ডেমরা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)–এর সরকারি দায়িত্ব পালন ও নামজারি কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের পক্ষ।একটি জাতীয় দৈনিক ও একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আদালতের স্থগিতাদেশের পরও নামজারি এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগকে একপেশে ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে এসিল্যান্ডের পক্ষ।প্রতিবাদে বলা হয়, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, অবৈধ দখলমুক্তকরণ এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণে নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে আসছেন। বিভিন্ন অভিযানে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের পর সেখানে সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হলেও পরে তা সরিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।সংশ্লিষ্ট পক্ষের অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করছে। সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি এবং আর্থিক সুবিধা চাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড বলেন, ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। সব বাধা অতিক্রম করে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে কাজ করে যাব। প্রতিবাদে আরও বলা হয়, কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথি, আদালতের আদেশ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। প্রকাশিত অভিযোগ ও আর্থিক সুবিধা দাবির বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
১ ঘন্টা আগে পড়ুনস্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সিইসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।সিইসি বলেন, আমরা অতীতে একটি সফল নির্বাচন করতে পেরেছি। স্থানীয় নির্বাচনও সফলভাবে করতে পারব। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইন মেনে সবাই অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হাসান ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যার ধকল না কাটতেই নেপালে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে নেপাল। মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তিব্বতে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও তিব্বতে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল।এদিকে ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বরফ ও শিলার ধস থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় এখনো বিপর্যস্ত বিভিন্ন এলাকা। ভোটেকোশি নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও যানবাহন ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও।নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫৭ জনে। এখনো নিখোঁজ ৫ হাজার ৩২৬ জন। উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ হাজার ৫৮৩ জনকে। চীনের তিব্বত অংশেও অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যম। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
সোনালি আঁশের ভালো ফলনে স্বস্তি পাটচাষিদের
দেশের বিভিন্ন জেলায় এবার পাটের ভালো ফলনে খুশি কৃষকেরা। মে-জুনের খরার পর জুলাই-আগস্টের বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ফলন প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে। কোথাও বাজারদর ভালো থাকলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে।বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পাট উৎপাদন করে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ। প্রায় ৪০ লাখ কৃষক সরাসরি পাট চাষের সঙ্গে যুক্ত।ফরিদপুর, রাজশাহী, নড়াইলসহ বিভিন্ন জেলায় এবার আবাদ ও ফলন ভালো হয়েছে। রাজশাহীতে প্রতি মণ পাট ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কয়েকটি এলাকায় কৃষকেরা তুলনামূলক কম দাম পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্যের রপ্তানি প্রায় পৌনে ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে কাঁচা পাটের রপ্তানি ৭৭ শতাংশ কমে ৩৮ হাজার টনে নেমেছে। রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বহুমুখী পাটপণ্যের উৎপাদন ও নতুন বাজার বাড়ানো গেলে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব। কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় প্রতি মণ পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং সরকারি উদ্যোগে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাট কেনা হোক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, ভালো ফলনের পাশাপাশি ন্যায্য দাম ও রপ্তানি বাজার নিশ্চিত করা গেলে পাট খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।
সাইবার নিরাপত্তায় অনলাইন প্রশিক্ষণ নিতে হবে মাধ্যমিকের সব শিক্ষককে
মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষককে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করে সনদ সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করে অনলাইন থেকে সনদ ডাউনলোড করতে হবে।শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় এ প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার মাউশির প্রশিক্ষণ শাখা এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মাউশির নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পিডিএস আইডি ব্যবহার করে লগইন বা রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে শিক্ষকরা কোর্সে অংশ নিতে পারবেন।প্রশিক্ষণে মোট ছয়টি মডিউল রয়েছে। ষষ্ঠ মডিউলে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কার্যক্রমের ছবি বা ভিডিও নির্ধারিত লিংকে জমা দিতে হবে। ছয়টি মডিউল ও শ্রেণি কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করলেই শিক্ষকরা অনলাইন থেকে সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন। সনদে মাউশি ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালকদের স্বাক্ষর থাকবে।
দুর্গাপূজায় বাংলাদেশি ইলিশ চেয়েছে ভারত
৪ ঘন্টা আগেস্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।সিইসি বলেন, আমরা অতীতে একটি সফল নির্বাচন করতে পেরেছি। স্থানীয় নির্বাচনও সফলভাবে করতে পারব। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইন মেনে সবাই অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হাসান ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে নেপাল। মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তিব্বতে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও তিব্বতে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল।এদিকে ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বরফ ও শিলার ধস থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় এখনো বিপর্যস্ত বিভিন্ন এলাকা। ভোটেকোশি নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও যানবাহন ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও।নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫৭ জনে। এখনো নিখোঁজ ৫ হাজার ৩২৬ জন। উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ হাজার ৫৮৩ জনকে। চীনের তিব্বত অংশেও অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যম। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
