বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি গঠনসংক্রান্ত প্রবিধানমালা-২০২৬ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।এ নির্দেশনার অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পাশাপাশি সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদেরও বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
১১ ঘন্টা আগে পড়ুনএকই মঞ্চে নগরবাউল, ওয়ারফেজ, আর্কসহ পাঁচ ব্যান্ড
দেশের রকসংগীতপ্রেমীদের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ কনসার্ট রক অ্যান রিদম ৫.০: নো লিমিটস ইন দ্য জোন। এতে একই মঞ্চে গান পরিবেশন করবে দেশের জনপ্রিয় পাঁচ ব্যান্ড নগরবাউল, আর্ক, ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য। আগামী ২৩ অক্টোবর ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের কার্নিভাল অ্যারেনায় বসবে এই সংগীতের আসর।পাঁচ ব্যান্ডের পরিবেশনার পাশাপাশি কনসার্টে একক গিটার বাজাবেন দেশের দুই জনপ্রিয় গিটারিস্ট অনি হাসান ও এ কে রাহুল।ই-টিকিট প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ে (Tickify) ইতিমধ্যে কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রবেশ টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা। আয়োজক প্রতিষ্ঠান অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে।কনসার্টে অংশ নিতে দর্শকদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। একটি টিকিট দিয়ে একবারই ভেন্যুতে প্রবেশ করা যাবে। একবার বের হয়ে গেলে একই টিকিটে আর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। এ ছাড়া হাতব্যাগ ছাড়া বড় আকারের কোনো ব্যাগ সঙ্গে নেওয়া যাবে না। ২০২২ সাল থেকে নিয়মিত ‘রক অ্যান রিদম কনসার্ট আয়োজন করে আসছে অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস। এবারের আয়োজনটি এ ফ্র্যাঞ্চাইজির পঞ্চম আসর। আয়োজকদের প্রত্যাশা, দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর এক মঞ্চে উপস্থিতি রকসংগীতপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা তৈরি করবে।
ছয় সপ্তাহে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে ড্রোন হামলার ঘাঁটি গড়ল রাশিয়া
মাত্র ছয় সপ্তাহে ইউক্রেনের কাছাকাছি একটি বড় ড্রোন হামলার ঘাঁটি নির্মাণ প্রায় শেষ করেছে রাশিয়া। বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলের মিলেরোভোর কাছে নির্মাণাধীন ঘাঁটিটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছিল ফাঁকা মাঠ। বুধবারের স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে প্রায় ১২৬টি ফুটবল মাঠের সমান আয়তনের একটি বড় স্থাপনা দেখা গেছে। প্ল্যানেট ল্যাবস ও এয়ারবাসের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছে রয়টার্স।ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হামলার সক্ষমতা বাড়ানোর সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ঘাঁটিকে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের ওপর জেটচালিত আক্রমণকারী ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে মস্কো। এসব ড্রোন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে। তুলনামূলক বেশি গতির কারণে ড্রোনগুলোকে প্রতিহত করতে হিমশিম খাচ্ছে ইউক্রেন।পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ পঞ্চম বছরে গড়ানোর মধ্যে আসন্ন শীতকালে রাশিয়া জেটচালিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কিয়েভ।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনিক বলেন, অল্প সময়ে ঘাঁটি নির্মাণের এই গতি দেখাচ্ছে, রাশিয়া এখন প্রতিষ্ঠিত আক্রমণ সক্ষমতা দ্রুত কাজে লাগাতে পারছে। তাঁর মূল্যায়ন, স্থাপনাটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, এমনকি তারও আগে এটি পুরোপুরি কার্যকর হতে পারে।ন্যাটোর জন্যও বাড়ছে উদ্বেগরাশিয়ার নতুন ঘাঁটি নির্মাণের সময়েই দেশটির সঙ্গে ন্যাটো সামরিক জোটের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটছে।ইউরোপের বিভিন্ন সরকার মস্কোর বিরুদ্ধে নাশকতা, ড্রোন অনুপ্রবেশ ও সাইবার হামলা বাড়ানোর অভিযোগ করেছে। অন্যদিকে, গত মাসে রাশিয়া সতর্ক করে বলেছে, ন্যাটো তাদের কালিনিনগ্রাদ ছিটমহল বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করলে মস্কো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।মনিকের মতে, জেটচালিত ড্রোনের শিল্পভিত্তিক উৎপাদন, এসব অস্ত্রের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং ন্যাটোভুক্ত অনেক দেশে কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থার ঘাটতি পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।সূত্র: রয়টার্স
বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ, জি-২০ বৈঠকে গুরুত্ব পাবে জ্বালানি ও ঋণ
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার ও বিভিন্ন দেশের ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা নিয়ে আলোচনায় বসছেন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা।আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হচ্ছে জি-২০-এর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠক। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পাশাপাশি ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে হামলার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে। গত আট মাসের বেশির ভাগ সময় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ছিল। এতে বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চল ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারি ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের পারিবারিক বাজেটে চাপ বেড়েছে।বৈঠকে থাকছেন না যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীজি-২০-এর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকে অধিকাংশ সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এতে উপস্থিত থাকবেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।তবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী এবং জি-২০-এর বর্তমান সভাপতি দেশের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা স্কট বেসেন্ট বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যস্ততার কারণে তিনি যোগ দিতে পারছেন না। তাঁর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন উপঅর্থমন্ত্রী ফ্রান্সিস ব্রুক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি এরিন ব্রাউন।