নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে সামিরা খান মাহীকে নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকদের। সাবলীল অভিনয় এবং বৈচিত্র্যময় চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা তাঁর কাজগুলোতে স্পষ্ট। ইমরাউল রাফাত পরিচালিত ‘বকুল ফুল’ নাটকে পাগলি চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ‘বিয়ে করতে গিয়ে’, ‘সকাল বিকাল রাত্রি’, ‘গার্লস স্কোয়াড’সহ বেশ কিছু নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।মাহী মনে করেন, একই ধরনের চরিত্রে আটকে না থেকে অভিনয়ে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। দর্শকের পছন্দের বিষয়টি মাথায় রেখেও নিজের অভিনয়ের পরিধি বাড়াতে চান তিনি। নিজের অভিনয়জীবন, জনপ্রিয়তা, বৈচিত্র্যময় চরিত্র ও সিনেমায় কাজের ইচ্ছা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।যেভাবে অভিনয়ে এলেন২০১৪ সালে ‘র্যাং আরটিভি ২০ ২০ কালারস মডেল সার্চ প্রতিযোগিতা’র মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন সামিরা খান মাহী। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়ে মডেলিংয়ে পা রাখেন তিনি। এরপর বাংলালিংক, প্রাইড গার্লস, সেলরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেন।অভিনয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হয় ধারাবাহিক নাটক ‘তরুণ তুর্কী’র মাধ্যমে। এরপর ‘পারিবারিক গোলযোগ’, ‘নীড় খোঁজে গাঙচিল’, ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’, ‘শুভ্রার ওয়ারড্রব’, ‘আকাশ বাড়িয়ে দাও’, ‘ম্যাচিং ব্রাদার’, ‘এক পা দু-পা’সহ বিভিন্ন নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে টেলিফিল্ম ‘মায়াবী ফারিহা’ এবং ওয়েব সিরিজ ‘গার্লস স্কোয়াড’।‘গার্লস স্কোয়াড’, ‘হাঙর’ ও ‘বকুল ফুল’ যে পরিবর্তন আনলনিজের ক্যারিয়ারের মোড় ঘোরার সময় হিসেবে ‘গার্লস স্কোয়াড’, ‘হাঙর’ ও ‘বকুল ফুল’-এ অভিনয়ের সময়টিকে উল্লেখ করেছেন মাহী। তাঁর ভাষ্য, ওই সময় আরও কয়েকটি নাটকে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। এরপর থেকেই দর্শক তাঁকে আরও গুরুত্ব দিয়ে নিতে শুরু করেন।মাহী বলেন, একসময় দর্শকের নাটক দেখার প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিভিশন। এখন ইউটিউবেও নাটক দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন শিল্পীদের আসাটাও স্বাভাবিক। তাঁদের মধ্য থেকে দর্শক পছন্দের শিল্পীকে গ্রহণ করে নেবেন।তাঁর মতে, জনপ্রিয়তা পাওয়া আগের তুলনায় কিছুটা সহজ হলেও সেটি ধরে রাখা কঠিন। মাহী বলেন, তিনি যে সময়ে অভিনয় শুরু করেন, তখন তাঁর সঙ্গে আরও প্রায় ২০ জন শিল্পী এসেছিলেন। সবাই একইভাবে দর্শকের কাছে জায়গা করে নিতে পারেননি। তাঁর ভাষায়, দর্শকের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে ভালোবাসা পাওয়া খুব কঠিন। অল্প সময়ে দর্শকের ভালোবাসা পাওয়াকে নিজের সৌভাগ্য মনে করেন তিনি।‘ভার্সেটাইল অভিনেত্রী হতে চাই’নিজেকে একটি নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রের মধ্যে আটকে রাখতে চান না সামিরা খান মাহী। তাঁর ইচ্ছা, সব ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা।তবে তাঁর মতে, দর্শক কোনো শিল্পীকে একটি নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রে বেশি পছন্দ করলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। ভিউয়ের বিষয়টিও তখন সামনে আসে। যদিও ভালো কাজের ক্ষেত্রে সব সময় ভিউকে গুরুত্ব দিতে চান না তিনি।মাহী মনে করেন, শিল্পীরা যদি নিয়মিত নতুন কিছু দর্শকদের উপহার দেন, তাহলে ধীরে ধীরে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতার জায়গাটিও তৈরি হবে। একই ধরনের কাজ বারবার করতে থাকলে নতুন কিছু করার সুযোগ কমে যায়। এ কারণে কখনো কখনো তাঁর মন খারাপ হয় বলেও জানান তিনি।‘সবার নিজস্বতা থাকা দরকার’অভিনয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিল্পীর নিজস্বতা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন মাহী। নিজের বিশেষ দক্ষতা হিসেবে সিলেটি ভাষায় কথা বলার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দর্শকও এটি পছন্দ করেন।তাঁকে কেউ বড়লোকের চরিত্রে ভালো মানানসই মনে করেন, আবার গ্রামের চরিত্রেও ভালো করার কথা বলেন। তবে অন্য কোনো অভিনেত্রীকে নিজের প্রতিযোগী মনে করেন না মাহী।তাঁর মতে, কাউকে প্রতিযোগী ভাবলে হিংসার বিষয়টি চলে আসতে পারে। বরং সবার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে চান তিনি।‘আমি একদম পানির মতো’নিজের অভিনয়ের ধরন বোঝাতে মাহী বলেন, তিনি অনেকটা পানির মতো। যে পাত্রে রাখা হয়, সেই পাত্রের আকার ধারণ করেন।মাহীর ভাষায়, তিনি মনে করেন না যে কেউ তাঁকে প্রতিযোগী হিসেবে দেখেন। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করাও তাঁর পছন্দ নয়।‘হাওয়া’ দেখে সিনেমার আগ্রহ‘হাওয়া’ সিনেমাটি দেখার পর বড় পর্দায় অভিনয়ের আগ্রহ তৈরি হয়েছে সামিরা খান মাহীর। তবে শুধু গ্ল্যামারনির্ভর চরিত্র নয়, গল্প ও চরিত্রের গুরুত্বকেই বেশি প্রাধান্য দিতে চান তিনি।‘হাওয়া’ সিনেমার উদাহরণ দিয়ে মাহী বলেন, সিনেমাটিতে তুষিকে খুব বেশি গ্ল্যামারাসভাবে উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু তাঁর চরিত্রটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের চরিত্রেই কাজ করতে চান তিনি।কম কাজ হলেও বেছে কাজ করতে চানগতানুগতিক অভিনেত্রী হতে চান না মাহী। তাই যেকোনো গল্প বা চরিত্রে অভিনয় করার পক্ষপাতী নন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে বরাবরই বৈচিত্র্য রাখতে চান। গল্প ও চরিত্র বাছাইয়ের কারণে অন্যদের তুলনায় তাঁর কাজের সংখ্যা কিছুটা কম হলেও এতে আপত্তি নেই তাঁর। বরং ভালো কাজের সংখ্যা কম হলেও তা দীর্ঘদিন দর্শকের মনে জায়গা করে রাখতে পারে—এমনটাই বিশ্বাস সামিরা খান মাহীর।
