নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্ট্রাটেজি ও তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। প্রয়োজনে ইসির ঘোষিত সময় পেছানো বা এগিয়ে দেওয়া হতে পারে।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন দুটি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচন। এর বাইরে অন্যান্য নির্বাচন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন নিজেদের মতো করে সময় ঘোষণা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যকেই বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।আজ সকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই। এর আগে নির্বাচন কমিশন নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এ নিয়ে কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টিকে ‘গ্যাপ’ হিসেবে দেখার কিছু নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ক্ষমতার মধ্যে থেকেই কাজ করবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার কবে নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। একটা টাইমলাইন তো আপনাদের কাছে জানানো হয়েছে। এটাকে ফলো করে সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোলাবোরেট করে নির্বাচনে যাবে। নির্বাচন তো করবেই, নির্বাচন তো হবেই এটা নিয়ে কোনো কনফিউশনের কিছু নেই।তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়কে সরকারের সিদ্ধান্তের নির্দিষ্ট টাইমলাইন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সরকার চাইলে ওই সময়ে নির্বাচন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আবার আলোচনার মাধ্যমে সময় পেছানো বা এগিয়ে নেওয়াও হতে পারে। ফলে ইসি যে তারিখ ঘোষণা করেছে, ঠিক সেই তারিখেই নির্বাচন হবে এমনটি নিশ্চিত করে বলা যায় না।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে কি না, এমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন পরিবর্তন করে কোনো কোনো নির্বাচন সরকারের মাধ্যমে আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া সম্ভব। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দুটি নির্বাচন স্বতন্ত্রভাবে পায়, আর অন্যান্য নির্বাচন আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়।ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময় উল্লেখ করে আইন ভঙ্গ করেছে কি না এমন প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তিনি বিষয়টিকে এভাবে বলতে চান না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়াই ভালো হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেছে কি না জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার এই অবস্থানেই থাকবে। বিষয়টিকে সংঘাত হিসেবে দেখার চেষ্টা করা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৮ মিনিট আগে পড়ুনমহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার নিশ্চিত করল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা ও সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক গতকাল সোমবার এ তথ্য জানান।মেরিল্যান্ডের ন্যাশনাল হারবারে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মেইঙ্ক বলেন, নতুন কোনো হুমকি যেখানেই দেখা দিক, তা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। এ জন্য স্পেস ফোর্সের কাছে এখন কক্ষপথে মোতায়েন করা এমন অস্ত্র রয়েছে, যা শত্রুপক্ষের হামলা থেকে যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাঁর মতে, প্রতিরোধের দিক থেকেও এ সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে মহাকাশে মোতায়েন করা অস্ত্রের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি মেইঙ্ক। তবে তিনি বলেন, বক্তব্যে ব্যবহৃত শব্দগুলো ‘খুব ভেবেচিন্তে’ নির্বাচন করা হয়েছে।ট্রয় মেইঙ্কের বক্তব্যের বরাত দিয়ে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। মেইঙ্ক আরও বলেন, আকাশের পাশাপাশি মহাকাশেও যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টকে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, মেইঙ্ক যে প্রযুক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে এমন সক্ষমতাও থাকতে পারে, যার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের কোনো স্যাটেলাইট ধ্বংস করা সম্ভব।মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনে আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে এসব অস্ত্র গণবিধ্বংসী অস্ত্র হতে পারবে না।গোল্ডেন ডোম ও মহাকাশ প্রতিরক্ষামার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ২০১৯ সালে স্পেস ফোর্স প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় তিনি মহাকাশকে ‘বিশ্বের নবীনতম যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।গত বছর ট্রাম্প ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের পুরো ভূখণ্ড সুরক্ষিত রাখতে বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। এর একটি অংশ হবে মহাকাশভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ব্যবস্থা।ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা ১৯৮৩ সালে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনাকালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের নেওয়া স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভের (এসডিআই) কথা মনে করিয়ে দেয়। কর্মসূচিটি ‘স্টার ওয়ার্স’ নামেও পরিচিত ছিল।রিগ্যানের সেই উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি পরে সীমিত করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত হয়। এর আওতায় প্রস্তাবিত মহাকাশভিত্তিক অস্ত্রও আর মোতায়েন করা হয়নি।রাশিয়ার আপত্তিগত মার্চে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ পরিকল্পনার সমালোচনা করেন। তিনি এটিকে ‘মহাকাশে সামরিকীকরণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এই পরিকল্পনা কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য ‘গুরুতর হুমকি’।২০০০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও রাশিয়া এই চার দেশ স্যাটেলাইট-বিধ্বংসী অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।২০২১ সালের নভেম্বরে রুশ সামরিক বাহিনী সোভিয়েত আমলের একটি অব্যবহৃত গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ধ্বংস করে। তখন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছিল, আন্তর্জাতিক আইন কঠোরভাবে মেনেই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়নি বলেও জানিয়েছিল মন্ত্রণালয়। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেটে মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে বিমানযোগে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সদস্য, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় জেলা প্রশাসকসহ রাজনৈতিক নেতা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রাইভেটকারে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে সার্কিট হাউস থেকে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরে তিনি হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারও জিয়ারত করবেন।মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউসে ফিরে সাময়িক বিশ্রাম নেবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বিকেলে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। অনুষ্ঠান শেষে আবার সার্কিট হাউসে ফিরবেন তিনি।সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর বঙ্গভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সকাল ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন তাঁরা।সাক্ষাতের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।বৈঠকে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন ও রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
জুলাইয়ের গণহত্যা মামলা: ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই আন্দোলন ঘিরে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে তাঁদের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জুলাইয়ে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের মধ্যে বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়। তাঁদের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড, প্রতিটি কথোপকথনের ফরেনসিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য সহায়ক প্রমাণও ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। তাঁর দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।এর আগে ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনগত যুক্তিতে সিনিয়র প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম দাবি করেন, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ ওবায়দুল কাদের দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।অন্যদিকে ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে আইনজীবী এম হাসান ইমাম বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর তিন মক্কেল কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না। কমান্ড রেসপনসিবিলিটির ক্ষেত্রে তিনি শেখ হাসিনাকে দায়ী করেন। তাঁর দাবি, তাঁর মক্কেলরা কাউকে হত্যা করেননি এবং হত্যার নির্দেশও দেননি।ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চার নেতার পক্ষে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে তাঁর মক্কেলদের নাম আসেনি। অধীনস্থ নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগও তিনি নাকচ করেন। নারীদের আহত হওয়ার কথা বলা হলেও মামলায় কোনো নারী সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং তাঁর মক্কেলদের খালাস চান।রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম যুক্তি দেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ’-এর নীতি প্রযোজ্য। একই উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী অপরাধ করলে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও ওই গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য দায়ী হতে পারেন। তাঁর দাবি, ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশের পর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় যুক্ত হন।মামলাটি প্রথমে ৫/২০২৫ নম্বর মিস কেস হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত বছরের ১৮ জুন তদন্ত শুরু করে এবং ৭ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে নয়টি অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই দিনই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয় এবং একই দিন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ২৯ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ২ আগস্ট। ৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট শেষ হয়। এরপর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা ও সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক গতকাল সোমবার এ তথ্য জানান।মেরিল্যান্ডের ন্যাশনাল হারবারে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মেইঙ্ক বলেন, নতুন কোনো হুমকি যেখানেই দেখা দিক, তা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। এ জন্য স্পেস ফোর্সের কাছে এখন কক্ষপথে মোতায়েন করা এমন অস্ত্র রয়েছে, যা শত্রুপক্ষের হামলা থেকে যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাঁর মতে, প্রতিরোধের দিক থেকেও এ সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে মহাকাশে মোতায়েন করা অস্ত্রের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি মেইঙ্ক। তবে তিনি বলেন, বক্তব্যে ব্যবহৃত শব্দগুলো ‘খুব ভেবেচিন্তে’ নির্বাচন করা হয়েছে।ট্রয় মেইঙ্কের বক্তব্যের বরাত দিয়ে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। মেইঙ্ক আরও বলেন, আকাশের পাশাপাশি মহাকাশেও যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টকে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, মেইঙ্ক যে প্রযুক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে এমন সক্ষমতাও থাকতে পারে, যার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের কোনো স্যাটেলাইট ধ্বংস করা সম্ভব।মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনে আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে এসব অস্ত্র গণবিধ্বংসী অস্ত্র হতে পারবে না।গোল্ডেন ডোম ও মহাকাশ প্রতিরক্ষামার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ২০১৯ সালে স্পেস ফোর্স প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় তিনি মহাকাশকে ‘বিশ্বের নবীনতম যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।গত বছর ট্রাম্প ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের পুরো ভূখণ্ড সুরক্ষিত রাখতে বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। এর একটি অংশ হবে মহাকাশভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ব্যবস্থা।ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা ১৯৮৩ সালে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনাকালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের নেওয়া স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভের (এসডিআই) কথা মনে করিয়ে দেয়। কর্মসূচিটি ‘স্টার ওয়ার্স’ নামেও পরিচিত ছিল।