জি-২০-এর নিয়মিত বৈঠকগুলোর একটি এটি। এখানকার আলোচনা আগামী ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ নেতাদের মূল সম্মেলনের আলোচ্যসূচি নির্ধারণেও ভূমিকা রাখবে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধের আহ্বান অস্ট্রেলিয়ারবৈঠকের আগে অস্ট্রেলিয়ার কোষাধ্যক্ষ জিম চালমার্স মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এখন এটিই সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন।এক বিবৃতিতে চালমার্স বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। এটি বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম, মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে।’হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এ পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে উৎপাদন, পরিবহন ব্যয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর।ঋণের বোঝা নিয়েও উদ্বেগবৈঠকে বিভিন্ন দেশের ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, ইতালি ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর সরকারি ঋণ তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।বুধবার এক বক্তব্যে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করে বলেন, ক্রমবর্ধমান ঋণ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। সরকারের কর বাড়ানো বা ব্যয় কমানোর প্রয়োজন এড়ানোর কোনো ‘জাদুকরি’ সমাধান নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগজি-২০-এর সদস্যদেশগুলো নিজেদের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আরও কিছু বিষয় বৈঠকে তুলবে। এর মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতা। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। এর মধ্য দিয়ে মূলত চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত শিল্পব্যবস্থার সমালোচনা করা হয়।যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত শিল্পব্যবস্থার কারণে দেশটির রপ্তানিকারকেরা কম দামে বিদেশের বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, চীনের বড় বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রমাণ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকদের বিরুদ্ধে কাজ করছে। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনের ক্রমপুঞ্জীভূত বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৯৩৮ বিলিয়ন ডলার।বুধবার আইএমএফের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্কট বেসেন্ট বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে অ-বাজারভিত্তিক নীতি ও চর্চা এবং বিনিময় হার কীভাবে বৈদেশিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, তা নিয়ে আইএমএফের বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদার করা প্রয়োজন।’বেসেন্ট আরও বলেন, কিছু অর্থনীতির বাজার বিকৃতকারী নীতি প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং কর্মসংস্থানের ক্ষতি করছে। বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায়, তা নিয়ে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের কঠিন আলোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, সরকারি ঋণের চাপ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ভারসাম্যহীনতা—এই বিষয়গুলোই জি-২০-এর এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি
দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতিতে দেশের সব প্রতিষ্ঠান ছেয়ে গেছে। তবে এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। সবাই ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলে সফলতা আসবেই।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। মির্জা ফখরুল বলেন, কৃষি এখন লাভজনক না হওয়ায় অনেকে এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারি প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।কৃষি খাতের মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধানে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে কৃষিবিজ্ঞানীদের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। প্রয়োজন হলে আইন সংশোধন করে হলেও তাঁদের পেনশনের সুব্যবস্থা করতে হবে।রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শাকসবজি ও ফলমূল দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার নির্মাণ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়ন, গবেষণার সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের আর্থিক প্রণোদনা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব।
দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজা আটক
১৪ ঘন্টা আগেদেশের রকসংগীতপ্রেমীদের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ কনসার্ট রক অ্যান রিদম ৫.০: নো লিমিটস ইন দ্য জোন। এতে একই মঞ্চে গান পরিবেশন করবে দেশের জনপ্রিয় পাঁচ ব্যান্ড নগরবাউল, আর্ক, ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য। আগামী ২৩ অক্টোবর ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের কার্নিভাল অ্যারেনায় বসবে এই সংগীতের আসর।পাঁচ ব্যান্ডের পরিবেশনার পাশাপাশি কনসার্টে একক গিটার বাজাবেন দেশের দুই জনপ্রিয় গিটারিস্ট অনি হাসান ও এ কে রাহুল।ই-টিকিট প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ে (Tickify) ইতিমধ্যে কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রবেশ টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা। আয়োজক প্রতিষ্ঠান অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে।কনসার্টে অংশ নিতে দর্শকদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। একটি টিকিট দিয়ে একবারই ভেন্যুতে প্রবেশ করা যাবে। একবার বের হয়ে গেলে একই টিকিটে আর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। এ ছাড়া হাতব্যাগ ছাড়া বড় আকারের কোনো ব্যাগ সঙ্গে নেওয়া যাবে না। ২০২২ সাল থেকে নিয়মিত ‘রক অ্যান রিদম কনসার্ট আয়োজন করে আসছে অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস। এবারের আয়োজনটি এ ফ্র্যাঞ্চাইজির পঞ্চম আসর। আয়োজকদের প্রত্যাশা, দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর এক মঞ্চে উপস্থিতি রকসংগীতপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা তৈরি করবে।