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পড়ুনচার ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রস্তাবিত চারটি ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো- বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ৫২টি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করেছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়। অন্যদিকে, কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে নীতিমালার শর্ত পূরণের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবারের সভায় নতুন চারটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও প্রাথমিক লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জাতিসংঘে বৃহস্পতিবার প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটিই তাঁর প্রথম বক্তব্য। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে, যা বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৩টা।নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, দেশের আবেগ, অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলায় বক্তব্য দেবেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।মাহ্দী আমিন বলেন, এর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এর আগে তাঁর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলায় আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের আমন্ত্রণে ওই সভা অনুষ্ঠিত হবে।সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উন্নয়ন সহযোগিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে।এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। অধিবেশনকে কেন্দ্র করে বিশ্বনেতারা বৈশ্বিক সংকট, শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করছেন।নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন। জাতিসংঘের অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হচ্ছে।
সড়ক নিরাপত্তায় চালকদের দক্ষতা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে গুরুত্ব: সড়ক প্রতিমন্ত্রী
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, চালকদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) ভবনে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ও নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে চালকদের চক্ষু পরীক্ষা ও বিনা মূল্যে চশমা প্রদান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।হাবিবুর রশিদ বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আজকের কর্মসূচি সেই সমন্বিত উদ্যোগেরই একটি অংশ।তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গাড়িচালকদের পর্যায়ক্রমে চক্ষু পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।সড়ক পরিবহনব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও জনবান্ধব করা হবেসড়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের সড়ক পরিবহনব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সরকার কাজ করছে।প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে এবং যার যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে, তা পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।বিদ্যমান সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবেহাবিবুর রশিদ বলেন, সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও বিদ্যমান সক্ষমতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে সব বাধা অতিক্রম করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।একই সঙ্গে যাত্রী, চালক ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।সড়ক প্রতিমন্ত্রী কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভবিষ্যতে আরও ব্যাপকভাবে সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করার আহ্বান জানান। এ ধরনের উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও আশ্বাস দেন তিনি।
মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন, মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা বাবা-মায়ের
