দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।
১৫ ঘন্টা আগে পড়ুনবাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দেশটির রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এ জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। পাকিস্তান থেকে তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হবে। একই ধরনের বাণিজ্য মেলা পাকিস্তানেও বাংলাদেশের তৈরি পণ্য নিয়ে আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।ঢাকা ও করাচির মধ্যে চলতি বছর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়টি তুলে ধরে ইমরান হায়দার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি চা রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য এবং ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্যের পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাঁর দেশ কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের কথাও বলেন তিনি।সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাঁকে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও বহুমাত্রিক হবে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা কবে আসবেন ২০৩০ না ২০৫০ সালের ডিসেম্বর: দুলু
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে নির্দিষ্ট তারিখ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে উত্তরাঞ্চল জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা হুমকি দেন, ডিসেম্বর মাসে আসবেন। আপনি স্পষ্ট করে ঘোষণা দেন, ২০৩০ সালে নাকি ২০৫০ সালের ডিসেম্বর আসবেন?’শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশের ব্যাংকগুলো দুর্বল করে বিপুল অর্থ নিয়ে পালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু পালিয়ে যাননি, বরং দেশের ব্যাংকগুলো ফোকলা করে লাখ লাখ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছেন। গত ছয় মাসে আইনবহির্ভূত কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটেনি দাবি করে দুলু বলেন, অতীতে ক্ষমতায় থাকা পক্ষগুলো প্রতিপক্ষকে বিভিন্নভাবে ঘায়েল করলেও বর্তমান সরকার সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছে।তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মসজিদের ইমামদের সরকারি ভাতা ও বেতনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্যও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দুলুর ভাষ্য, ‘এই বিধ্বস্ত দেশকে তারেক রহমান সাহেব একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে এসেছেন।’ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান করার কথা তারেক রহমান বলেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে দুলু বলেন, ওই আন্দোলনে প্রায় দুই হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং সেই রক্ত এখনো শুকায়নি। শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি কোন বর্ডার দিয়ে আসবেন ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের পরিবারের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি অতীতের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ফাঁসি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।দুলু বলেন, আপনি দেশে আসলে এবার আর সংসদের মধ্যে নয়, বরং কাশিমপুর কারাগারে রাখা হবে ইনশাআল্লাহ। বিরোধী দলগুলোর প্রতি ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ‘ফ্যাসিস্টদের’ মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।আলোচনা সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিদিন সকাল নয়টার মধ্যে সচিবালয়ে চলে আসেন। এতে সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দিচ্ছেন এবং প্রশাসনিক কাজে গতি ফিরেছে বলে দাবি করেন তিনি।সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরে মাহমুদা হাবীবা বলেন, গত পাঁচ মাসে ২৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। হজের ফ্লাইট শেষ হওয়ার পর উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে প্রত্যেক হাজিকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জনপ্রশাসনের ব্যয়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১০০ টাকা বাজেট থাকলে সেখানে জনপ্রশাসনের পেছনে ব্যয় করতে হয় ৬০ টাকা। একটা মাথামোটা জনপ্রশাসন আমরা পুষে যাচ্ছি। এটা থেকে যত দ্রুত সম্ভব মুক্ত করতে পারব, তত দ্রুত আমরা উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হব। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এছাহক আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মো. আব্বাস আলী এবং সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল মোমিন সরকার প্রমুখ।
মোখায় ইয়েমেনি বাহিনীর দুর্বলতা স্পষ্ট, হুথিদের অগ্রযাত্রার আশঙ্কা
ইরান-সমর্থিত হুথিদের দখল ঠেকাতে ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখায় অবস্থানরত ইয়েমেনি ব্যাটালিয়নগুলো গত বৃহস্পতিবার অনেকটাই অপ্রস্তুত ছিল। বাহিনীর তালিকায় বিপুলসংখ্যক এমন সেনার নাম ছিল, বাস্তবে যাঁদের কোনো অস্তিত্বই ছিল না।‘ঘোস্ট নেম’ বা ভুতুড়ে নামের এসব সেনার নামে নিয়মিত বেতনও দেওয়া হতো। ফলে কাগজে-কলমে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীকে প্রকৃত শক্তির তুলনায় অনেক বড় দেখাত। বাস্তবে বাহিনীর সদস্যসংখ্যা নথিতে উল্লেখ করা সংখ্যার মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ ছিল। মোখার পতনকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ভুল হিসেবে দেখছেন অনেকে। তাঁদের মতে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করার কারণেই পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে।এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার দায় ইয়েমেনি বাহিনীর ওপর চাপানো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, গতকাল পুরো দিন সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বিমান হামলা হয়নি। অথচ মাটির পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের প্রতি মিনিটে তথ্য জানানো হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সৌদি বিমান সহায়তা আসেনি।তবে মোখা রক্ষায় ব্যর্থতার পেছনে ইয়েমেনের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজনকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে। বিষয়টি হুথিবিরোধী জোটের আরও বড় একটি দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে। ইয়েমেনে হুথিবিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্যের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে কার্যকর কোনো ঐক্যবদ্ধ সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও নেই।এ অবস্থায় হুথিরা আরও পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা নিজেদের সেনা ও সামরিক সক্ষমতা আরও সংগঠিত করছে।
