জাতীয় সংসদ চত্বরকে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ প্রস্তাব দিলে কমিটির সদস্যরা তা সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেন।সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ৭ মেগাওয়াটবৈঠকে জাতীয় সংসদ ভবনে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল স্থাপনের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট উপকমিটির আহ্বায়ক ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, সংসদ ভবনে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।তিনি জানান, সংসদের অধিবেশন চলাকালে প্রায় ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা যাবে। অন্য সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা আরও কম থাকবে। ফলে প্রয়োজন মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।বৈঠকে সংসদ চত্বরে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও এনার্জি স্টোরেজ সুবিধা নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ ঘন্টা আগে পড়ুনতিন গোলে এগিয়েও জয় পেল না মেসির মিয়ামি, গোল্ডেন বুট তাঁরই
প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে জয়ের পথেই ছিল ইন্টার মিয়ামি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে তিন গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে লিওনেল মেসির দলকে। নিজেদের মাঠে শার্লট এফসির সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়মিত মৌসুম শেষ করেছে মিয়ামি।নু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৪ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বলে কাছ থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ইয়ান ফ্রে। ৩৩ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে জার্মান বেরেতেরামের হেডের পর পাওয়া বলে জালে পাঠান লুইস সুয়ারেজ। এটি ছিল চলতি লিগ মৌসুমে সুয়ারেজের ১৭তম গোল।প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান ৩-০ করেন রদ্রিগো ডি পল। তিন গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মিয়ামি।তবে বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। ৫০ ও ৫৫ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে শার্লটকে ম্যাচে ফেরান লিয়েল আবাদা। দুই গোলের ব্যবধান কমে আসার পর সমতা ফেরাতে আক্রমণের গতি বাড়ায় সফরকারীরা।ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আসে নাটকীয় সমতাসূচক গোল। টাইগার স্মলসের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে গোল করেন রোদলফো আলোকো। তাতে তিন গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে ৩-৩ সমতায় ম্যাচ শেষ করে শার্লট।এই ম্যাচে গোল না পেলেও ব্যক্তিগত অর্জনে উজ্জ্বল ছিলেন মেসি। নিয়মিত মৌসুমে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬-এ। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এমএলএসের গোল্ডেন বুট জিতেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।নিয়মিত মৌসুম শেষে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের দ্বিতীয় স্থানে থেকে লিগ শেষ করেছে ইন্টার মিয়ামি। প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বাস ক্রু।
৭ নভেম্বরের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সেমিনার ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ, সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের পটভূমি এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সেমিনার ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ যৌথভাবে এ আয়োজন করে। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাসের আহ্বায়ক হেলাল খান।সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সায়মন তারিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জীবন শাহাদাৎ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, গোমতী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি নজরুলা ইসলাম, পিংকএশিয়া ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ওমর মালিক, চালিউড ফিল্ম সোসাইটির সহসভাপতি মিষ্টি মাতব্বর এবং রাজবাড়ী ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধিরা।সেমিনারে বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ, সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের পেছনের প্রেক্ষাপট এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে দিবসটির ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।বিভিন্ন স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী আজএদিকে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে আজ শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের সহযোগিতায় ঢাকা ফিল্ম ক্লাব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি ও বেঙ্গল ফিল্ম সোসাইটি যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হবে। আয়োজনটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে চ্যানেল এস।
শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারেন, তবে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চাইলে ফিরতে পারেন। তবে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানসহ তাঁর শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জনগণের কাছে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী।শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি দেশে ফিরলে আবু সাঈদসহ গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের হত্যার বিচার কে করবে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর মতো অপরাধেরও বিচার হতে হবে।রিজভী বলেন, মাঝেমধ্যেই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা শোনা যাচ্ছে। তিনি ভারত থেকে কোথায় নামবেন—প্যারাশুটে, নাকি হেলিকপ্টারে? ঢাকায়, নাকি গোপালগঞ্জে? তিনি দেশে ফিরতে পারেন। তবে দেশে সরকার, আইন ও আদালত রয়েছে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে।৭ নভেম্বরের চেতনায় গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাঅনুষ্ঠানে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে দমন, জনগণকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে অন্য দেশের আধিপত্যের অধীন করার চেষ্টা হয়েছিল। এসব তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ থেকেই সিপাহি-জনতার বিপ্লবের সূচনা হয়। এ কারণে দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিত।তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার মিল রয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনের পর জনগণকে আবার রাজপথে নামতে হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষও হত্যার শিকার হয়েছেন।রিজভীর ভাষ্য, ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার শাসনের অবসান ঘটে। এই অভ্যুত্থানের পেছনে ৭ নভেম্বরের চেতনা ও প্রেরণা কাজ করেছে।জিয়াউর রহমানের শাসনামলের প্রশংসাবিএনপির এই নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে দেশে বহু রাজনৈতিক দল আবার রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিল। গ্রামাঞ্চলে কৃষি ও উৎপাদন কার্যক্রমে গতি এসেছিল। খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কলকারখানায় উৎপাদন সচল হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল।রিজভী আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। গ্রাম পুলিশ ও মহিলা পুলিশ ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের একজন শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিককে হত্যা করে।এরশাদের শাসনামল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসেন। এর ফলে দেশে আবার গণতন্ত্রের অবসান ঘটে। পরে খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে গণতান্ত্রিক শক্তির বিজয় নিশ্চিত করেন।ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বানরিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতা-কর্মীরা এখনো ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বাংলাদেশকে কোনো দেশের অধীনস্থ কিংবা সেবাদাস রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের মানুষের সামনে স্বাধীনতার চেতনার কথা বললেও ভারতের কাছে গিয়ে শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ভিন্ন। জনগণের কাছে এক ধরনের বক্তব্য দিলেও দিল্লির কাছে তাঁর অবস্থান ছিল আলাদা।ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, একসময় মাশরাফি বলেছিলেন, শেখ হাসিনা না থাকলে নড়াইল থাকবে না। এখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় নেই, তাহলে কি বাংলাদেশে নড়াইলের অস্তিত্ব নেই?শেখ হাসিনার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার প্রচেষ্টার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, অনুগত ও তোষামোদকারীদের ওপর নির্ভর করে তিনি আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলেন। একের পর এক বিনা ভোটের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তাঁর ধারণা হয়েছিল, সবকিছু তাঁর নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু জনগণের শক্তি ও ক্ষোভের গভীরতা তিনি বুঝতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত জনগণের আন্দোলনের মুখে তাঁকে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে।বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিএনপির রাজনীতি সরল ও সঠিক পথের রাজনীতি, যা সিরাতুল মুস্তাকিমের আদর্শ অনুসরণ করে। খালেদা জিয়া কখনো তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি। তারেক রহমানও অঙ্গীকারের বরখেলাপ করেননি।
প্রিন্টিং মেশিনের নামে আমদানি, কনটেইনারে মিলল ৪০ লাখ জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প
প্রিন্টিং মেশিন আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা একটি কনটেইনারে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা। এ ঘটনায় প্রায় ৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে।আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।এনবিআর জানায়, ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল-৩, ব্লক-এ, শপ নম্বর 3C004A ঠিকানায় অবস্থিত চায়না মার্ট নামের প্রতিষ্ঠানের নামে চালানটি আমদানি করা হয়। ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এতে পণ্য হিসেবে ‘প্রিন্টিং মেশিন’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।বিশেষ নজরদারিতে থাকা চালানটি গত ৫ নভেম্বর সিআইসি ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখার কর্মকর্তারা যৌথভাবে পরীক্ষা করেন। এ সময় ঘোষিত কোনো প্রিন্টিং মেশিন পাওয়া যায়নি। বরং কনটেইনারে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পাওয়া যায়।এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধার করা জাল স্ট্যাম্পগুলো মূলত নিম্নস্তরের ২০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটে ব্যবহারের উপযোগী। দেশে এ ধরনের এক প্যাকেট সিগারেটের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ১৩০ টাকা। এর বিপরীতে সরকার রাজস্ব পায় ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা।উদ্ধার করা জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলে সরকারের আনুমানিক ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারত বলে জানিয়েছে এনবিআর।অন্যদিকে, চালানটিতে পাওয়া প্রসাধনী সামগ্রীর বিপরীতে প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে।এনবিআরের হিসাবে, জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি এবং প্রসাধনী আমদানিতে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা মিলিয়ে মোট রাজস্ব ঝুঁকির পরিমাণ প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে জয়ের পথেই ছিল ইন্টার মিয়ামি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে তিন গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে লিওনেল মেসির দলকে। নিজেদের মাঠে শার্লট এফসির সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়মিত মৌসুম শেষ করেছে মিয়ামি।নু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৪ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বলে কাছ থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ইয়ান ফ্রে। ৩৩ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে জার্মান বেরেতেরামের হেডের পর পাওয়া বলে জালে পাঠান লুইস সুয়ারেজ। এটি ছিল চলতি লিগ মৌসুমে সুয়ারেজের ১৭তম গোল।প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান ৩-০ করেন রদ্রিগো ডি পল। তিন গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মিয়ামি।