ইসরায়েলের কাছে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন (২৮০ কোটি) মার্কিন ডলারের সামরিক অস্ত্র বিক্রির অর্থায়ন প্রক্রিয়ায় আপত্তি জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটের ফরেন রিলেশনস কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শ্যাহিন। একই অবস্থান নিয়ে প্রস্তাবিত অস্ত্র সরবরাহে বাধা দিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস।এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহের উদ্যোগ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের ভেতরের বিরোধ আবারও প্রকাশ্যে এসেছে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল ও সেমাফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ইসরায়েলকে প্রায় ৪০ হাজার শক্তিশালী বোমা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রতিটি বোমার ওজন প্রায় এক টন বা ২ হাজার পাউন্ড। গাজায় ব্যাপক বেসামরিক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের আশঙ্কায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন এসব ভারী বোমার চালান স্থগিত রেখেছিল।সিনেটর জিন শ্যাহিনের অভিযোগ, গাজায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি বন্ধে এবং মার্কিন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের উদ্বেগ দূর করতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। সিরিয়ায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ওপর বাড়তে থাকা সহিংসতা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।মার্কিন নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে সিনেটের ফরেন রিলেশনস কমিটি এবং প্রতিনিধি পরিষদের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শীর্ষ সদস্যরা অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ বা ভেটো দিতে পারেন। অস্ত্র বিক্রির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার আগে সাধারণত পররাষ্ট্র দপ্তরকে সংশ্লিষ্ট কমিটির আইনপ্রণেতাদের উদ্বেগের বিষয়টি সমাধান করে সম্মতি নিতে হয়।প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতা গ্রেগরি মিকসও সম্প্রতি এক বিরল প্রকাশ্য বিবৃতিতে বলেন, ইসরায়েল সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা প্রাণঘাতী অস্ত্র আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মার্কিন বিধি মেনে ব্যবহার করবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিন শ্যাহিন বলেন, ইসরায়েল যা করছে, তা নিয়ে আমরা সবাই গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গাজায় তারা যে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে এবং সিরিয়ায় যেভাবে বোমাবর্ষণ করছে তা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য মারাত্মক হুমকি।নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শ্যাহিন বলেন, নেতানিয়াহুকে আমেরিকার কাছ থেকে পরিষ্কার শুনতে হবে যে, তিনি যা করছেন তা আমরা কোনোভাবেই সমর্থন করি না।তিনি আরও বলেন, পশ্চিম তীরে উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় ফিলিস্তিনিরা নিহত ও বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন এবং অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, নেতানিয়াহু সরকার এসব ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত তিন বছরে ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। নিহতদের বড় অংশ নারী ও শিশু।এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে আবারও ভারী মারণাস্ত্র সরবরাহের মার্কিন উদ্যোগ ওয়াশিংটনেই কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের আপত্তির মুখে পড়েছে।
১১ ঘন্টা আগে পড়ুনশর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার
ইরানের দেওয়া শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তাঁর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ থাকবে।পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বর্তমানে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে তাদের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে।ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বলেন, ‘শত্রুপক্ষ ভালোভাবেই জানে যে প্রতারণা ও একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পথ এখন রুদ্ধ।’ তিনি আরও বলেন, ইরানের শর্ত পূরণ, দেশটির ‘বৈধ অধিকার’ স্বীকৃতি এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আগের আলোচনার অবস্থায় ফিরে যাওয়া বা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে কয়েকটি শর্ত পাঠায় ইরান।শনিবার আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাই বলেন, আমাদের শর্ত হলো- সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, আমাদের জব্দ করা অর্থ ছাড়তে হবে এবং নৌ-অবরোধ তুলে নিতে হবে। সূত্র: আল-জাজিরা
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে’, ‘আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।পুলিশের ব্যর্থতার দায় নিতে হবেইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আজ শুধু অপ্রতিমের জন্য এখানে আসিনি। এটি সারা বাংলাদেশের চিত্র। কুমিল্লাতেও প্রতিনিয়ত এসব হচ্ছে। এর পরও পুলিশ সুপার অ্যাওয়ার্ড পান। আমরা অপ্রতিম হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণই পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা। পুলিশ বলে, “ক্লু পেয়েছি, ক্লু পেয়েছি”; কিন্তু কী ক্লু তারা পেয়েছে, তা আমরা জানি না। এই ব্যর্থতার দায় তারা যতক্ষণ না নেবে, আমরা ততক্ষণ রাস্তায় আছি।’এর আগে দেওয়া হয়েছিল ১২ ঘণ্টার আলটিমেটামঅপ্রতিম হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতসহ চার দফা দাবি তুলে ধরেন তাঁরা।শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।এ ছাড়া কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, সদর দক্ষিণ থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বশীলদের স্বীকার করা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানানো হয়।শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কুমিল্লা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় মহাসড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।কুবি শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, ‘আমরা ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে এসপিকে আমাদের কাছে এসে তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে হবে। দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব।’তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি ঘটনার বিষয় নয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, আমরা তা দেখব। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবস্থান অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে।
ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করলে পাকিস্তান-তুরস্ককে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি হুথিদের
