ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড সিটির ‘ইভাঞ্জেল চার্চ সেন্টার’-এ আগামী ১০ অক্টোবর বসছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। চলচ্চিত্র, সংগীত, নাটক ও ফ্যাশনসহ বিভিন্ন শাখায় সেরা তারকাদের সম্মাননা দেওয়া হবে এবারের আয়োজনে।দীর্ঘ পাঁচ বছর পর এই আয়োজনের মঞ্চে ফিরছেন ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান। সর্বশেষ ২০২১ সালে নিউইয়র্কের জামাইকায় অনুষ্ঠিত ১৯তম আসরে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এবার সম্মাননা গ্রহণ ও প্রদান করার পাশাপাশি বিশেষ পারফর্ম্যান্সেও অংশ নেবেন এই অভিনেতা।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নিরব, তমা মির্জা, স্পর্শিয়া, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, শিরীন শিলা এবং সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন ও এস আই টুটুল।বড় আয়োজনের প্রস্তুতিশো টাইম Music-এর সিইও খাইরুল ইসলাম খোকনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবারের আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মূল উপস্থাপনা ও প্রোগ্রাম প্ল্যানিংয়ের দায়িত্বে থাকছেন শারমিনা সিরাজ সোনিয়া। নেপথ্যে সহযোগিতা করছেন মেহেদী হাসান, সাফওয়াত গণি ও রকি আলিয়ানে।শারমিনা সিরাজ সোনিয়া বলেন, প্রথমবারের মতো ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডের মতো বড় আয়োজনের উপস্থাপনা করতে যাচ্ছি। শাকিব খানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আমাদের মিটিং সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য শিল্পীদের বিষয়েও সব চূড়ান্ত। আশা করছি এবারের আয়োজন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্ণাঢ্য হবে।স্মৃতিতে মনপুরাচঞ্চল চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালে ‘মনপুরা’ মুক্তির পর প্রথমবার এই অ্যাওয়ার্ডে অংশ নিয়েছিলাম। এরপর আরও কয়েকবার গিয়েছি। এবারের বর্ণিল আয়োজনের জন্য শুভকামনা রইল।গান দিয়ে দর্শক মাতাতে প্রস্তুত রিজিয়া পারভীনও। নিউইয়র্কের এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন স্পর্শিয়া ও কানাডায় অবস্থানরত শিরীন শিলাও। নাচ, গান, তারকাদের উপস্থিতি এবং পুরস্কার প্রদানের মধ্য দিয়ে ১০ অক্টোবর নিউইয়র্কে বসতে যাচ্ছে জমকালো এই সাংস্কৃতিক আসর। তবে এবারের আসরে কারা সম্মাননা পাচ্ছেন, তা জানতে ভক্তদের অপেক্ষা করতে হবে অনুষ্ঠানটির রাত পর্যন্ত।

১০ ঘন্টা আগে পড়ুন

সাইফের ঝড়, মোসাদ্দেকের পাল্টা আঘাতে জিতল টিম ‘এ’

সাইফ হাসানের ঝোড়ো ব্যাটিং, মোসাদ্দেক হোসেনের পাল্টা লড়াই আর বল হাতে মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত স্পেল সব মিলিয়ে জমে উঠেছিল ম্যাচটি। শেষ পর্যন্ত টিম ‘বি’কে ১১ রানে হারিয়েছে টিম ‘এ’।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাইফ হাসান। প্রতিপক্ষের একের পর এক বোলারকে সামলে ৫২ বলে ৭৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাটে ছিল ২টি চার ও ৬টি ছক্কা। তানজিদ হাসান তামিম ১৪ বলে ২৪ রান করে তাঁকে ভালো সঙ্গ দেন।সাইফের ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে টিম ‘এ’। টিম ‘বি’র হয়ে রিপন মন্ডল ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।মোসাদ্দেকের ঝড়েও হয়নি জয়১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি টিম ‘বি’র। সৌম্য সরকার ১৮ বলে ১৭ রান করে ফেরার পর নাঈম শেখ ও মোসাদ্দেক হোসেন মিলে পাল্টা লড়াই গড়ে তোলেন।তাঁদের জুটিতে ৩৮ বলে আসে ৬৭ রান। এর মধ্যে মোসাদ্দেক ছিলেন সবচেয়ে আগ্রাসী। মাত্র ২২ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। ১ চার ও ৫ ছক্কার ইনিংসটি থামার পর নাঈমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৬ বলে ৪০ রান করেন তিনি।শেষদিকে নুরুল হাসান সোহান ২০ বলে ২৯ রান করলেও টিম ‘বি’কে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানেই থামে তাদের ইনিংস।বল হাতে মুস্তাফিজের দাপটটিম ‘এ’র জয়ে ব্যাটারদের পাশাপাশি বড় অবদান রাখেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এই পেসার ৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। তাঁর করা ১৮ বলের মধ্যে ১১টিই ছিল ডট বল। শেষ পর্যন্ত সাইফের ব্যাটিং ও মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১১ রানের জয় পায় টিম ‘এ’।

