তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে নেভিগেশন অ্যাপ ওয়েজ ব্যবহারে সরকারি কর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মালয়েশিয়া। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, ওয়েজের ব্যবহারকারীদের তথ্য নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েজ মোবাইল লিমিটেড ইসরাইলে নিবন্ধিত এবং দেশটির আইনের আওতাধীন। এ কারণে সরকারি তথ্য ও নাগরিকদের ব্যক্তিগত উপাত্তের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, সংবেদনশীল সরকারি তথ্য ও নাগরিকদের ব্যক্তিগত উপাত্তের সম্ভাব্য অপব্যবহার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের তথ্যের অপব্যবহার দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।সরকারি কর্মীদের ওয়েজ ব্যবহার বন্ধে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রধান সচিব শামসুল আজরি আবু বকর গত ২০ অক্টোবরের এক চিঠিতে সরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের কথা জানান। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ওয়েজের বিকল্প হিসেবে মালয়েশিয়ায় তৈরি ‘তুজু’ নেভিগেশন অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশটির মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের তৈরি এ অ্যাপের মাধ্যমে পথনির্দেশনা, যানজটের হালনাগাদ তথ্য, গন্তব্যে পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময় এবং টোলসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।ইসরাইলে তৈরি ওয়েজ অ্যাপটি ২০১৩ সালে কিনে নেয় মার্কিন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গুগল। স্যাটেলাইট সংকেত ও ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য কাজে লাগিয়ে অ্যাপটি তাৎক্ষণিকভাবে যানজট ও সড়কের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য দেয়।মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। দেশটির সঙ্গে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। ফলে ওয়েজের ইসরাইলি সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেশটির রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গেও সম্পর্কিত।তবে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য কিংবা সংবেদনশীল সরকারি তথ্য সংগ্রহ করে অপব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওয়েজ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের কঠোর গোপনীয়তা নীতি রয়েছে এবং তারা বৈশ্বিক তথ্য সুরক্ষার মানদণ্ড মেনে চলে।এদিকে, ওয়েজ ব্যবহারের কারণে তথ্যের অপব্যবহার হয়েছে—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মালয়েশিয়া সরকার প্রকাশ করেনি। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সরকারি কর্মীদের জন্য অ্যাপটির ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সূত্র: দ্য বারনামা ও রয়টার্স
৩৩ মিনিট আগে পড়ুনসোনারগাঁয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত জহির রহমান পাশের উপজেলা আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক গণমাধ্যমকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তবে কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৫০০ আবেদন
সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের তদারকি কমিটির সুপারিশে নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনভিজ্ঞ ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৫০০ আবেদন জমা পড়েছে। অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি সম্ভাব্য গুরুতর অনিয়মের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে মন্ত্রণালয়।তবে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও আমলাদের তদবির উপেক্ষা করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ডিলার নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ জানাতে বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগীরা মন্ত্রণালয়ে আসছেন। গত রোববার সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত নারী আসনের তিনজন সংসদ সদস্য এবং কৃষক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের অভিযোগ জানান।গত সোমবার ঝিনাইদহে একটি অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, আইনি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস গত সোমবারও অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ থেকে ছয়টি আবেদন জমা পড়ে। এর আগে একই ধরনের প্রায় ৫০০ আবেদন জমা হয়েছিল।সারের ভরা মৌসুমের আগে সমাধানের তাগিদআগামী নভেম্বর থেকে সারের ভরা মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। আলু, ভুট্টা, গম ও শীতকালীন সবজি চাষের কারণে এ সময় সারের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু ডিলার নিয়োগ নিয়ে জটিলতা পুরোপুরি কাটেনি। মাঠপর্যায়ে সার না পাওয়ার অভিযোগও উঠছে। এতে উদ্বেগে রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।তবে সার ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে সারের মজুতের ঘাটতি নেই। আমার দেশ–কে তাঁরা বলেন, সৌদি আরব, বেলারুশ, মরক্কো ও কানাডা থেকে সার আমদানির কার্যক্রম চলছে। সারের চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়ার আগেই ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।চার বিষয়ে তদন্তডিলার নিয়োগে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এগুলো হলো—উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের তদারকি কমিটির সুপারিশে অনিয়ম, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ডিলার নিয়োগ, আওয়ামী লীগ সরকারের অনুসারীদের ডিলার নিয়োগের সুপারিশের নেপথ্য কারণ এবং নীতিমালা লঙ্ঘন করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নির্বাচিত করার কারণ অনুসন্ধান।মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দাবি, সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা এবং আমলাদের কেউ কেউ নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে কৃষিমন্ত্রী ও সচিবের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তবে মন্ত্রণালয় এসব তদবির আমলে নেয়নি। বাছাই কমিটির তালিকায় প্রথম স্থানে থাকা ব্যক্তিকেই নিয়োগ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল বলে তাঁরা জানান।কৃষি সচিব সেলিম খান আমার দেশ–কে বলেন, নীতিমালা ও জেলার সুপারিশের ভিত্তিতে সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের তদারকি কমিটির সুপারিশে গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেলে কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে আমলযোগ্য অভিযোগের সংখ্যা খুবই কম। প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক জেলা বগুড়া থেকেও বেশ কিছু আবেদন এসেছে। গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০ জনের ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নউপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক (ডিসি)। ডিলার নিয়োগের সুপারিশ ও যাচাই-বাছাইয়ে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আবেদনকারীদের অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির হয়েছে। কোথাও কোথাও সংসদ সদস্যদের আধা সরকারি চিঠি বা ডিও লেটার ব্যবহার এবং ইউএনও ও ডিসির কাছে তদবিরের জন্য অর্থ লেনদেনের চুক্তির অভিযোগও উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকেরা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগ তদন্তে কয়েকটি জেলার প্রশাসন কমিটি গঠন করেছে। গত ১৩ অক্টোবর যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক এলাহী তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। মনিরামপুর, অভয়নগর ও চৌগাছা উপজেলার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোতে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—নিজস্ব গুদাম নেই এমন ব্যক্তি ও অনভিজ্ঞদের ডিলার হিসেবে সুপারিশ, ইউএনওর তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্যক্তিকে ডিসির সুপারিশে প্রথম স্থানে নিয়ে আসা, রাজনৈতিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া।পাইকগাছা, বাঘারপাড়া ও ডুমুরিয়ায় অভিযোগখুলনার পাইকগাছায় সার ডিলার নিয়োগে অস্বচ্ছতা, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ ও দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, উপজেলা কমিটির পাঠানো তালিকা পরিবর্তনের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের কথা বলে চাপ দেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। পরে জেলা বিএনপি ও প্রশাসনের প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে কয়েকটি ইউনিয়নে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে তালিকার নিচের দিকে থাকা ব্যক্তিদের চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, কপিলমুনি ইউনিয়নে প্রথম স্থানে থাকা মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজের পরিবর্তে তৃতীয় স্থানে থাকা মেসার্স দৃশান এন্টারপ্রাইজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ষোলাদানা ইউনিয়নে এসকেআর এন্টারপ্রাইজের পরিবর্তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজ এবং গড়াইখালী ইউনিয়নে মেসার্স যাবিন স্টোরের পরিবর্তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজকে ডিলার হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ইউএনও ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত তালিকার বাইরে গিয়ে দলীয় বিবেচনা ও অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত আমার দেশ–কে বলেন, কমিটির বিবেচনা ও নীতিমালা অনুযায়ী যাঁকে প্রথম স্থানে রাখার প্রয়োজন, তাঁকেই রাখা হয়েছে। এরপরও সুপারিশে অনিয়ম থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ৮ নম্বর বাসুয়াড়ী ইউনিয়নে হাবিবুর রহমানকে সার ডিলারশিপ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন। তাঁর অভিযোগ, একাধিক প্রতারণা, অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি এবং নিজস্ব গুদামঘর নেই—এমন একজনকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে।তবে হাবিবুর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। সব নিয়ম মেনেই তিনি ডিলারশিপ পেয়েছেন।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া বাজারে মেসার্স মোল্ল্যা কৃষি ভান্ডারের নামে ডিলারশিপ পেয়েছেন বিএনপি নেতার ছেলে রিয়াদ মোহাম্মদ। তাঁর নিজস্ব সার বিক্রির দোকান ও গুদাম নেই—এমন অভিযোগ তুলে ডিলারশিপ বাতিলের আবেদন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সবুজ মোড়ল।অন্যদিকে, ডুমুরিয়ার মাগুরখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে একটি মিষ্টির দোকানকে গুদাম হিসেবে দেখিয়ে ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ অস্বীকার করে সুকৃতি কুমার মণ্ডল আমার দেশ–কে বলেন, দোকানটি অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল এবং দ্রুত খালি করা হচ্ছে। আগে আওয়ামী লীগের পদে থাকলেও বর্তমানে বিএনপির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে জানান তিনি। তাঁর দাবি, নিয়ম মেনেই ডিলারশিপ পেয়েছেন।ডুমুরিয়ায় ডিলার নিয়োগ নিয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে ইউএনও সবিতা সরকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ব্যস্ত থাকায় পরে যোগাযোগ করতে বলেন।অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থাকৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সার ডিলার নিয়োগে জালিয়াতি, প্রতারণা কিংবা অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬, দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।মিথ্যা তথ্য দেওয়া, অনুপযুক্ত গুদাম দেখিয়ে ডিলারশিপ নেওয়া কিংবা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিলারশিপ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় এবং সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
