জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের কৌশলগত পরিকল্পনা ও সাহসের ঘাটতির পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধের সঙ্গে আপস করার কারণে কাঙ্ক্ষিত ভিত্তি তৈরি হয়নি।শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে টিআইবি এসব কথা জানায়।বিবৃতিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ক্ষমতার রাজনীতির প্রভাবে আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের চর্চা শুধু হাতবদল হয়েছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। সংবিধান সংশোধন ও রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়টি ক্ষমতাসীন জোটের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট জনস্বার্থে রাষ্ট্র সংস্কারে সহায়ক ভূমিকা রাখার পরিবর্তে দলীয় রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্র সংস্কার এবং জুলাই সনদ ‘অক্ষরে অক্ষরে’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে নির্বাচনে বিজয়ী দলের সংসদ সদস্যরা গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রস্তাবিত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন এবং আইন প্রণয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া কার্যত ক্ষমতাসীন জোটের একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিত করে সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে।তিনি আরও বলেন, সব রাজনৈতিক দল একমত হওয়া সত্ত্বেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংশোধন অধ্যাদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বিল পাস না করে ২০০৪ সালের আগের আইনে ফিরে যাওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুদক যে আস্থার সংকটে রয়েছে, তা থেকে উত্তরণের পথ আরও সংকুচিত হয়েছে।র্যাবের কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, র্যাব বিলুপ্তির কথা বলা হলেও নতুন নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সিংহভাগের জন্য দায়ী হিসেবে পরিচিত সংস্থাটিকে আরও ক্ষমতাশালী করা হয়েছে। স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের বিষয়ে সবাই একমত হলেও এ ক্ষেত্রে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশের বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সম্পদের বিবরণী প্রকাশ এবং তা নিয়মিত হালনাগাদের বিধান নিয়ে মতৈক্য হয়েছিল। তবে বর্তমান সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর এ ধরনের নির্দেশনা বা চর্চার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।টিআইবির মতে, এসব পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে থাকা জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে সরকার এগোচ্ছে। এর ফলে নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতা ছাড়াই ক্ষমতা প্রয়োগের কাঠামো প্রতিষ্ঠার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
৪ ঘন্টা আগে পড়ুনউন্নয়নকাজে কমিশন বাণিজ্য চলবে না: আইনমন্ত্রী
উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের কমিশন বাণিজ্য বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, সরকারি বরাদ্দ জনগণের করের টাকা। তাই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণকেও নজরদারি করতে হবে। কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে।শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ঢাকাস্থ শৈলকূপা উপজেলার ৩ নম্বর দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।আসাদুজ্জামান বলেন, একটি এলাকার সব সমস্যার সমাধান জনপ্রতিনিধিদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। জনগণের মতামত, গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে। ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া না হলে জনপ্রতিনিধিদের ভুল পথে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই উন্নয়নকাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমেও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সড়ক বা অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের করের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বদলি প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং এ নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা দূর করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, শৈলকূপায় মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধের ক্ষেত্রে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা করা হবে না; আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদকসহ যেকোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তির পক্ষে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তদবির করা গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টাও কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।রাজনৈতিক সহিংসতা ও প্রতিহিংসার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং সংঘবদ্ধভাবে মানুষকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে সমাজকে রুখে দাঁড়াতে হবে। কেউ যেন অন্যায়ের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ ও দুর্নীতির পক্ষেও অবস্থান নেওয়া যাবে না। ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি।শৈলকূপার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ চলছে। দিগনগর ইউনিয়নেও নতুন সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সম্প্রতি শৈলকূপার আরও প্রায় ৩৯৫টি সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তালিকাভুক্ত হয়েছে। এসব সড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে আগামী পাঁচ বছরে উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, শৈলকূপার উন্নয়নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পৃথক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার কৃতী সন্তান ও পেশাজীবীদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা, দায়িত্বশীল নাগরিক অংশগ্রহণ ও জবাবদিহির সংস্কৃতি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ঢাকাস্থ শৈলকূপা উপজেলার ৩ নম্বর দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড এ ওয়াহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে শৈলকূপার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিক ও সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছায় প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’শুক্রবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ শুভেচ্ছা জানান। তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের আহ্বান জানান।বাণীতে তারেক রহমান বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল শিক্ষা। মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, শত্রুর বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করেন। এসব উৎসব দেশের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরে। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাঁদের অঙ্গীকার।বাণীতে তিনি প্রত্যাশা করেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা যেন সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজার উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দুর্নীতি রোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।শুক্রবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ফিউচার বাংলাদেশের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬’ (বিওয়াইএমইউএন) সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।ডেপুটি স্পিকার বলেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শুধু নিজেদের দক্ষতা ও ব্যক্তিগত যোগ্যতা বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়ও তরুণদের সোচ্চার হতে হবে।শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে সৃজনশীলতা, ইতিবাচক চিন্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিতে হবে তরুণ প্রজন্মকে।দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামে তরুণদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে কায়সার কামাল বলেন, সামাজিক মর্যাদা, সমতা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকে তরুণেরা বারবার রাজপথে নেমেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের বড় অংশই ছিলেন তরুণ। তাঁদের আত্মত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন তরুণদের।উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গেলেও পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, বিদেশে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের অগ্রগতিতে কাজে লাগাতে হবে।গণতান্ত্রিক সহনশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, মতভিন্নতা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। নিজের মত অন্যের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে অন্যের যুক্তি শোনার মানসিকতা গড়ে তোলাই যোগ্য নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সংসদীয় কার্যক্রম ও নীতিনির্ধারণী বিতর্ক সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পেতে তরুণদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন পর্যবেক্ষণেরও পরামর্শ দেন তিনি।সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডোলান্ড।আয়োজকেরা জানান, দুই দিনব্যাপী এ ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে দেশের ৬৪টি জেলার দুই শতাধিক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ তরুণ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।
গৌরনদীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত অপু মাঝি (২৬) উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মাদ রোমান জানান, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলেই চালক অপু মাঝির মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের কমিশন বাণিজ্য বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, সরকারি বরাদ্দ জনগণের করের টাকা। তাই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণকেও নজরদারি করতে হবে। কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে।শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ঢাকাস্থ শৈলকূপা উপজেলার ৩ নম্বর দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।আসাদুজ্জামান বলেন, একটি এলাকার সব সমস্যার সমাধান জনপ্রতিনিধিদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। জনগণের মতামত, গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে। ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া না হলে জনপ্রতিনিধিদের ভুল পথে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই উন্নয়নকাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমেও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সড়ক বা অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের করের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বদলি প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং এ নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা দূর করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, শৈলকূপায় মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধের ক্ষেত্রে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা করা হবে না; আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদকসহ যেকোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তির পক্ষে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তদবির করা গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টাও কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।রাজনৈতিক সহিংসতা ও প্রতিহিংসার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং সংঘবদ্ধভাবে মানুষকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে সমাজকে রুখে দাঁড়াতে হবে। কেউ যেন অন্যায়ের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ ও দুর্নীতির পক্ষেও অবস্থান নেওয়া যাবে না। ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি।শৈলকূপার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ চলছে। দিগনগর ইউনিয়নেও নতুন সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সম্প্রতি শৈলকূপার আরও প্রায় ৩৯৫টি সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তালিকাভুক্ত হয়েছে। এসব সড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে আগামী পাঁচ বছরে উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, শৈলকূপার উন্নয়নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পৃথক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার কৃতী সন্তান ও পেশাজীবীদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা, দায়িত্বশীল নাগরিক অংশগ্রহণ ও জবাবদিহির সংস্কৃতি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ঢাকাস্থ শৈলকূপা উপজেলার ৩ নম্বর দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড এ ওয়াহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে শৈলকূপার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিক ও সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’শুক্রবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ শুভেচ্ছা জানান। তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের আহ্বান জানান।বাণীতে তারেক রহমান বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল শিক্ষা। মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, শত্রুর বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করেন। এসব উৎসব দেশের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরে। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাঁদের অঙ্গীকার।বাণীতে তিনি প্রত্যাশা করেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা যেন সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজার উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।শুক্রবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ফিউচার বাংলাদেশের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬’ (বিওয়াইএমইউএন) সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।ডেপুটি স্পিকার বলেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শুধু নিজেদের দক্ষতা ও ব্যক্তিগত যোগ্যতা বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়ও তরুণদের সোচ্চার হতে হবে।শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ অর্জনের প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে সৃজনশীলতা, ইতিবাচক চিন্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিতে হবে তরুণ প্রজন্মকে।দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামে তরুণদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে কায়সার কামাল বলেন, সামাজিক মর্যাদা, সমতা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকে তরুণেরা বারবার রাজপথে নেমেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের বড় অংশই ছিলেন তরুণ। তাঁদের আত্মত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন তরুণদের।উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গেলেও পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, বিদেশে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের অগ্রগতিতে কাজে লাগাতে হবে।গণতান্ত্রিক সহনশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, মতভিন্নতা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। নিজের মত অন্যের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে অন্যের যুক্তি শোনার মানসিকতা গড়ে তোলাই যোগ্য নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সংসদীয় কার্যক্রম ও নীতিনির্ধারণী বিতর্ক সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পেতে তরুণদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন পর্যবেক্ষণেরও পরামর্শ দেন তিনি।সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডোলান্ড।আয়োজকেরা জানান, দুই দিনব্যাপী এ ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে দেশের ৬৪টি জেলার দুই শতাধিক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ তরুণ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত অপু মাঝি (২৬) উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মাদ রোমান জানান, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলেই চালক অপু মাঝির মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
গৌরনদীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত অপু মাঝি (২৬) উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মাদ রোমান জানান, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলেই চালক অপু মাঝির মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গৌরনদীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত অপু মাঝি (২৬) উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মাদ রোমান জানান, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলেই চালক অপু মাঝির মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
গৌরনদীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত অপু মাঝি (২৬) উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মাদ রোমান জানান, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলেই চালক অপু মাঝির মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।