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাইফান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম এবং রাহা কায়েসের মেয়ে মেহেরিমা কায়েসের আজ জন্মদিন।রাজধানীর একটি সুনামধন্য পার্টি সেন্টারে বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাত ১২টায় কেক কেটে মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।জন্মদিনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য রাখা হয় নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। বিভিন্ন পদে সাজানো খাবার অতিথিদের আপ্যায়ন করে। আয়োজনে উপস্থিত অতিথিরা খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদের প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।ছোট্ট ও মিষ্টি মেয়ে মেহেরিমার জন্মদিনে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। জন্মদিনটি শুভ ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে পরিবারের সবার কাছে। মেহেরিমার পথচলা আরও প্রাণবন্ত, সুন্দর ও সুখময় হোক এমন প্রত্যাশা পরিবারের।মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মা রাহা কায়েস সবার কাছে মেহেরিমার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি চান, জীবনের প্রতিটি ধাপে মেহেরিমা ভালোবাসা, আনন্দ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে এগিয়ে যাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি নতুন দিন যেন বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সাফল্য এমন প্রত্যাশাও পরিবারের।মেহেরিমার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে তার বাবা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী। তার এই মিষ্টভাষিতা ও ভদ্রতা যেন সারা জীবন তার মধ্যে থাকে সেই কামনা করি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, সে যেন মানুষের কল্যাণে মানুষের পাশে থাকতে পারে।জন্মদিনে মেহেরিমার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রইল ভালোবাসা ও শুভকামনা। নতুন বয়সে তার পথচলা হোক আনন্দময়, সুন্দর ও মানবিকতায় পূর্ণ। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল ও সুখময়, এমন শুভকামনাই পরিবার ও স্বজনদের।
মক্কা জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান, উদ্বেগে ভারত
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬পাঁচ বছর পর ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে শাকিব খান
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রস্তাবিত চারটি ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো- বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ৫২টি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করেছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়। অন্যদিকে, কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে নীতিমালার শর্ত পূরণের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবারের সভায় নতুন চারটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও প্রাথমিক লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটিই তাঁর প্রথম বক্তব্য। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে, যা বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৩টা।নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, দেশের আবেগ, অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলায় বক্তব্য দেবেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।মাহ্দী আমিন বলেন, এর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এর আগে তাঁর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলায় আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের আমন্ত্রণে ওই সভা অনুষ্ঠিত হবে।সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উন্নয়ন সহযোগিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে।এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। অধিবেশনকে কেন্দ্র করে বিশ্বনেতারা বৈশ্বিক সংকট, শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করছেন।নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন। জাতিসংঘের অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হচ্ছে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, চালকদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) ভবনে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ও নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে চালকদের চক্ষু পরীক্ষা ও বিনা মূল্যে চশমা প্রদান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।হাবিবুর রশিদ বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আজকের কর্মসূচি সেই সমন্বিত উদ্যোগেরই একটি অংশ।তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গাড়িচালকদের পর্যায়ক্রমে চক্ষু পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।সড়ক পরিবহনব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও জনবান্ধব করা হবেসড়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের সড়ক পরিবহনব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সরকার কাজ করছে।