সৌদি আরবে বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা, নিহত ৪
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে পৃথক হামলার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বুধবার এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির শায়বা তেলক্ষেত্রে সৌদি আরামকোর একটি প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হয়। ড্রোনটি প্রতিহত করা হলেও এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুজন নিহত হন। আহত হন আরও দুজন।বৃহস্পতিবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত ব্যক্তিদের একজন ফিলিপাইনের এবং অন্যজন নেপালের নাগরিক। তেলক্ষেত্রের বাইরে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে আগুন ধরে যায়। তবে এ ঘটনায় তেল উৎপাদন বা স্থাপনাটির কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।আহত দুজনের একজন পাকিস্তানি এবং অন্যজন ভারতীয় নাগরিক।অন্যদিকে, বুধবার দাম্মামের বাদশা ফাহদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার ভোরে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।এদিকে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে আরও কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইয়েমেনে বৈধতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত জোট। বৃহস্পতিবার ভোরে জোটটি জানায়, পূর্বাঞ্চলের আকাশে চারটি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে।এর আগে বুধবার জোটটি দাবি করেছিল, সৌদি আরবের দিকে ছোড়া সাতটি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ড্রোনের মধ্যে মদিনা অঞ্চলের দিকে ছোড়া ড্রোনও ছিল। মদিনায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মসজিদ অবস্থিত।জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, সৌদি আরবের দিকে ছোড়া চারটি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। পরবর্তী আরেকটি পোস্টে তিনি জানান, ড্রোনগুলো সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল ও মদিনা অঞ্চলে ভূপাতিত করা হয়। পরে পূর্বাঞ্চলে আরও একটি ড্রোন প্রতিহত করার কথাও জানান তিনি।বুধবার সন্ধ্যায় জোটটি আরও জানায়, হুথিদের ছোড়া ষষ্ঠ ড্রোনটি সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। সপ্তম ড্রোনটি ছোড়া হয়েছিল দেশটির পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে। জোটের দাবি, ড্রোন দুটি প্রতিহত করা হয়েছে।
দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার
দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ক্ষমতাসীন বিএনপি আঁতাত করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।গোলাম পরওয়ার বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ চাঁদাবাজি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দায় বিরোধী দলের ওপর চাপাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া উচিত সরকারের।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলে গুম-খুন করা গোয়েন্দা বাহিনী দিয়েই চলছে এ সরকার। সাত মাসে সরকার লেজে-গোবরে জড়িয়ে গেছে।’বিএনপি নিজেদের ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করছে না বলেও অভিযোগ করেন গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, ৩১ দফার ৯ নম্বর দফার বিপরীতে গিয়ে সরকার সব ক্ষেত্রেই দলীয়করণ করছে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত জহির রহমান পাশের উপজেলা আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক গণমাধ্যমকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তবে কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের তদারকি কমিটির সুপারিশে নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনভিজ্ঞ ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৫০০ আবেদন জমা পড়েছে। অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি সম্ভাব্য গুরুতর অনিয়মের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে মন্ত্রণালয়।তবে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও আমলাদের তদবির উপেক্ষা করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ডিলার নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ জানাতে বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগীরা মন্ত্রণালয়ে আসছেন। গত রোববার সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত নারী আসনের তিনজন সংসদ সদস্য এবং কৃষক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের অভিযোগ জানান।গত সোমবার ঝিনাইদহে একটি অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, আইনি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস গত সোমবারও অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ থেকে ছয়টি আবেদন জমা পড়ে। এর আগে একই ধরনের প্রায় ৫০০ আবেদন জমা হয়েছিল।