তবে বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। ৫০ ও ৫৫ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে শার্লটকে ম্যাচে ফেরান লিয়েল আবাদা। দুই গোলের ব্যবধান কমে আসার পর সমতা ফেরাতে আক্রমণের গতি বাড়ায় সফরকারীরা।ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আসে নাটকীয় সমতাসূচক গোল। টাইগার স্মলসের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে গোল করেন রোদলফো আলোকো। তাতে তিন গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে ৩-৩ সমতায় ম্যাচ শেষ করে শার্লট।এই ম্যাচে গোল না পেলেও ব্যক্তিগত অর্জনে উজ্জ্বল ছিলেন মেসি। নিয়মিত মৌসুমে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬-এ। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এমএলএসের গোল্ডেন বুট জিতেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।নিয়মিত মৌসুম শেষে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের দ্বিতীয় স্থানে থেকে লিগ শেষ করেছে ইন্টার মিয়ামি। প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বাস ক্রু।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ, সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের পটভূমি এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সেমিনার ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ যৌথভাবে এ আয়োজন করে। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাসের আহ্বায়ক হেলাল খান।সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সায়মন তারিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জীবন শাহাদাৎ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, গোমতী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি নজরুলা ইসলাম, পিংকএশিয়া ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ওমর মালিক, চালিউড ফিল্ম সোসাইটির সহসভাপতি মিষ্টি মাতব্বর এবং রাজবাড়ী ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধিরা।সেমিনারে বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ, সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের পেছনের প্রেক্ষাপট এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে দিবসটির ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।বিভিন্ন স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী আজএদিকে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে আজ শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের সহযোগিতায় ঢাকা ফিল্ম ক্লাব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি ও বেঙ্গল ফিল্ম সোসাইটি যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হবে। আয়োজনটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে চ্যানেল এস।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চাইলে ফিরতে পারেন। তবে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানসহ তাঁর শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জনগণের কাছে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী।শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি দেশে ফিরলে আবু সাঈদসহ গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের হত্যার বিচার কে করবে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর মতো অপরাধেরও বিচার হতে হবে।রিজভী বলেন, মাঝেমধ্যেই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা শোনা যাচ্ছে। তিনি ভারত থেকে কোথায় নামবেন—প্যারাশুটে, নাকি হেলিকপ্টারে? ঢাকায়, নাকি গোপালগঞ্জে? তিনি দেশে ফিরতে পারেন। তবে দেশে সরকার, আইন ও আদালত রয়েছে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে।৭ নভেম্বরের চেতনায় গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাঅনুষ্ঠানে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে দমন, জনগণকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে অন্য দেশের আধিপত্যের অধীন করার চেষ্টা হয়েছিল। এসব তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ থেকেই সিপাহি-জনতার বিপ্লবের সূচনা হয়। এ কারণে দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিত।তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার মিল রয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনের পর জনগণকে আবার রাজপথে নামতে হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষও হত্যার শিকার হয়েছেন।রিজভীর ভাষ্য, ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার শাসনের অবসান ঘটে। এই অভ্যুত্থানের পেছনে ৭ নভেম্বরের চেতনা ও প্রেরণা কাজ করেছে।জিয়াউর রহমানের শাসনামলের প্রশংসাবিএনপির এই নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে দেশে বহু রাজনৈতিক দল আবার রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিল। গ্রামাঞ্চলে কৃষি ও উৎপাদন কার্যক্রমে গতি এসেছিল। খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কলকারখানায় উৎপাদন সচল হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল।রিজভী আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। গ্রাম পুলিশ ও মহিলা পুলিশ ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের একজন শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিককে হত্যা করে।এরশাদের শাসনামল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসেন। এর ফলে দেশে আবার গণতন্ত্রের অবসান ঘটে। পরে খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে গণতান্ত্রিক শক্তির বিজয় নিশ্চিত করেন।ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বানরিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতা-কর্মীরা এখনো ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বাংলাদেশকে কোনো দেশের অধীনস্থ কিংবা সেবাদাস রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের মানুষের সামনে স্বাধীনতার চেতনার কথা বললেও ভারতের কাছে গিয়ে শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ভিন্ন। জনগণের কাছে এক ধরনের বক্তব্য দিলেও দিল্লির কাছে তাঁর অবস্থান ছিল আলাদা।ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, একসময় মাশরাফি বলেছিলেন, শেখ হাসিনা না থাকলে নড়াইল থাকবে না। এখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় নেই, তাহলে কি বাংলাদেশে নড়াইলের অস্তিত্ব নেই?