প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে এবং যার যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে, তা পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।বিদ্যমান সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবেহাবিবুর রশিদ বলেন, সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও বিদ্যমান সক্ষমতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে সব বাধা অতিক্রম করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।একই সঙ্গে যাত্রী, চালক ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।সড়ক প্রতিমন্ত্রী কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভবিষ্যতে আরও ব্যাপকভাবে সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করার আহ্বান জানান। এ ধরনের উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও আশ্বাস দেন তিনি।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাইফান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম এবং রাহা কায়েসের মেয়ে মেহেরিমা কায়েসের আজ জন্মদিন।রাজধানীর একটি সুনামধন্য পার্টি সেন্টারে বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাত ১২টায় কেক কেটে মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।জন্মদিনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য রাখা হয় নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। বিভিন্ন পদে সাজানো খাবার অতিথিদের আপ্যায়ন করে। আয়োজনে উপস্থিত অতিথিরা খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদের প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।ছোট্ট ও মিষ্টি মেয়ে মেহেরিমার জন্মদিনে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। জন্মদিনটি শুভ ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে পরিবারের সবার কাছে। মেহেরিমার পথচলা আরও প্রাণবন্ত, সুন্দর ও সুখময় হোক এমন প্রত্যাশা পরিবারের।মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মা রাহা কায়েস সবার কাছে মেহেরিমার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি চান, জীবনের প্রতিটি ধাপে মেহেরিমা ভালোবাসা, আনন্দ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে এগিয়ে যাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি নতুন দিন যেন বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সাফল্য এমন প্রত্যাশাও পরিবারের।মেহেরিমার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে তার বাবা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী। তার এই মিষ্টভাষিতা ও ভদ্রতা যেন সারা জীবন তার মধ্যে থাকে সেই কামনা করি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, সে যেন মানুষের কল্যাণে মানুষের পাশে থাকতে পারে।জন্মদিনে মেহেরিমার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রইল ভালোবাসা ও শুভকামনা। নতুন বয়সে তার পথচলা হোক আনন্দময়, সুন্দর ও মানবিকতায় পূর্ণ। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল ও সুখময়, এমন শুভকামনাই পরিবার ও স্বজনদের।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন, মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা বাবা-মায়ের
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাইফান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম এবং রাহা কায়েসের মেয়ে মেহেরিমা কায়েসের আজ জন্মদিন।রাজধানীর একটি সুনামধন্য পার্টি সেন্টারে বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাত ১২টায় কেক কেটে মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।জন্মদিনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য রাখা হয় নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। বিভিন্ন পদে সাজানো খাবার অতিথিদের আপ্যায়ন করে। আয়োজনে উপস্থিত অতিথিরা খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদের প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।ছোট্ট ও মিষ্টি মেয়ে মেহেরিমার জন্মদিনে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। জন্মদিনটি শুভ ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে পরিবারের সবার কাছে। মেহেরিমার পথচলা আরও প্রাণবন্ত, সুন্দর ও সুখময় হোক এমন প্রত্যাশা পরিবারের।মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মা রাহা কায়েস সবার কাছে মেহেরিমার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি চান, জীবনের প্রতিটি ধাপে মেহেরিমা ভালোবাসা, আনন্দ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে এগিয়ে যাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি নতুন দিন যেন বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সাফল্য এমন প্রত্যাশাও পরিবারের।মেহেরিমার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে তার বাবা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী। তার এই মিষ্টভাষিতা ও ভদ্রতা যেন সারা জীবন তার মধ্যে থাকে সেই কামনা করি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, সে যেন মানুষের কল্যাণে মানুষের পাশে থাকতে পারে।জন্মদিনে মেহেরিমার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রইল ভালোবাসা ও শুভকামনা। নতুন বয়সে তার পথচলা হোক আনন্দময়, সুন্দর ও মানবিকতায় পূর্ণ। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল ও সুখময়, এমন শুভকামনাই পরিবার ও স্বজনদের।
মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন, মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা বাবা-মায়ের
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাইফান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম এবং রাহা কায়েসের মেয়ে মেহেরিমা কায়েসের আজ জন্মদিন।রাজধানীর একটি সুনামধন্য পার্টি সেন্টারে বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাত ১২টায় কেক কেটে মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।জন্মদিনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য রাখা হয় নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। বিভিন্ন পদে সাজানো খাবার অতিথিদের আপ্যায়ন করে। আয়োজনে উপস্থিত অতিথিরা খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদের প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।ছোট্ট ও মিষ্টি মেয়ে মেহেরিমার জন্মদিনে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। জন্মদিনটি শুভ ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে পরিবারের সবার কাছে। মেহেরিমার পথচলা আরও প্রাণবন্ত, সুন্দর ও সুখময় হোক এমন প্রত্যাশা পরিবারের।মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মা রাহা কায়েস সবার কাছে মেহেরিমার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি চান, জীবনের প্রতিটি ধাপে মেহেরিমা ভালোবাসা, আনন্দ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে এগিয়ে যাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি নতুন দিন যেন বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সাফল্য এমন প্রত্যাশাও পরিবারের।মেহেরিমার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে তার বাবা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী। তার এই মিষ্টভাষিতা ও ভদ্রতা যেন সারা জীবন তার মধ্যে থাকে সেই কামনা করি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, সে যেন মানুষের কল্যাণে মানুষের পাশে থাকতে পারে।জন্মদিনে মেহেরিমার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রইল ভালোবাসা ও শুভকামনা। নতুন বয়সে তার পথচলা হোক আনন্দময়, সুন্দর ও মানবিকতায় পূর্ণ। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল ও সুখময়, এমন শুভকামনাই পরিবার ও স্বজনদের।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন, মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা বাবা-মায়ের
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাইফান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম এবং রাহা কায়েসের মেয়ে মেহেরিমা কায়েসের আজ জন্মদিন।রাজধানীর একটি সুনামধন্য পার্টি সেন্টারে বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাত ১২টায় কেক কেটে মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।জন্মদিনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য রাখা হয় নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। বিভিন্ন পদে সাজানো খাবার অতিথিদের আপ্যায়ন করে। আয়োজনে উপস্থিত অতিথিরা খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদের প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।ছোট্ট ও মিষ্টি মেয়ে মেহেরিমার জন্মদিনে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। জন্মদিনটি শুভ ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে পরিবারের সবার কাছে। মেহেরিমার পথচলা আরও প্রাণবন্ত, সুন্দর ও সুখময় হোক এমন প্রত্যাশা পরিবারের।মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মা রাহা কায়েস সবার কাছে মেহেরিমার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি চান, জীবনের প্রতিটি ধাপে মেহেরিমা ভালোবাসা, আনন্দ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে এগিয়ে যাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি নতুন দিন যেন বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সাফল্য এমন প্রত্যাশাও পরিবারের।মেহেরিমার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে তার বাবা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী। তার এই মিষ্টভাষিতা ও ভদ্রতা যেন সারা জীবন তার মধ্যে থাকে সেই কামনা করি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, সে যেন মানুষের কল্যাণে মানুষের পাশে থাকতে পারে।জন্মদিনে মেহেরিমার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রইল ভালোবাসা ও শুভকামনা। নতুন বয়সে তার পথচলা হোক আনন্দময়, সুন্দর ও মানবিকতায় পূর্ণ। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল ও সুখময়, এমন শুভকামনাই পরিবার ও স্বজনদের।