রিগ্যানের সেই উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি পরে সীমিত করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত হয়। এর আওতায় প্রস্তাবিত মহাকাশভিত্তিক অস্ত্রও আর মোতায়েন করা হয়নি।রাশিয়ার আপত্তিগত মার্চে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ পরিকল্পনার সমালোচনা করেন। তিনি এটিকে ‘মহাকাশে সামরিকীকরণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এই পরিকল্পনা কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য ‘গুরুতর হুমকি’।২০০০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও রাশিয়া এই চার দেশ স্যাটেলাইট-বিধ্বংসী অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।২০২১ সালের নভেম্বরে রুশ সামরিক বাহিনী সোভিয়েত আমলের একটি অব্যবহৃত গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ধ্বংস করে। তখন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছিল, আন্তর্জাতিক আইন কঠোরভাবে মেনেই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়নি বলেও জানিয়েছিল মন্ত্রণালয়। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে বিমানযোগে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সদস্য, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় জেলা প্রশাসকসহ রাজনৈতিক নেতা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রাইভেটকারে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে সার্কিট হাউস থেকে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরে তিনি হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারও জিয়ারত করবেন।মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউসে ফিরে সাময়িক বিশ্রাম নেবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বিকেলে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। অনুষ্ঠান শেষে আবার সার্কিট হাউসে ফিরবেন তিনি।সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর বঙ্গভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সকাল ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন তাঁরা।সাক্ষাতের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।বৈঠকে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন ও রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই আন্দোলন ঘিরে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে তাঁদের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জুলাইয়ে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের মধ্যে বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়। তাঁদের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড, প্রতিটি কথোপকথনের ফরেনসিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য সহায়ক প্রমাণও ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। তাঁর দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।এর আগে ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনগত যুক্তিতে সিনিয়র প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম দাবি করেন, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ ওবায়দুল কাদের দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।অন্যদিকে ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে আইনজীবী এম হাসান ইমাম বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর তিন মক্কেল কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না। কমান্ড রেসপনসিবিলিটির ক্ষেত্রে তিনি শেখ হাসিনাকে দায়ী করেন। তাঁর দাবি, তাঁর মক্কেলরা কাউকে হত্যা করেননি এবং হত্যার নির্দেশও দেননি।ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চার নেতার পক্ষে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে তাঁর মক্কেলদের নাম আসেনি। অধীনস্থ নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগও তিনি নাকচ করেন। নারীদের আহত হওয়ার কথা বলা হলেও মামলায় কোনো নারী সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং তাঁর মক্কেলদের খালাস চান।রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম যুক্তি দেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ’-এর নীতি প্রযোজ্য। একই উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী অপরাধ করলে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও ওই গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য দায়ী হতে পারেন। তাঁর দাবি, ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশের পর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় যুক্ত হন।মামলাটি প্রথমে ৫/২০২৫ নম্বর মিস কেস হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত বছরের ১৮ জুন তদন্ত শুরু করে এবং ৭ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে নয়টি অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই দিনই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয় এবং একই দিন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ২৯ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ২ আগস্ট। ৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট শেষ হয়। এরপর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, এর আগে গুলশানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ জনসহ মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।মামলায় ১১৮ জনের নামঘটনার পর গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শনিবার ২৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, এর আগে গুলশানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ জনসহ মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।মামলায় ১১৮ জনের নামঘটনার পর গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শনিবার ২৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম
আপনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন ভিপি প্রার্থী আবিদকে মাইশা
গুলশানে ঝটিকা মিছিল: আরও ৩২ জন গ্রেপ্তার
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, এর আগে গুলশানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ জনসহ মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতা-কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।মামলায় ১১৮ জনের নামঘটনার পর গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শনিবার ২৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।