শেখ হাসিনার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার প্রচেষ্টার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, অনুগত ও তোষামোদকারীদের ওপর নির্ভর করে তিনি আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলেন। একের পর এক বিনা ভোটের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তাঁর ধারণা হয়েছিল, সবকিছু তাঁর নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু জনগণের শক্তি ও ক্ষোভের গভীরতা তিনি বুঝতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত জনগণের আন্দোলনের মুখে তাঁকে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে।বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিএনপির রাজনীতি সরল ও সঠিক পথের রাজনীতি, যা সিরাতুল মুস্তাকিমের আদর্শ অনুসরণ করে। খালেদা জিয়া কখনো তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি। তারেক রহমানও অঙ্গীকারের বরখেলাপ করেননি।
প্রিন্টিং মেশিন আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা একটি কনটেইনারে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা। এ ঘটনায় প্রায় ৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে।আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।এনবিআর জানায়, ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল-৩, ব্লক-এ, শপ নম্বর 3C004A ঠিকানায় অবস্থিত চায়না মার্ট নামের প্রতিষ্ঠানের নামে চালানটি আমদানি করা হয়। ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এতে পণ্য হিসেবে ‘প্রিন্টিং মেশিন’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।বিশেষ নজরদারিতে থাকা চালানটি গত ৫ নভেম্বর সিআইসি ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখার কর্মকর্তারা যৌথভাবে পরীক্ষা করেন। এ সময় ঘোষিত কোনো প্রিন্টিং মেশিন পাওয়া যায়নি। বরং কনটেইনারে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পাওয়া যায়।এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধার করা জাল স্ট্যাম্পগুলো মূলত নিম্নস্তরের ২০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটে ব্যবহারের উপযোগী। দেশে এ ধরনের এক প্যাকেট সিগারেটের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ১৩০ টাকা। এর বিপরীতে সরকার রাজস্ব পায় ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা।উদ্ধার করা জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলে সরকারের আনুমানিক ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারত বলে জানিয়েছে এনবিআর।অন্যদিকে, চালানটিতে পাওয়া প্রসাধনী সামগ্রীর বিপরীতে প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে।এনবিআরের হিসাবে, জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি এবং প্রসাধনী আমদানিতে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা মিলিয়ে মোট রাজস্ব ঝুঁকির পরিমাণ প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
বিষখালী নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
বরগুনার বিষখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ইহান (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার সকালে জেলার নলটোনা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ইহান বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার বাসিন্দা মো. নজির হোসেনের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সঙ্গে বড়ইতলা ফেরিঘাটসংলগ্ন বিষখালী নদীর তীরে ঘুরতে যায় ইহান। একপর্যায়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামলে তীব্র স্রোতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এরপর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।বরগুনা সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক জানান, ঘটনার দিন পটুয়াখালী থেকে ডুবুরি দল এনে বিকেল চারটা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। টানা দুই দিন অভিযান চালানোর পর রোববার সকালে নলটোনা ইউনিয়নের বিষখালী নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
বিষখালী নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
বরগুনার বিষখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ইহান (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার সকালে জেলার নলটোনা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ইহান বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার বাসিন্দা মো. নজির হোসেনের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সঙ্গে বড়ইতলা ফেরিঘাটসংলগ্ন বিষখালী নদীর তীরে ঘুরতে যায় ইহান। একপর্যায়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামলে তীব্র স্রোতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এরপর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।বরগুনা সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক জানান, ঘটনার দিন পটুয়াখালী থেকে ডুবুরি দল এনে বিকেল চারটা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। টানা দুই দিন অভিযান চালানোর পর রোববার সকালে নলটোনা ইউনিয়নের বিষখালী নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
বিষখালী নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
বরগুনার বিষখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ইহান (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার সকালে জেলার নলটোনা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ইহান বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার বাসিন্দা মো. নজির হোসেনের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সঙ্গে বড়ইতলা ফেরিঘাটসংলগ্ন বিষখালী নদীর তীরে ঘুরতে যায় ইহান। একপর্যায়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামলে তীব্র স্রোতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এরপর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।বরগুনা সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক জানান, ঘটনার দিন পটুয়াখালী থেকে ডুবুরি দল এনে বিকেল চারটা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। টানা দুই দিন অভিযান চালানোর পর রোববার সকালে নলটোনা ইউনিয়নের বিষখালী নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।