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ১১ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭০

দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে দুজন এবং সিলেট, খুলনা ও রংপুর বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০১ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৭৫ জনের।গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৫৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। ফলে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৮৫১ জনে।এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম সন্দেহে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।

অপরাধে নো কম্প্রোমাইজ, বাড্ডা থানা জনমানুষের আস্থাস্থল: ওসি তদন্ত ইয়াসিন খন্দকার

রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তা, জনসেবায় আন্তরিকতা এবং অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় এসেছেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইয়াসিন খন্দকার। স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাপ্রত্যাশীদের অনেকে বলছেন, তাঁর আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ধরনে পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।দায়িত্ব পালনের সময় তিনি মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। অপরাধের সঙ্গে আপস না করে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও তাঁরা উল্লেখ করছেন।সেবা নিতে থানায় আসা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টার কথাও বলছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, একজন পুলিশ কর্মকর্তার পেশাদার আচরণ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলে।পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসিন খন্দকার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমন পুলিশের দায়িত্ব। বাড্ডা থানা এলাকায় মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং তাঁদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়, সে বিষয়েও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস নয়, তবে প্রতিটি পদক্ষেপই আইন ও বিধি মেনে নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই জনগণের অভিযোগ শোনা, প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেওয়া এবং অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, বাড্ডা থানা এলাকায় অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তাঁদের ভাষ্য, আইনের প্রতি দৃঢ়তা ও মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতা এই দুইয়ের সমন্বয়ই একটি থানাকে আরও জনবান্ধব করে তুলতে পারে।

বেলাব বিএনপির রাজনীতিতে সমন্বয়ের বার্তা

নরসিংদীর বেলাব উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় দলীয় রাজনীতিতে নানা ধরনের গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের খবর থাকলেও বেলাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লব ও সদস্যসচিব এম এ কাদের জলিল পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির অন্য নেতা-কর্মীরাও সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বেলাব রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের দিকনির্দেশনায় উপজেলা বিএনপির নেতারা সমন্বয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন বলে দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান।নেতা-কর্মীদের মতে, মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে দলীয় কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের ভাষ্য, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় থাকলে এলাকার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশও শান্তিপূর্ণ রাখার সুযোগ তৈরি হয়। বেলাব উপজেলা বিএনপির বর্তমান সমন্বয়ধর্মী কার্যক্রমকে তাঁরা সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখছেন।

সাইফ হাসানের ঝোড়ো ব্যাটিং, মোসাদ্দেক হোসেনের পাল্টা লড়াই আর বল হাতে মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত স্পেল সব মিলিয়ে জমে উঠেছিল ম্যাচটি। শেষ পর্যন্ত টিম ‘বি’কে ১১ রানে হারিয়েছে টিম ‘এ’।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাইফ হাসান। প্রতিপক্ষের একের পর এক বোলারকে সামলে ৫২ বলে ৭৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাটে ছিল ২টি চার ও ৬টি ছক্কা। তানজিদ হাসান তামিম ১৪ বলে ২৪ রান করে তাঁকে ভালো সঙ্গ দেন।সাইফের ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে টিম ‘এ’। টিম ‘বি’র হয়ে রিপন মন্ডল ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।মোসাদ্দেকের ঝড়েও হয়নি জয়১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি টিম ‘বি’র। সৌম্য সরকার ১৮ বলে ১৭ রান করে ফেরার পর নাঈম শেখ ও মোসাদ্দেক হোসেন মিলে পাল্টা লড়াই গড়ে তোলেন।তাঁদের জুটিতে ৩৮ বলে আসে ৬৭ রান। এর মধ্যে মোসাদ্দেক ছিলেন সবচেয়ে আগ্রাসী। মাত্র ২২ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। ১ চার ও ৫ ছক্কার ইনিংসটি থামার পর নাঈমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৬ বলে ৪০ রান করেন তিনি।শেষদিকে নুরুল হাসান সোহান ২০ বলে ২৯ রান করলেও টিম ‘বি’কে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানেই থামে তাদের ইনিংস।বল হাতে মুস্তাফিজের দাপটটিম ‘এ’র জয়ে ব্যাটারদের পাশাপাশি বড় অবদান রাখেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এই পেসার ৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। তাঁর করা ১৮ বলের মধ্যে ১১টিই ছিল ডট বল। শেষ পর্যন্ত সাইফের ব্যাটিং ও মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১১ রানের জয় পায় টিম ‘এ’।

দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে দুজন এবং সিলেট, খুলনা ও রংপুর বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০১ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৭৫ জনের।গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৫৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। ফলে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৮৫১ জনে।এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম সন্দেহে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।

রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তা, জনসেবায় আন্তরিকতা এবং অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় এসেছেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইয়াসিন খন্দকার। স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাপ্রত্যাশীদের অনেকে বলছেন, তাঁর আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ধরনে পুলিশের প্রতি তাঁদের আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।দায়িত্ব পালনের সময় তিনি মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। অপরাধের সঙ্গে আপস না করে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও তাঁরা উল্লেখ করছেন।সেবা নিতে থানায় আসা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টার কথাও বলছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, একজন পুলিশ কর্মকর্তার পেশাদার আচরণ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলে।পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসিন খন্দকার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমন পুলিশের দায়িত্ব। বাড্ডা থানা এলাকায় মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং তাঁদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়, সে বিষয়েও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস নয়, তবে প্রতিটি পদক্ষেপই আইন ও বিধি মেনে নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই জনগণের অভিযোগ শোনা, প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেওয়া এবং অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, বাড্ডা থানা এলাকায় অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তাঁদের ভাষ্য, আইনের প্রতি দৃঢ়তা ও মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতা এই দুইয়ের সমন্বয়ই একটি থানাকে আরও জনবান্ধব করে তুলতে পারে।

নরসিংদীর বেলাব উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় দলীয় রাজনীতিতে নানা ধরনের গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের খবর থাকলেও বেলাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লব ও সদস্যসচিব এম এ কাদের জলিল পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির অন্য নেতা-কর্মীরাও সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বেলাব রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের দিকনির্দেশনায় উপজেলা বিএনপির নেতারা সমন্বয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন বলে দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান।নেতা-কর্মীদের মতে, মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে দলীয় কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের ভাষ্য, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় থাকলে এলাকার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশও শান্তিপূর্ণ রাখার সুযোগ তৈরি হয়। বেলাব উপজেলা বিএনপির বর্তমান সমন্বয়ধর্মী কার্যক্রমকে তাঁরা সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখছেন।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে’, ‘আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।পুলিশের ব্যর্থতার দায় নিতে হবেইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আজ শুধু অপ্রতিমের জন্য এখানে আসিনি। এটি সারা বাংলাদেশের চিত্র। কুমিল্লাতেও প্রতিনিয়ত এসব হচ্ছে। এর পরও পুলিশ সুপার অ্যাওয়ার্ড পান। আমরা অপ্রতিম হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণই পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা। পুলিশ বলে, “ক্লু পেয়েছি, ক্লু পেয়েছি”; কিন্তু কী ক্লু তারা পেয়েছে, তা আমরা জানি না। এই ব্যর্থতার দায় তারা যতক্ষণ না নেবে, আমরা ততক্ষণ রাস্তায় আছি।’এর আগে দেওয়া হয়েছিল ১২ ঘণ্টার আলটিমেটামঅপ্রতিম হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতসহ চার দফা দাবি তুলে ধরেন তাঁরা।শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।এ ছাড়া কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, সদর দক্ষিণ থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বশীলদের স্বীকার করা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানানো হয়।শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কুমিল্লা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় মহাসড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।কুবি শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, ‘আমরা ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে এসপিকে আমাদের কাছে এসে তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে হবে। দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব।’তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি ঘটনার বিষয় নয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, আমরা তা দেখব। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবস্থান অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে।

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গরু চুরির অভিযোগে রামগঞ্জে বিএনপি নেতা বহিষ্কার