সারের ভরা মৌসুমের আগে সমাধানের তাগিদআগামী নভেম্বর থেকে সারের ভরা মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। আলু, ভুট্টা, গম ও শীতকালীন সবজি চাষের কারণে এ সময় সারের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু ডিলার নিয়োগ নিয়ে জটিলতা পুরোপুরি কাটেনি। মাঠপর্যায়ে সার না পাওয়ার অভিযোগও উঠছে। এতে উদ্বেগে রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।তবে সার ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে সারের মজুতের ঘাটতি নেই। আমার দেশ–কে তাঁরা বলেন, সৌদি আরব, বেলারুশ, মরক্কো ও কানাডা থেকে সার আমদানির কার্যক্রম চলছে। সারের চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়ার আগেই ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।চার বিষয়ে তদন্তডিলার নিয়োগে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এগুলো হলো—উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের তদারকি কমিটির সুপারিশে অনিয়ম, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ডিলার নিয়োগ, আওয়ামী লীগ সরকারের অনুসারীদের ডিলার নিয়োগের সুপারিশের নেপথ্য কারণ এবং নীতিমালা লঙ্ঘন করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নির্বাচিত করার কারণ অনুসন্ধান।মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দাবি, সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা এবং আমলাদের কেউ কেউ নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে কৃষিমন্ত্রী ও সচিবের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তবে মন্ত্রণালয় এসব তদবির আমলে নেয়নি। বাছাই কমিটির তালিকায় প্রথম স্থানে থাকা ব্যক্তিকেই নিয়োগ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল বলে তাঁরা জানান।কৃষি সচিব সেলিম খান আমার দেশ–কে বলেন, নীতিমালা ও জেলার সুপারিশের ভিত্তিতে সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের তদারকি কমিটির সুপারিশে গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেলে কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে আমলযোগ্য অভিযোগের সংখ্যা খুবই কম। প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক জেলা বগুড়া থেকেও বেশ কিছু আবেদন এসেছে। গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০ জনের ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নউপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক (ডিসি)। ডিলার নিয়োগের সুপারিশ ও যাচাই-বাছাইয়ে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আবেদনকারীদের অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির হয়েছে। কোথাও কোথাও সংসদ সদস্যদের আধা সরকারি চিঠি বা ডিও লেটার ব্যবহার এবং ইউএনও ও ডিসির কাছে তদবিরের জন্য অর্থ লেনদেনের চুক্তির অভিযোগও উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকেরা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগ তদন্তে কয়েকটি জেলার প্রশাসন কমিটি গঠন করেছে। গত ১৩ অক্টোবর যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক এলাহী তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। মনিরামপুর, অভয়নগর ও চৌগাছা উপজেলার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোতে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—নিজস্ব গুদাম নেই এমন ব্যক্তি ও অনভিজ্ঞদের ডিলার হিসেবে সুপারিশ, ইউএনওর তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্যক্তিকে ডিসির সুপারিশে প্রথম স্থানে নিয়ে আসা, রাজনৈতিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া।পাইকগাছা, বাঘারপাড়া ও ডুমুরিয়ায় অভিযোগখুলনার পাইকগাছায় সার ডিলার নিয়োগে অস্বচ্ছতা, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ ও দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, উপজেলা কমিটির পাঠানো তালিকা পরিবর্তনের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের কথা বলে চাপ দেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। পরে জেলা বিএনপি ও প্রশাসনের প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে কয়েকটি ইউনিয়নে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে তালিকার নিচের দিকে থাকা ব্যক্তিদের চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, কপিলমুনি ইউনিয়নে প্রথম স্থানে থাকা মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজের পরিবর্তে তৃতীয় স্থানে থাকা মেসার্স দৃশান এন্টারপ্রাইজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ষোলাদানা ইউনিয়নে এসকেআর এন্টারপ্রাইজের পরিবর্তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজ এবং গড়াইখালী ইউনিয়নে মেসার্স যাবিন স্টোরের পরিবর্তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজকে ডিলার হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ইউএনও ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত তালিকার বাইরে গিয়ে দলীয় বিবেচনা ও অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত আমার দেশ–কে বলেন, কমিটির বিবেচনা ও নীতিমালা অনুযায়ী যাঁকে প্রথম স্থানে রাখার প্রয়োজন, তাঁকেই রাখা হয়েছে। এরপরও সুপারিশে অনিয়ম থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ৮ নম্বর বাসুয়াড়ী ইউনিয়নে হাবিবুর রহমানকে সার ডিলারশিপ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন। তাঁর অভিযোগ, একাধিক প্রতারণা, অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি এবং নিজস্ব গুদামঘর নেই—এমন একজনকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে।তবে হাবিবুর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। সব নিয়ম মেনেই তিনি ডিলারশিপ পেয়েছেন।