দেশের বিভিন্ন জেলায় এবার পাটের ভালো ফলনে খুশি কৃষকেরা। মে-জুনের খরার পর জুলাই-আগস্টের বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ফলন প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে। কোথাও বাজারদর ভালো থাকলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে।বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পাট উৎপাদন করে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ। প্রায় ৪০ লাখ কৃষক সরাসরি পাট চাষের সঙ্গে যুক্ত।ফরিদপুর, রাজশাহী, নড়াইলসহ বিভিন্ন জেলায় এবার আবাদ ও ফলন ভালো হয়েছে। রাজশাহীতে প্রতি মণ পাট ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কয়েকটি এলাকায় কৃষকেরা তুলনামূলক কম দাম পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্যের রপ্তানি প্রায় পৌনে ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে কাঁচা পাটের রপ্তানি ৭৭ শতাংশ কমে ৩৮ হাজার টনে নেমেছে। রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বহুমুখী পাটপণ্যের উৎপাদন ও নতুন বাজার বাড়ানো গেলে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব। কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় প্রতি মণ পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং সরকারি উদ্যোগে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাট কেনা হোক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, ভালো ফলনের পাশাপাশি ন্যায্য দাম ও রপ্তানি বাজার নিশ্চিত করা গেলে পাট খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।
মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষককে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করে সনদ সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করে অনলাইন থেকে সনদ ডাউনলোড করতে হবে।শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় এ প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার মাউশির প্রশিক্ষণ শাখা এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মাউশির নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পিডিএস আইডি ব্যবহার করে লগইন বা রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে শিক্ষকরা কোর্সে অংশ নিতে পারবেন।প্রশিক্ষণে মোট ছয়টি মডিউল রয়েছে। ষষ্ঠ মডিউলে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কার্যক্রমের ছবি বা ভিডিও নির্ধারিত লিংকে জমা দিতে হবে। ছয়টি মডিউল ও শ্রেণি কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করলেই শিক্ষকরা অনলাইন থেকে সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন। সনদে মাউশি ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালকদের স্বাক্ষর থাকবে।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণায় বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছেন বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম খোকন। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেজ ছেলে সাঈদ।সাইফুল ইসলাম খোকন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবারও সুহিলপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী শোডাউন ও গণসংযোগ করেন সাইফুল ইসলাম খোকন। দিনভর প্রচারণা শেষে সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি।সেখানে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বর্তমান সংসদ সদস্য তাঁকেই নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবেন। পথসভা ও গণসংযোগ শেষে রাতে বাড়ি ফিরে নৈশভোজ সেরে ঘুমিয়ে পড়েন সাইফুল ইসলাম খোকন। পরে রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে সাইফুল ইসলাম খোকনের চেয়ারম্যান হওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। সোমবারও তিনি সারা দিন তাঁদের সঙ্গে পুরো ইউনিয়নে গণসংযোগ করেছেন। কিন্তু গভীর রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনতে হয়েছে। এমন আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন।চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। শোডাউনে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না।’ এমন বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যুতে তাঁরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, তাঁর মরহুম পিতার সময় থেকেই সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনা উপজেলা বিএনপিতে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণায় বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছেন বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম খোকন। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেজ ছেলে সাঈদ।সাইফুল ইসলাম খোকন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবারও সুহিলপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী শোডাউন ও গণসংযোগ করেন সাইফুল ইসলাম খোকন। দিনভর প্রচারণা শেষে সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি।সেখানে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বর্তমান সংসদ সদস্য তাঁকেই নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবেন। পথসভা ও গণসংযোগ শেষে রাতে বাড়ি ফিরে নৈশভোজ সেরে ঘুমিয়ে পড়েন সাইফুল ইসলাম খোকন। পরে রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে সাইফুল ইসলাম খোকনের চেয়ারম্যান হওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। সোমবারও তিনি সারা দিন তাঁদের সঙ্গে পুরো ইউনিয়নে গণসংযোগ করেছেন। কিন্তু গভীর রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনতে হয়েছে। এমন আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন।চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। শোডাউনে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না।’ এমন বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যুতে তাঁরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, তাঁর মরহুম পিতার সময় থেকেই সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনা উপজেলা বিএনপিতে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণায় বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছেন বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম খোকন। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেজ ছেলে সাঈদ।সাইফুল ইসলাম খোকন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবারও সুহিলপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী শোডাউন ও গণসংযোগ করেন সাইফুল ইসলাম খোকন। দিনভর প্রচারণা শেষে সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি।সেখানে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বর্তমান সংসদ সদস্য তাঁকেই নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবেন। পথসভা ও গণসংযোগ শেষে রাতে বাড়ি ফিরে নৈশভোজ সেরে ঘুমিয়ে পড়েন সাইফুল ইসলাম খোকন। পরে রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে সাইফুল ইসলাম খোকনের চেয়ারম্যান হওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। সোমবারও তিনি সারা দিন তাঁদের সঙ্গে পুরো ইউনিয়নে গণসংযোগ করেছেন। কিন্তু গভীর রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনতে হয়েছে। এমন আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন।চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। শোডাউনে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না।’ এমন বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যুতে তাঁরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, তাঁর মরহুম পিতার সময় থেকেই সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনা উপজেলা বিএনপিতে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।