গরু চুরির অভিযোগে রামগঞ্জে বিএনপি নেতা বহিষ্কার

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে গরু চুরির ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।বহিষ্কৃত নেতা মো. তাজুল ইসলাম রামগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।১০ নম্বর ভাটরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু হান্নান লাভলু ও সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুস্পষ্ট ও গুরুতর অভিযোগে মো. তাজুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু হান্নান লাভলু জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।ঘটনার বিষয়ে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নলচারা গ্রামের হতদরিদ্র ফাতেমা আক্তারের গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, তাজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন। পরে চক্রের সদস্যরা একটি গরু বিক্রি করে দেন এবং অন্য গরুটি পাশের ভোলাকোট ইউনিয়নের টিওরী (৩ নম্বর) ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখেন।এ ঘটনায় রামগঞ্জ থানায় একটি চুরির মামলা করা হয়। মামলার সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ চুরি হওয়া দুটি গরুই উদ্ধার করেছে।রামগঞ্জ থানার পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া ও অধিকতর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার

গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, এর আগে গুলশানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ জনসহ মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।মামলায় ১১৮ জনের নামঘটনার পর গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শনিবার ২৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পটিয়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

পটিয়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ২৫ কোটি চারা গাছ রোপণের অংশ হিসেবে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনামুল হক এনাম বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রথম ধাপে পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০০টি চারা বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক ও সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম।আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম তোহার স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, এস আলম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন ও হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল দে।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহনাজ আকতার ও শিক্ষক নুরুল আমিন।

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী

দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী

দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।  

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদ্মা ব্যারেজ ঘিরে ১৯ জেলায় নতুন আশার আলো

পদ্মা ব্যারেজ ঘিরে ১৯ জেলায় নতুন আশার আলো

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার মানুষের মধ্যে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। গত ১৩ মে জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির নীতিগত সিদ্ধান্ত হওয়ার পর এলাকাবাসীর মধ্যে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।শুক্রবার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর এলাকায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে যান অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ।সাইট পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য পদ্মা ব্যারেজের মতো বড় প্রকল্পের প্রয়োজন ছিল। এটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন। তাঁর ভাষ্য, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। প্রকল্পটির নির্মাণে সরকারি তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় করা হবে।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা নদীর ওপর ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট থেকে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের কাঞ্চনপার্ক পর্যন্ত হবে এর অবস্থান।প্রকল্পটির জন্য একনেকের সভায় ৩৪ হাজার ৩৪৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ব্যারেজ নির্মাণের পাশাপাশি নদীশাসন, অ্যাপ্রোচ সড়ক, পাকা সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়ার হিসনা নদী এবং চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা ও গড়াই নদীশাসনের কাজও প্রকল্পের আওতায় রয়েছে।পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিচালক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ বলেন, ব্যারেজ নির্মাণের দুই পাড়ের স্থান ইতিমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক (ডিজি), প্রধান প্রকৌশলী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।হাসান মাহমুদ আরও বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ১৯ জেলার মানুষ এর সুফল পাবেন। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সড়ক ও রেল যোগাযোগের জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে। প্রকল্পের সুফল পাওয়ার সম্ভাব্য ১৯ জেলার মধ্যে রয়েছে উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা এবং দক্ষিণাঞ্চলের রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া।

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষককে পিটিয়ে পুলিশের কাছে দিল স্থানীয়রা, অভিযোগ ধর্ষণের

শিক্ষককে পিটিয়ে পুলিশের কাছে দিল স্থানীয়রা, অভিযোগ ধর্ষণের

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরান (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে মারধর করার পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে শিশুটি পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ায় তার বাবা-মা বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। পরে সোমবার তাকে সুধারাম থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।হাসপাতালে শিশুটি পরিবারের কাছে অভিযোগ করে, গত পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসাশিক্ষক মোবারক হোসেন ওরফে এমরান তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেছেন।পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁর নিজের বাসায় শিশুটিকে প্রাইভেট পড়াতেন। সেখানেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের মারধরে আহত হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে পুলিশ পাহারায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অভিযুক্ত এমরান উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের গোলাম কিবরিয়ার ছেলে। আর ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের বাসায় শিশুটিকে প্রাইভেট পড়াতেন। পরিবারের অভিযোগ, সেখানেই তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে মোবারক হোসেন ওরফে এমরানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার মৃত্যু

বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর বিএনপি নেতার মৃত্যু

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণায় বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছেন বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম খোকন। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেজ ছেলে সাঈদ।সাইফুল ইসলাম খোকন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবারও সুহিলপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী শোডাউন ও গণসংযোগ করেন সাইফুল ইসলাম খোকন। দিনভর প্রচারণা শেষে সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি।সেখানে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বর্তমান সংসদ সদস্য তাঁকেই নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবেন। পথসভা ও গণসংযোগ শেষে রাতে বাড়ি ফিরে নৈশভোজ সেরে ঘুমিয়ে পড়েন সাইফুল ইসলাম খোকন। পরে রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে সাইফুল ইসলাম খোকনের চেয়ারম্যান হওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। সোমবারও তিনি সারা দিন তাঁদের সঙ্গে পুরো ইউনিয়নে গণসংযোগ করেছেন। কিন্তু গভীর রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনতে হয়েছে। এমন আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন।চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। শোডাউনে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না।’ এমন বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যুতে তাঁরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, তাঁর মরহুম পিতার সময় থেকেই সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনা উপজেলা বিএনপিতে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ডায়াবেটিক হাসপাতাল এক বছর পরও চালু হয়নি

সুনামগঞ্জের ডায়াবেটিক হাসপাতাল এক বছর পরও চালু হয়নি

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য নির্মিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত ডায়াবেটিক হাসপাতালের ভবন নির্মাণের এক বছর পার হলেও চালু হয়নি চিকিৎসাসেবা। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন নতুন ভবনটি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের অভাবে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। এতে একদিকে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো ডায়াবেটিস রোগী, অন্যদিকে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভবনটির।সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলীপাড়ায় নির্মিত এই হাসপাতালকে হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৫০ শয্যার হাসপাতাল প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে হাসপাতাল ভবন নির্মাণে ১১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার চুক্তিতে কাজের দায়িত্ব পায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চে হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নানা কারণে তা দফায় দফায় পিছিয়ে যায়। অবশেষে বিভিন্ন জটিলতা পেরিয়ে ২০২৫ সালে ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। তবে নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সরঞ্জাম হস্তান্তর না হওয়ায় হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।ভবন হস্তান্তরের সময়ও বিভিন্ন ত্রুটি ধরা পড়ে। হাসপাতালের কয়েকটি স্থানে সীমানাপ্রাচীর ও মেঝেতে ফাটলসহ নানা সমস্যা দেখা যায়। পরে এসব ত্রুটি সংশোধনের শর্তে ভবনটি গ্রহণ করে ‘সুনামগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি’।চিকিৎসাসেবা না পেয়ে রোগীদের ক্ষোভস্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীরা বলছেন, জেলায় দিন দিন ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু এখানে ভালো চিকিৎসার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফলে অনেক রোগীকে বাড়তি টাকা খরচ করে সিলেট কিংবা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়।তাঁরা দ্রুত হাসপাতালটি চালু করার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য নির্মিত এই বিশেষায়িত হাসপাতাল দ্রুত প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র দিয়ে চালু করা হবে।হাসপাতালের জমিদাতার সন্তান মো. সাদেক খন্দকার বলেন, দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে তাঁর বাবা হাসপাতালের জন্য জায়গা দান করেছিলেন। কিন্তু ভবন নির্মাণের পর এক বছর পার হলেও হাসপাতাল চালু না হওয়ায় দরিদ্র রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস রোগী রওনক বখত এবং স্থানীয় বাসিন্দা ফাত্তাহ কাওসার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবন এভাবে ফেলে রাখা দুঃখজনক।সরঞ্জাম পেলেই চালুর আশাসুনামগঞ্জ ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনোওয়ার আলী বলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র এখনো তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। কিছু সরঞ্জাম কেনা হয়েছে বলে তাঁরা জেনেছেন, তবে সেগুলো এখনো বুঝে পাননি।তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র পাওয়া গেলে দ্রুত হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা চালু করা সম্ভব হবে। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকায় একদিকে যেমন হাওরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না, অন্যদিকে অব্যবহৃত অবস্থায় ভবন ও স্থাপনা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দুলাল সরকার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুলাল সরকার
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

