম, শুকজান, হোসনে আরা, রুপালি, মনিরুজ্জামান মনি, মিনু, ইসমাইল, রুমা, সালমা, আন্না, আবু তাহের, রেবেকা, জোসনা ও ঝরনা।অনুষ্ঠানে মনিরুল হক বলেন, ‘জামায়াতের স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম না। এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ করতেই আমরা বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।’আগামী দিনে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোনায়েম হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি শাহাজান কবির, বাগআঁচড়া শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুর রহমান বাবু, বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির
হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন আবার হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’ রাজনীতিতে সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার পূরণ করে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টির নির্মাণকাজ শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার দিনকে ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য আনন্দের দিন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।তাঁর ভাষ্য, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।এর আগে সকালেই সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই তাঁর প্রথম সরকারি সফর। সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এর আগে সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি।
ইউনেস্কোর ডিজিটাল লার্নিং উইকে যোগ দিতে প্যারিসে শিক্ষামন্ত্রী
ইউনেস্কোর আয়োজনে ডিজিটাল লার্নিং উইক -এ অংশ নিতে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।রোববার রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষা সত্য, দ্বন্দ্ব, সীমানা।ইউনেস্কোর বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেবেন মন্ত্রীআগামী ৮ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে ‘এইজ অপ্রোপ্রিয়েটনেস অ্যান্ড এআই ইন এডুকেশন’ শীর্ষক সেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর।পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর ‘টিচার্স অ্যাট দ্য সেন্টার এজেন্ট-সি, কমপিটেন্সিস অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। চার দিনের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।
উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ, এআই অপপ্রচারে শাস্তির বিধান
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ নামে নতুন এই বিধিমালা গত ৩ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নির্বাচন প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার, মিছিল-শোডাউন ও হেলিকপ্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর বা বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট প্রচারের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ নতুন বিধিমালায় স্বাক্ষর করেছেন।পোস্টার ও মিছিল নিষিদ্ধনতুন আচরণবিধির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ করা। কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে অন্য কেউ প্রচারণার কাজে পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না।ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে।তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিল করা যাবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান, ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে মিছিল বা শোভাযাত্রাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহারের সুযোগও থাকছে না।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় তথ্য দিতে হবেনতুন বিধিমালায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থীকে কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তথ্য জানাতে হবে।ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণার জন্য যে অর্থ ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।এআই দিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে বিশেষ বিধাননির্বাচনী প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন বিধিমালায় বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না।নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমন কোনো কনটেন্ট তৈরি বা প্রচারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এআই ব্যবহার করে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।এ ছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থ, খাবার, পানীয় বা উপহার দেওয়াও নিষিদ্ধ থাকবে।ধর্মীয় ও সরকারি স্থাপনায় প্রচারণা নয়ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। ধর্মের অপব্যবহার, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা বা ব্যক্তিগত চরিত্রহননমূলক প্রচারণাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে কোনো প্রার্থী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্রসহ অন্যান্য সরকারি সম্পদ নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা যাবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকছে।ভোটের দিন ভোটার আনা-নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞানির্বাচনের দিন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া করা বা ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় ক্যাম্প স্থাপন ও মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে।প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসিনতুন বিধিমালায় আচরণবিধি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আরও জোরদার করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন বলে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুতর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।এ ছাড়া নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করা, অর্থ বা পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে প্রচারণা চালানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।প্রচারণায় আসছে বড় পরিবর্তননির্বাচন কমিশনের নতুন আচরণবিধির লক্ষ্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে পোস্টার, মিছিল ও শোডাউনের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই ব্যবহার করে অপপ্রচার ঠেকানোর বিধান এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
তিন বিল পাসের প্রতিবাদে বিরোধী এমপিদের ওয়াকআউট
৪ ঘন্টা আগেযশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ জানিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন ২০টি পরিবারের ৬০ সদস্য। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় বাগআঁচড়ায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।যোগদানকারীদের ভাষ্য, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিজেদের চিন্তা-চেতনা বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।অনুষ্ঠানে শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন মনিরুল হক, জাহানারা বেগম, রোজিনা খাতুন, সানজিদা খাতুন, কোহিনূর বেগম, শুকজান, হোসনে আরা, রুপালি, মনিরুজ্জামান মনি, মিনু, ইসমাইল, রুমা, সালমা, আন্না, আবু তাহের, রেবেকা, জোসনা ও ঝরনা।অনুষ্ঠানে মনিরুল হক বলেন, ‘জামায়াতের স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম না। এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ করতেই আমরা বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।’আগামী দিনে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোনায়েম হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি শাহাজান কবির, বাগআঁচড়া শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুর রহমান বাবু, বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন আবার হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’ রাজনীতিতে সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার পূরণ করে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টির নির্মাণকাজ শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার দিনকে ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য আনন্দের দিন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।তাঁর ভাষ্য, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।এর আগে সকালেই সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই তাঁর প্রথম সরকারি সফর। সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এর আগে সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি।