বিচারপতিদের নিরাপত্তা কমানোর পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা কমিয়ে জারি করা পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা হয়েছে।রোববার ১০ জন আবেদনকারীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির রিট আবেদনটি দায়ের করেন।রিটের আবেদনকারীরা হলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ সাদিক, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হক, অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শানেওয়াস, অ্যাডভোকেট ছাব্বির রহমান, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষার্থী শামীম শাহিদী, মো. রাফিউল সাব্বির ও হাবিবুর রহমান আল হাসান।আবেদনে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। এতে গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা পরিপত্রটি বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনকারীদের বক্তব্য, ওই পরিপত্র বিদ্যমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং ‘বাংলাদেশ বনাম আতাউর রহমান ও অন্যান্য’ মামলায় আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।রিট আবেদনে ২০২৫ সালের একটি ঘটনারও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বছরের ২ মার্চ একই ধরনের একটি পরিপত্র জারি করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ৬ মার্চ সুয়োমোটো রুল নং ৩/২০২৫-এ এর কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।পরে ৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই পরিপত্রটি বাতিল করা হয়।আবেদনকারীরা দাবি করেছেন, আদালতের আগের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও নতুন করে এ ধরনের পরিপত্র জারি করা হয়েছে। তাঁদের মতে, এতে বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো লঙ্ঘিত হয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।রিটে নতুন পরিপত্রটির কার্যকারিতা স্থগিত করার পাশাপাশি এটিকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিচারপতি ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পূর্ববর্তী নিরাপত্তাব্যবস্থা পুনর্বহালের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
এমবাপ্পের জোড়া গোলে রায়োকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল রিয়াল
১৮ ঘন্টা আগেবাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দেশটির রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এ জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। পাকিস্তান থেকে তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হবে। একই ধরনের বাণিজ্য মেলা পাকিস্তানেও বাংলাদেশের তৈরি পণ্য নিয়ে আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।ঢাকা ও করাচির মধ্যে চলতি বছর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়টি তুলে ধরে ইমরান হায়দার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি চা রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য এবং ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্যের পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাঁর দেশ কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের কথাও বলেন তিনি।সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাঁকে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও বহুমাত্রিক হবে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে নির্দিষ্ট তারিখ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে উত্তরাঞ্চল জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা হুমকি দেন, ডিসেম্বর মাসে আসবেন। আপনি স্পষ্ট করে ঘোষণা দেন, ২০৩০ সালে নাকি ২০৫০ সালের ডিসেম্বর আসবেন?’শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশের ব্যাংকগুলো দুর্বল করে বিপুল অর্থ নিয়ে পালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু পালিয়ে যাননি, বরং দেশের ব্যাংকগুলো ফোকলা করে লাখ লাখ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছেন। গত ছয় মাসে আইনবহির্ভূত কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটেনি দাবি করে দুলু বলেন, অতীতে ক্ষমতায় থাকা পক্ষগুলো প্রতিপক্ষকে বিভিন্নভাবে ঘায়েল করলেও বর্তমান সরকার সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছে।তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মসজিদের ইমামদের সরকারি ভাতা ও বেতনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্যও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দুলুর ভাষ্য, ‘এই বিধ্বস্ত দেশকে তারেক রহমান সাহেব একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে এসেছেন।’ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান করার কথা তারেক রহমান বলেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে দুলু বলেন, ওই আন্দোলনে প্রায় দুই হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং সেই রক্ত এখনো শুকায়নি। শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি কোন বর্ডার দিয়ে আসবেন ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের পরিবারের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি অতীতের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ফাঁসি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।