১৪ ঘন্টা আগে
অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে’, ‘আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।পুলিশের ব্যর্থতার দায় নিতে হবেইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আজ শুধু অপ্রতিমের জন্য এখানে আসিনি। এটি সারা বাংলাদেশের চিত্র। কুমিল্লাতেও প্রতিনিয়ত এসব হচ্ছে। এর পরও পুলিশ সুপার অ্যাওয়ার্ড পান। আমরা অপ্রতিম হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণই পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা। পুলিশ বলে, “ক্লু পেয়েছি, ক্লু পেয়েছি”; কিন্তু কী ক্লু তারা পেয়েছে, তা আমরা জানি না। এই ব্যর্থতার দায় তারা যতক্ষণ না নেবে, আমরা ততক্ষণ রাস্তায় আছি।’এর আগে দেওয়া হয়েছিল ১২ ঘণ্টার আলটিমেটামঅপ্রতিম হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতসহ চার দফা দাবি তুলে ধরেন তাঁরা।শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।এ ছাড়া কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, সদর দক্ষিণ থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বশীলদের স্বীকার করা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানানো হয়।শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কুমিল্লা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় মহাসড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।কুবি শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, ‘আমরা ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে এসপিকে আমাদের কাছে এসে তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে হবে। দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব।’তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি ঘটনার বিষয় নয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, আমরা তা দেখব। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবস্থান অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে।

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, এর আগে গুলশানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ জনসহ মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।মামলায় ১১৮ জনের নামঘটনার পর গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শনিবার ২৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার

পটিয়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ২৫ কোটি চারা গাছ রোপণের অংশ হিসেবে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনামুল হক এনাম বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রথম ধাপে পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০০টি চারা বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক ও সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম।আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম তোহার স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, এস আলম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন ও হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল দে।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহনাজ আকতার ও শিক্ষক নুরুল আমিন।

পটিয়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী

দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।  

দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু
অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘অপ্রতিম হত্যার প্রশাসন জবাব দে’, ‘আমার মা কাঁদে কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।পুলিশের ব্যর্থতার দায় নিতে হবেইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আজ শুধু অপ্রতিমের জন্য এখানে আসিনি। এটি সারা বাংলাদেশের চিত্র। কুমিল্লাতেও প্রতিনিয়ত এসব হচ্ছে। এর পরও পুলিশ সুপার অ্যাওয়ার্ড পান। আমরা অপ্রতিম হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণই পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা। পুলিশ বলে, “ক্লু পেয়েছি, ক্লু পেয়েছি”; কিন্তু কী ক্লু তারা পেয়েছে, তা আমরা জানি না। এই ব্যর্থতার দায় তারা যতক্ষণ না নেবে, আমরা ততক্ষণ রাস্তায় আছি।’এর আগে দেওয়া হয়েছিল ১২ ঘণ্টার আলটিমেটামঅপ্রতিম হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতসহ চার দফা দাবি তুলে ধরেন তাঁরা।শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।এ ছাড়া কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, সদর দক্ষিণ থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বশীলদের স্বীকার করা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানানো হয়।শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কুমিল্লা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় মহাসড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।কুবি শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, ‘আমরা ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে এসপিকে আমাদের কাছে এসে তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে হবে। দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব।’তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি ঘটনার বিষয় নয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, আমরা তা দেখব। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবস্থান অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে।

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, এর আগে গুলশানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ জনসহ মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।মামলায় ১১৮ জনের নামঘটনার পর গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শনিবার ২৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার

পটিয়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ২৫ কোটি চারা গাছ রোপণের অংশ হিসেবে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনামুল হক এনাম বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রথম ধাপে পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০০টি চারা বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক ও সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম।আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম তোহার স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, এস আলম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন ও হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল দে।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহনাজ আকতার ও শিক্ষক নুরুল আমিন।

পটিয়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী

দেশে আর যেন অন্ধকার ও দুর্দিন ফিরে না আসে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।রিজভী বলেন, একসময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং রক্তের হোলি খেলেছে।তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারের অপেক্ষার এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দলটি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।স্মরণসভায় ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের হাতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী।২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ।ঘরের চাবি পেয়ে হারুনুর রশিদের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তাঁর পরিবারের দুঃখ ঘুচেছে।স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব এবং কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমেদ।সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার।স্মরণসভা শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী।  

দেশে আর যেন অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী
হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ কারাগারে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা হত্যা মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত জয়নাল আবেদিন (৪২) নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার বেগমপুর এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ২০ এপ্রিল জয়নাল আবেদিনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়নাল। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জেলার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার জয়নাল আবেদিনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...