ইউনেস্কোর আয়োজনে ডিজিটাল লার্নিং উইক -এ অংশ নিতে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।রোববার রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষা সত্য, দ্বন্দ্ব, সীমানা।ইউনেস্কোর বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেবেন মন্ত্রীআগামী ৮ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে ‘এইজ অপ্রোপ্রিয়েটনেস অ্যান্ড এআই ইন এডুকেশন’ শীর্ষক সেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর।পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর ‘টিচার্স অ্যাট দ্য সেন্টার এজেন্ট-সি, কমপিটেন্সিস অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। চার দিনের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ নামে নতুন এই বিধিমালা গত ৩ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নির্বাচন প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার, মিছিল-শোডাউন ও হেলিকপ্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর বা বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট প্রচারের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ নতুন বিধিমালায় স্বাক্ষর করেছেন।পোস্টার ও মিছিল নিষিদ্ধনতুন আচরণবিধির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ করা। কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে অন্য কেউ প্রচারণার কাজে পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না।ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে।তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিল করা যাবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান, ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে মিছিল বা শোভাযাত্রাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহারের সুযোগও থাকছে না।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় তথ্য দিতে হবেনতুন বিধিমালায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থীকে কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তথ্য জানাতে হবে।ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণার জন্য যে অর্থ ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।এআই দিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে বিশেষ বিধাননির্বাচনী প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন বিধিমালায় বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না।নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমন কোনো কনটেন্ট তৈরি বা প্রচারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এআই ব্যবহার করে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।এ ছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থ, খাবার, পানীয় বা উপহার দেওয়াও নিষিদ্ধ থাকবে।ধর্মীয় ও সরকারি স্থাপনায় প্রচারণা নয়ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। ধর্মের অপব্যবহার, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা বা ব্যক্তিগত চরিত্রহননমূলক প্রচারণাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে কোনো প্রার্থী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্রসহ অন্যান্য সরকারি সম্পদ নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা যাবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকছে।ভোটের দিন ভোটার আনা-নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞানির্বাচনের দিন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া করা বা ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় ক্যাম্প স্থাপন ও মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে।প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসিনতুন বিধিমালায় আচরণবিধি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আরও জোরদার করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন বলে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুতর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।এ ছাড়া নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করা, অর্থ বা পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে প্রচারণা চালানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।প্রচারণায় আসছে বড় পরিবর্তননির্বাচন কমিশনের নতুন আচরণবিধির লক্ষ্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে পোস্টার, মিছিল ও শোডাউনের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই ব্যবহার করে অপপ্রচার ঠেকানোর বিধান এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও মাদক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাই আনিসুর রহমান রিপন ও সোহেলের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, জুয়ার আসর বসানো এবং কৃষিজমিতে অবৈধভাবে বালু ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ও বাসিন্দার দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাঁরা এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বললে হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।গত ২৯ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ করেন কয়েকটি ভুক্তভোগী পরিবার। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মানববন্ধনে দুবাইপ্রবাসী আলমগীর কবিরের প্রায় চার বিঘা জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বায়েজিদ হাসান শিবলী নামের এক যুবককে মারধর এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, জিয়ারুল, মিন্টু মোল্লা, সজল শেখ, মাহফুজ ও লতিফ মোল্লাসহ কয়েকজনকে নিয়ে বাবলু একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই চক্র সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে সুবিধা আদায় করে।বিলাসবহুল গাড়ি ও সম্পদ নিয়ে প্রশ্নস্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে খালেকুজ্জামান বাবলু বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর একটি বিলাসবহুল প্রাডো গাড়ি এবং রাজপ্রাসাদসদৃশ বাড়ি নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এসব সম্পদের অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।মাদক কারবারের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে তাঁর এক ভাগনে মিন্টুর ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর। তবে ভাগনের গ্রেপ্তারের সঙ্গে বাবলুর সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা অভিযোগকারীরা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেননি।সম্প্রতি শ্রীপুরের পাগলা ব্রিজ এলাকায় বাবলুর ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনাকে মাদক ব্যবসা বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করলেও, হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও অভিযোগখালেকুজ্জামান বাবলুর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, তিনি একদিকে দলের কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকলেও অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। এ নিয়ে দলটির স্থানীয় পর্যায়ে অসন্তোষ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযোগ অস্বীকার বিএনপিরভুক্তভোগীদের অভিযোগের পর গত ২৯ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ‘বানোয়াট, সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক’ বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দলীয় পদ ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের অভিযোগকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য, অভিযোগগুলোর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাইয়ের সম্পদের উৎস, জমি দখল, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগগুলো সত্য হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর অভিযোগের সত্যতা না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কালীগঞ্জের সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কেউ যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সে জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী ব্যবস্থা নেবে।
কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও মাদক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাই আনিসুর রহমান রিপন ও সোহেলের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, জুয়ার আসর বসানো এবং কৃষিজমিতে অবৈধভাবে বালু ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ও বাসিন্দার দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাঁরা এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বললে হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।গত ২৯ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ করেন কয়েকটি ভুক্তভোগী পরিবার। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মানববন্ধনে দুবাইপ্রবাসী আলমগীর কবিরের প্রায় চার বিঘা জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বায়েজিদ হাসান শিবলী নামের এক যুবককে মারধর এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, জিয়ারুল, মিন্টু মোল্লা, সজল শেখ, মাহফুজ ও লতিফ মোল্লাসহ কয়েকজনকে নিয়ে বাবলু একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই চক্র সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে সুবিধা আদায় করে।বিলাসবহুল গাড়ি ও সম্পদ নিয়ে প্রশ্নস্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে খালেকুজ্জামান বাবলু বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর একটি বিলাসবহুল প্রাডো গাড়ি এবং রাজপ্রাসাদসদৃশ বাড়ি নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এসব সম্পদের অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।মাদক কারবারের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে তাঁর এক ভাগনে মিন্টুর ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর। তবে ভাগনের গ্রেপ্তারের সঙ্গে বাবলুর সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা অভিযোগকারীরা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেননি।সম্প্রতি শ্রীপুরের পাগলা ব্রিজ এলাকায় বাবলুর ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনাকে মাদক ব্যবসা বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করলেও, হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও অভিযোগখালেকুজ্জামান বাবলুর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, তিনি একদিকে দলের কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকলেও অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। এ নিয়ে দলটির স্থানীয় পর্যায়ে অসন্তোষ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযোগ অস্বীকার বিএনপিরভুক্তভোগীদের অভিযোগের পর গত ২৯ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ‘বানোয়াট, সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক’ বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দলীয় পদ ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের অভিযোগকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য, অভিযোগগুলোর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাইয়ের সম্পদের উৎস, জমি দখল, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগগুলো সত্য হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর অভিযোগের সত্যতা না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কালীগঞ্জের সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কেউ যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সে জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী ব্যবস্থা নেবে।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও মাদক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাই আনিসুর রহমান রিপন ও সোহেলের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, জুয়ার আসর বসানো এবং কৃষিজমিতে অবৈধভাবে বালু ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ও বাসিন্দার দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাঁরা এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বললে হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।গত ২৯ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ করেন কয়েকটি ভুক্তভোগী পরিবার। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মানববন্ধনে দুবাইপ্রবাসী আলমগীর কবিরের প্রায় চার বিঘা জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বায়েজিদ হাসান শিবলী নামের এক যুবককে মারধর এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, জিয়ারুল, মিন্টু মোল্লা, সজল শেখ, মাহফুজ ও লতিফ মোল্লাসহ কয়েকজনকে নিয়ে বাবলু একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই চক্র সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে সুবিধা আদায় করে।বিলাসবহুল গাড়ি ও সম্পদ নিয়ে প্রশ্নস্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে খালেকুজ্জামান বাবলু বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর একটি বিলাসবহুল প্রাডো গাড়ি এবং রাজপ্রাসাদসদৃশ বাড়ি নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এসব সম্পদের অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।মাদক কারবারের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে তাঁর এক ভাগনে মিন্টুর ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর। তবে ভাগনের গ্রেপ্তারের সঙ্গে বাবলুর সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা অভিযোগকারীরা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেননি।সম্প্রতি শ্রীপুরের পাগলা ব্রিজ এলাকায় বাবলুর ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনাকে মাদক ব্যবসা বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করলেও, হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও অভিযোগখালেকুজ্জামান বাবলুর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, তিনি একদিকে দলের কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকলেও অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। এ নিয়ে দলটির স্থানীয় পর্যায়ে অসন্তোষ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযোগ অস্বীকার বিএনপিরভুক্তভোগীদের অভিযোগের পর গত ২৯ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ‘বানোয়াট, সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক’ বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দলীয় পদ ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের অভিযোগকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য, অভিযোগগুলোর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাইয়ের সম্পদের উৎস, জমি দখল, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগগুলো সত্য হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর অভিযোগের সত্যতা না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কালীগঞ্জের সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কেউ যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সে জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী ব্যবস্থা নেবে।