ইয়েমেনের সংঘাতে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের সম্ভাব্য সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হলো।হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি ইরাকি টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘অ্যানাদার রিডিং’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তুরস্ক ও পাকিস্তান যদি এই সংঘাতে সামরিকভাবে যুক্ত হয়, তাহলে তাদের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দেওয়া হবে। তবে তাঁর দাবি, এই হুঁশিয়ারি দুই দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নয়; বরং দেশ দুটির সরকারের বিরুদ্ধে।মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনাসৌদি আরবের ওপর হুথিদের ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যকার ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।চুক্তির আওতায় কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলাকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।তুরস্কের অবস্থানতুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা গুরুতর হুমকির মুখে পড়লে জোটের অংশ হিসেবে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সামরিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত।এ বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তানপাকিস্তান শুরু থেকেই সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে আসছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা রক্ষা করা পাকিস্তানের ধর্মীয় দায়িত্ব। এ জন্য কোনো চুক্তির ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরীও সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের নিঃশর্ত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, হারামাইন শরিফাইন ও সৌদি রাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে পাকিস্তান ‘যেকোনো পর্যায়ে’ যেতে প্রস্তুত।হুথিদের নতুন এই হুঁশিয়ারির পর ইয়েমেন সংঘাতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
ডিএসসিসির ৭৫ ওয়ার্ডে একযোগে ‘ক্লিনিং ডে’, চলবে তিন মাস
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইরানের দেওয়া শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তাঁর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ থাকবে।পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বর্তমানে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে তাদের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে।ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বলেন, ‘শত্রুপক্ষ ভালোভাবেই জানে যে প্রতারণা ও একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পথ এখন রুদ্ধ।’ তিনি আরও বলেন, ইরানের শর্ত পূরণ, দেশটির ‘বৈধ অধিকার’ স্বীকৃতি এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আগের আলোচনার অবস্থায় ফিরে যাওয়া বা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে কয়েকটি শর্ত পাঠায় ইরান।শনিবার আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাই বলেন, আমাদের শর্ত হলো- সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, আমাদের জব্দ করা অর্থ ছাড়তে হবে এবং নৌ-অবরোধ তুলে নিতে হবে। সূত্র: আল-জাজিরা
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে’, ‘আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।পুলিশের ব্যর্থতার দায় নিতে হবেইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আজ শুধু অপ্রতিমের জন্য এখানে আসিনি। এটি সারা বাংলাদেশের চিত্র। কুমিল্লাতেও প্রতিনিয়ত এসব হচ্ছে। এর পরও পুলিশ সুপার অ্যাওয়ার্ড পান। আমরা অপ্রতিম হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণই পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা। পুলিশ বলে, “ক্লু পেয়েছি, ক্লু পেয়েছি”; কিন্তু কী ক্লু তারা পেয়েছে, তা আমরা জানি না। এই ব্যর্থতার দায় তারা যতক্ষণ না নেবে, আমরা ততক্ষণ রাস্তায় আছি।’এর আগে দেওয়া হয়েছিল ১২ ঘণ্টার আলটিমেটামঅপ্রতিম হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতসহ চার দফা দাবি তুলে ধরেন তাঁরা।শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।এ ছাড়া কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, সদর দক্ষিণ থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বশীলদের স্বীকার করা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানানো হয়।শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কুমিল্লা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় মহাসড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।কুবি শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, ‘আমরা ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে এসপিকে আমাদের কাছে এসে তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে হবে। দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব।’তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি ঘটনার বিষয় নয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, আমরা তা দেখব। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবস্থান অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে।
ইয়েমেনের সংঘাতে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের সম্ভাব্য সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হলো।হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি ইরাকি টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘অ্যানাদার রিডিং’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তুরস্ক ও পাকিস্তান যদি এই সংঘাতে সামরিকভাবে যুক্ত হয়, তাহলে তাদের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দেওয়া হবে। তবে তাঁর দাবি, এই হুঁশিয়ারি দুই দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নয়; বরং দেশ দুটির সরকারের বিরুদ্ধে।মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনাসৌদি আরবের ওপর হুথিদের ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যকার ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।চুক্তির আওতায় কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলাকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।তুরস্কের অবস্থানতুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা গুরুতর হুমকির মুখে পড়লে জোটের অংশ হিসেবে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সামরিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত।এ বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তানপাকিস্তান শুরু থেকেই সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে আসছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা রক্ষা করা পাকিস্তানের ধর্মীয় দায়িত্ব। এ জন্য কোনো চুক্তির ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরীও সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের নিঃশর্ত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, হারামাইন শরিফাইন ও সৌদি রাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে পাকিস্তান ‘যেকোনো পর্যায়ে’ যেতে প্রস্তুত।হুথিদের নতুন এই হুঁশিয়ারির পর ইয়েমেন সংঘাতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।