দুলু বলেন, আপনি দেশে আসলে এবার আর সংসদের মধ্যে নয়, বরং কাশিমপুর কারাগারে রাখা হবে ইনশাআল্লাহ। বিরোধী দলগুলোর প্রতি ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ‘ফ্যাসিস্টদের’ মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।আলোচনা সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিদিন সকাল নয়টার মধ্যে সচিবালয়ে চলে আসেন। এতে সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দিচ্ছেন এবং প্রশাসনিক কাজে গতি ফিরেছে বলে দাবি করেন তিনি।সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরে মাহমুদা হাবীবা বলেন, গত পাঁচ মাসে ২৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। হজের ফ্লাইট শেষ হওয়ার পর উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে প্রত্যেক হাজিকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জনপ্রশাসনের ব্যয়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১০০ টাকা বাজেট থাকলে সেখানে জনপ্রশাসনের পেছনে ব্যয় করতে হয় ৬০ টাকা। একটা মাথামোটা জনপ্রশাসন আমরা পুষে যাচ্ছি। এটা থেকে যত দ্রুত সম্ভব মুক্ত করতে পারব, তত দ্রুত আমরা উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হব। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এছাহক আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মো. আব্বাস আলী এবং সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল মোমিন সরকার প্রমুখ।
ইরান-সমর্থিত হুথিদের দখল ঠেকাতে ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখায় অবস্থানরত ইয়েমেনি ব্যাটালিয়নগুলো গত বৃহস্পতিবার অনেকটাই অপ্রস্তুত ছিল। বাহিনীর তালিকায় বিপুলসংখ্যক এমন সেনার নাম ছিল, বাস্তবে যাঁদের কোনো অস্তিত্বই ছিল না।‘ঘোস্ট নেম’ বা ভুতুড়ে নামের এসব সেনার নামে নিয়মিত বেতনও দেওয়া হতো। ফলে কাগজে-কলমে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীকে প্রকৃত শক্তির তুলনায় অনেক বড় দেখাত। বাস্তবে বাহিনীর সদস্যসংখ্যা নথিতে উল্লেখ করা সংখ্যার মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ ছিল। মোখার পতনকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ভুল হিসেবে দেখছেন অনেকে। তাঁদের মতে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করার কারণেই পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে।এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার দায় ইয়েমেনি বাহিনীর ওপর চাপানো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, গতকাল পুরো দিন সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বিমান হামলা হয়নি। অথচ মাটির পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের প্রতি মিনিটে তথ্য জানানো হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সৌদি বিমান সহায়তা আসেনি।তবে মোখা রক্ষায় ব্যর্থতার পেছনে ইয়েমেনের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজনকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে। বিষয়টি হুথিবিরোধী জোটের আরও বড় একটি দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে। ইয়েমেনে হুথিবিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্যের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে কার্যকর কোনো ঐক্যবদ্ধ সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও নেই।এ অবস্থায় হুথিরা আরও পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা নিজেদের সেনা ও সামরিক সক্ষমতা আরও সংগঠিত করছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা কমিয়ে জারি করা পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা হয়েছে।রোববার ১০ জন আবেদনকারীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির রিট আবেদনটি দায়ের করেন।রিটের আবেদনকারীরা হলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ সাদিক, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হক, অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শানেওয়াস, অ্যাডভোকেট ছাব্বির রহমান, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষার্থী শামীম শাহিদী, মো. রাফিউল সাব্বির ও হাবিবুর রহমান আল হাসান।আবেদনে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। এতে গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা পরিপত্রটি বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনকারীদের বক্তব্য, ওই পরিপত্র বিদ্যমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং ‘বাংলাদেশ বনাম আতাউর রহমান ও অন্যান্য’ মামলায় আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।রিট আবেদনে ২০২৫ সালের একটি ঘটনারও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বছরের ২ মার্চ একই ধরনের একটি পরিপত্র জারি করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ৬ মার্চ সুয়োমোটো রুল নং ৩/২০২৫-এ এর কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।পরে ৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই পরিপত্রটি বাতিল করা হয়।আবেদনকারীরা দাবি করেছেন, আদালতের আগের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও নতুন করে এ ধরনের পরিপত্র জারি করা হয়েছে। তাঁদের মতে, এতে বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো লঙ্ঘিত হয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।রিটে নতুন পরিপত্রটির কার্যকারিতা স্থগিত করার পাশাপাশি এটিকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিচারপতি ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পূর্ববর্তী নিরাপত্তাব্যবস্থা পুনর্বহালের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী
দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।
দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী
দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী
দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।