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া বাজারে মেসার্স মোল্ল্যা কৃষি ভান্ডারের নামে ডিলারশিপ পেয়েছেন বিএনপি নেতার ছেলে রিয়াদ মোহাম্মদ। তাঁর নিজস্ব সার বিক্রির দোকান ও গুদাম নেই—এমন অভিযোগ তুলে ডিলারশিপ বাতিলের আবেদন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সবুজ মোড়ল।অন্যদিকে, ডুমুরিয়ার মাগুরখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে একটি মিষ্টির দোকানকে গুদাম হিসেবে দেখিয়ে ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ অস্বীকার করে সুকৃতি কুমার মণ্ডল আমার দেশ–কে বলেন, দোকানটি অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল এবং দ্রুত খালি করা হচ্ছে। আগে আওয়ামী লীগের পদে থাকলেও বর্তমানে বিএনপির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে জানান তিনি। তাঁর দাবি, নিয়ম মেনেই ডিলারশিপ পেয়েছেন।ডুমুরিয়ায় ডিলার নিয়োগ নিয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে ইউএনও সবিতা সরকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ব্যস্ত থাকায় পরে যোগাযোগ করতে বলেন।অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থাকৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সার ডিলার নিয়োগে জালিয়াতি, প্রতারণা কিংবা অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬, দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।মিথ্যা তথ্য দেওয়া, অনুপযুক্ত গুদাম দেখিয়ে ডিলারশিপ নেওয়া কিংবা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিলারশিপ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় এবং সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে পৃথক হামলার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বুধবার এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির শায়বা তেলক্ষেত্রে সৌদি আরামকোর একটি প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হয়। ড্রোনটি প্রতিহত করা হলেও এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুজন নিহত হন। আহত হন আরও দুজন।বৃহস্পতিবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত ব্যক্তিদের একজন ফিলিপাইনের এবং অন্যজন নেপালের নাগরিক। তেলক্ষেত্রের বাইরে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে আগুন ধরে যায়। তবে এ ঘটনায় তেল উৎপাদন বা স্থাপনাটির কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।আহত দুজনের একজন পাকিস্তানি এবং অন্যজন ভারতীয় নাগরিক।অন্যদিকে, বুধবার দাম্মামের বাদশা ফাহদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার ভোরে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।এদিকে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে আরও কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইয়েমেনে বৈধতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত জোট। বৃহস্পতিবার ভোরে জোটটি জানায়, পূর্বাঞ্চলের আকাশে চারটি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে।এর আগে বুধবার জোটটি দাবি করেছিল, সৌদি আরবের দিকে ছোড়া সাতটি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ড্রোনের মধ্যে মদিনা অঞ্চলের দিকে ছোড়া ড্রোনও ছিল। মদিনায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মসজিদ অবস্থিত।জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, সৌদি আরবের দিকে ছোড়া চারটি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। পরবর্তী আরেকটি পোস্টে তিনি জানান, ড্রোনগুলো সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল ও মদিনা অঞ্চলে ভূপাতিত করা হয়। পরে পূর্বাঞ্চলে আরও একটি ড্রোন প্রতিহত করার কথাও জানান তিনি।বুধবার সন্ধ্যায় জোটটি আরও জানায়, হুথিদের ছোড়া ষষ্ঠ ড্রোনটি সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। সপ্তম ড্রোনটি ছোড়া হয়েছিল দেশটির পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে। জোটের দাবি, ড্রোন দুটি প্রতিহত করা হয়েছে।
দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ক্ষমতাসীন বিএনপি আঁতাত করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।গোলাম পরওয়ার বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ চাঁদাবাজি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দায় বিরোধী দলের ওপর চাপাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া উচিত সরকারের।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলে গুম-খুন করা গোয়েন্দা বাহিনী দিয়েই চলছে এ সরকার। সাত মাসে সরকার লেজে-গোবরে জড়িয়ে গেছে।’বিএনপি নিজেদের ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করছে না বলেও অভিযোগ করেন গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, ৩১ দফার ৯ নম্বর দফার বিপরীতে গিয়ে সরকার সব ক্ষেত্রেই দলীয়করণ করছে।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত জহির রহমান পাশের উপজেলা আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক গণমাধ্যমকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তবে কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত জহির রহমান পাশের উপজেলা আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক গণমাধ্যমকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তবে কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত জহির রহমান পাশের উপজেলা আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক গণমাধ্যমকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তবে কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।