মাত্র ছয় সপ্তাহে ইউক্রেনের কাছাকাছি একটি বড় ড্রোন হামলার ঘাঁটি নির্মাণ প্রায় শেষ করেছে রাশিয়া। বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলের মিলেরোভোর কাছে নির্মাণাধীন ঘাঁটিটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছিল ফাঁকা মাঠ। বুধবারের স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে প্রায় ১২৬টি ফুটবল মাঠের সমান আয়তনের একটি বড় স্থাপনা দেখা গেছে। প্ল্যানেট ল্যাবস ও এয়ারবাসের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছে রয়টার্স।ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হামলার সক্ষমতা বাড়ানোর সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ঘাঁটিকে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের ওপর জেটচালিত আক্রমণকারী ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে মস্কো। এসব ড্রোন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে। তুলনামূলক বেশি গতির কারণে ড্রোনগুলোকে প্রতিহত করতে হিমশিম খাচ্ছে ইউক্রেন।পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ পঞ্চম বছরে গড়ানোর মধ্যে আসন্ন শীতকালে রাশিয়া জেটচালিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কিয়েভ।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনিক বলেন, অল্প সময়ে ঘাঁটি নির্মাণের এই গতি দেখাচ্ছে, রাশিয়া এখন প্রতিষ্ঠিত আক্রমণ সক্ষমতা দ্রুত কাজে লাগাতে পারছে। তাঁর মূল্যায়ন, স্থাপনাটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, এমনকি তারও আগে এটি পুরোপুরি কার্যকর হতে পারে।ন্যাটোর জন্যও বাড়ছে উদ্বেগরাশিয়ার নতুন ঘাঁটি নির্মাণের সময়েই দেশটির সঙ্গে ন্যাটো সামরিক জোটের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটছে।ইউরোপের বিভিন্ন সরকার মস্কোর বিরুদ্ধে নাশকতা, ড্রোন অনুপ্রবেশ ও সাইবার হামলা বাড়ানোর অভিযোগ করেছে। অন্যদিকে, গত মাসে রাশিয়া সতর্ক করে বলেছে, ন্যাটো তাদের কালিনিনগ্রাদ ছিটমহল বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করলে মস্কো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।মনিকের মতে, জেটচালিত ড্রোনের শিল্পভিত্তিক উৎপাদন, এসব অস্ত্রের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং ন্যাটোভুক্ত অনেক দেশে কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থার ঘাটতি পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।সূত্র: রয়টার্স
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার ও বিভিন্ন দেশের ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা নিয়ে আলোচনায় বসছেন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা।আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হচ্ছে জি-২০-এর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠক। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পাশাপাশি ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে হামলার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে। গত আট মাসের বেশির ভাগ সময় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ছিল। এতে বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চল ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারি ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের পারিবারিক বাজেটে চাপ বেড়েছে।বৈঠকে থাকছেন না যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীজি-২০-এর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকে অধিকাংশ সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এতে উপস্থিত থাকবেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।তবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী এবং জি-২০-এর বর্তমান সভাপতি দেশের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা স্কট বেসেন্ট বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যস্ততার কারণে তিনি যোগ দিতে পারছেন না। তাঁর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন উপঅর্থমন্ত্রী ফ্রান্সিস ব্রুক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি এরিন ব্রাউন।জি-২০-এর নিয়মিত বৈঠকগুলোর একটি এটি। এখানকার আলোচনা আগামী ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ নেতাদের মূল সম্মেলনের আলোচ্যসূচি নির্ধারণেও ভূমিকা রাখবে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধের আহ্বান অস্ট্রেলিয়ারবৈঠকের আগে অস্ট্রেলিয়ার কোষাধ্যক্ষ জিম চালমার্স মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এখন এটিই সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন।এক বিবৃতিতে চালমার্স বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। এটি বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম, মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে।’হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এ পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে উৎপাদন, পরিবহন ব্যয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর।ঋণের বোঝা নিয়েও উদ্বেগবৈঠকে বিভিন্ন দেশের ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, ইতালি ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর সরকারি ঋণ তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।বুধবার এক বক্তব্যে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করে বলেন, ক্রমবর্ধমান ঋণ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। সরকারের কর বাড়ানো বা ব্যয় কমানোর প্রয়োজন এড়ানোর কোনো ‘জাদুকরি’ সমাধান নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগজি-২০-এর সদস্যদেশগুলো নিজেদের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আরও কিছু বিষয় বৈঠকে তুলবে। এর মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতা। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। এর মধ্য দিয়ে মূলত চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত শিল্পব্যবস্থার সমালোচনা করা হয়।যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত শিল্পব্যবস্থার কারণে দেশটির রপ্তানিকারকেরা কম দামে বিদেশের বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, চীনের বড় বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রমাণ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকদের বিরুদ্ধে কাজ করছে। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনের ক্রমপুঞ্জীভূত বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৯৩৮ বিলিয়ন ডলার।বুধবার আইএমএফের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্কট বেসেন্ট বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে অ-বাজারভিত্তিক নীতি ও চর্চা এবং বিনিময় হার কীভাবে বৈদেশিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, তা নিয়ে আইএমএফের বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদার করা প্রয়োজন।’বেসেন্ট আরও বলেন, কিছু অর্থনীতির বাজার বিকৃতকারী নীতি প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং কর্মসংস্থানের ক্ষতি করছে। বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায়, তা নিয়ে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের কঠিন আলোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, সরকারি ঋণের চাপ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ভারসাম্যহীনতা—এই বিষয়গুলোই জি-২০-এর এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতিতে দেশের সব প্রতিষ্ঠান ছেয়ে গেছে। তবে এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। সবাই ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলে সফলতা আসবেই।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। মির্জা ফখরুল বলেন, কৃষি এখন লাভজনক না হওয়ায় অনেকে এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারি প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।কৃষি খাতের মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধানে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে কৃষিবিজ্ঞানীদের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। প্রয়োজন হলে আইন সংশোধন করে হলেও তাঁদের পেনশনের সুব্যবস্থা করতে হবে।রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শাকসবজি ও ফলমূল দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার নির্মাণ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়ন, গবেষণার সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের আর্থিক প্রণোদনা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজা আটক
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাতিজা রমেশ মন্ডলের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা কমলা রানী মন্ডল (৫০) ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডল (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর রমেশ মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সুধা রানী মন্ডল ওই গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মন্ডল একই গ্রামের শ্রীদাম মন্ডলের ছেলে। আহত সমীর কুমার মন্ডল নিহত সুধা রানীর ছেলে এবং রমেশের চাচাতো ভাই।প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক কলহের জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রমেশ মন্ডল তাঁর মা, চাচি ও চাচাতো ভাইকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।পরে পরিবারের সদস্যরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন।আহত সমীর কুমার মন্ডলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত কমলা রানী মন্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত সুধা রানীর মরদেহ ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।
দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজা আটক
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাতিজা রমেশ মন্ডলের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা কমলা রানী মন্ডল (৫০) ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডল (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর রমেশ মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সুধা রানী মন্ডল ওই গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মন্ডল একই গ্রামের শ্রীদাম মন্ডলের ছেলে। আহত সমীর কুমার মন্ডল নিহত সুধা রানীর ছেলে এবং রমেশের চাচাতো ভাই।প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক কলহের জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রমেশ মন্ডল তাঁর মা, চাচি ও চাচাতো ভাইকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।পরে পরিবারের সদস্যরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন।আহত সমীর কুমার মন্ডলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত কমলা রানী মন্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত সুধা রানীর মরদেহ ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজা আটক
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাতিজা রমেশ মন্ডলের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা কমলা রানী মন্ডল (৫০) ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডল (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর রমেশ মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সুধা রানী মন্ডল ওই গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মন্ডল একই গ্রামের শ্রীদাম মন্ডলের ছেলে। আহত সমীর কুমার মন্ডল নিহত সুধা রানীর ছেলে এবং রমেশের চাচাতো ভাই।প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক কলহের জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রমেশ মন্ডল তাঁর মা, চাচি ও চাচাতো ভাইকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।পরে পরিবারের সদস্যরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন।আহত সমীর কুমার মন্ডলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত কমলা রানী মন্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত সুধা রানীর মরদেহ ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।